চুরি হওয়ার পর প্রতিবন্ধীকে অটোরিকশা দিলেন তোফায়েল আহমেদ
jugantor
চুরি হওয়ার পর প্রতিবন্ধীকে অটোরিকশা দিলেন তোফায়েল আহমেদ

  যুগান্তর প্রতিবেদন, ভোলা  

২০ জুন ২০২১, ১৮:১৯:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার শারীরিক প্রতিবন্ধী মো. মিজানুর রহমানের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা (বোরাক) চুরি হয়ে যাওয়ায় নতুন অটোরিকশা কিনে দিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমপি।

রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে তোফায়েল আহমেদ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবন্ধী মিজানুর রহমানকে এ অটোরিকশা হস্তান্তর করা হয়।

নতুন গাড়ি পেয়ে খুশিতে কেঁদে ফেলেন মিজান। কান্নাজড়িত কণ্ঠে মিজান বলেন, ৬ মে রোজার ঈদের পূর্বে বোরহানউদ্দিন থেকে রোগী নিয়ে ভোলার একটি মেডিকেল সেন্টারে আসি। মেডিকেলের সামনে অটোগাড়িটি রেখে সামনের ঈদগাহ মসজিদে জোহরের নামাজ পড়তে যাই। নামাজ পড়ে এসে আমার অটোটি আর খুঁজে পাইনি। বিভিন্ন জায়গায় অনেক খোঁজখুঁজি করেও গাড়িটি আর পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে থানা পুলিশও অনেক চেষ্টা করেছে।

তিনি বলেন, অটোটি না পেয়ে আমি অনেক কান্না করি। কান্নার ভিডিওটি কেউ একজন ফেসবুকে দেয়। ফেসবুকে আমার কান্না দেখে অনেকে আমাকে সাহায্য করেছেন। তোফায়েল আহমেদ সাহেব আমাকে নতুন বোরাক কিনে দিয়েছেন। আমি তোফায়েল আহমেদ ও তার ছেলে মইনুল হোসেন বিপ্লব সাহেবকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আল্লাহর দরবারে দোয়া করি আল্লাহ যেন তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দেবেন। তারা আমার মতো একজন প্রতিবন্ধীর দিকে আন্তরিকতা ও সহানুভূতি দেখিয়েছে তা অন্য কারো কাছ থেকে আমি পাইনি।

তোফায়েল আহমেদ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা তোফায়েল আহমেদ ঢাকা থেকে টেলিকনফারেন্সে যুক্ত হয়ে বলেন, গরিব দুঃখী মানুষের সহযোগিতার জন্য এ ফাউন্ডেশনটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর মাধ্যমে বিভিন্ন অসহায়দের সহযোগিতার পাশাপাশি গরিব শিক্ষার্থীদের প্রতি মাসে বৃত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে। ফাউন্ডেশনটির মহাসচিব পদে রয়েছেন আমার ছেলে মইনুল হোসেন বিপ্লব। আমার মেয়ে তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নীও এ ফাউন্ডেশন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন।

তিনি বলেন, মূলত আমি মৃত্যুর আগে আমার সব সম্পত্তি এ ফাউন্ডেশনে দান করে যাব। যাতে আমার সম্পদ গরিব অসহায় মানুষের উপকারে আসে। আজকে এ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী মিজানকে একটি বোরাক উপহার দিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। এরকম অসহায়দের সহযোগিতা করতে পারলে আমি আনন্দ পাই।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ভোলার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিক-ইলাহী চৌধুরী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম গোলদার, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও তোফায়েল আহমেদ ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মইনুল হোসেন বিপ্লব, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ প্রমুখ।

চুরি হওয়ার পর প্রতিবন্ধীকে অটোরিকশা দিলেন তোফায়েল আহমেদ

 যুগান্তর প্রতিবেদন, ভোলা 
২০ জুন ২০২১, ০৬:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার শারীরিক প্রতিবন্ধী মো. মিজানুর রহমানের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা (বোরাক) চুরি হয়ে যাওয়ায় নতুন অটোরিকশা কিনে দিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমপি।

রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে তোফায়েল আহমেদ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবন্ধী মিজানুর রহমানকে এ অটোরিকশা হস্তান্তর করা হয়।

নতুন গাড়ি পেয়ে খুশিতে কেঁদে ফেলেন মিজান। কান্নাজড়িত কণ্ঠে মিজান বলেন, ৬ মে রোজার ঈদের পূর্বে বোরহানউদ্দিন থেকে রোগী নিয়ে ভোলার একটি মেডিকেল সেন্টারে আসি। মেডিকেলের সামনে অটোগাড়িটি রেখে সামনের ঈদগাহ মসজিদে জোহরের নামাজ পড়তে যাই। নামাজ পড়ে এসে আমার অটোটি আর খুঁজে পাইনি। বিভিন্ন জায়গায় অনেক খোঁজখুঁজি করেও গাড়িটি আর পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে থানা পুলিশও অনেক চেষ্টা করেছে।

তিনি বলেন, অটোটি না পেয়ে আমি অনেক কান্না করি। কান্নার ভিডিওটি কেউ একজন ফেসবুকে দেয়। ফেসবুকে আমার কান্না দেখে অনেকে আমাকে সাহায্য করেছেন। তোফায়েল আহমেদ সাহেব আমাকে নতুন বোরাক কিনে দিয়েছেন। আমি তোফায়েল আহমেদ ও তার ছেলে মইনুল হোসেন বিপ্লব সাহেবকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আল্লাহর দরবারে দোয়া করি আল্লাহ যেন তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দেবেন। তারা আমার মতো একজন প্রতিবন্ধীর দিকে আন্তরিকতা ও সহানুভূতি দেখিয়েছে তা অন্য কারো কাছ থেকে আমি পাইনি।

তোফায়েল আহমেদ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা তোফায়েল আহমেদ ঢাকা থেকে টেলিকনফারেন্সে যুক্ত হয়ে বলেন, গরিব দুঃখী মানুষের সহযোগিতার জন্য এ ফাউন্ডেশনটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর মাধ্যমে বিভিন্ন অসহায়দের সহযোগিতার পাশাপাশি গরিব শিক্ষার্থীদের প্রতি মাসে বৃত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে। ফাউন্ডেশনটির মহাসচিব পদে রয়েছেন আমার ছেলে মইনুল হোসেন বিপ্লব। আমার মেয়ে তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নীও এ ফাউন্ডেশন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন।

তিনি বলেন, মূলত আমি মৃত্যুর আগে আমার সব সম্পত্তি এ ফাউন্ডেশনে দান করে যাব। যাতে আমার সম্পদ গরিব অসহায় মানুষের উপকারে আসে। আজকে এ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী মিজানকে একটি বোরাক উপহার দিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। এরকম অসহায়দের সহযোগিতা করতে পারলে আমি আনন্দ পাই।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ভোলার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিক-ইলাহী চৌধুরী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম গোলদার, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও তোফায়েল আহমেদ ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মইনুল হোসেন বিপ্লব, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন