ভোট শুরুর ১ ঘণ্টা পর কেন্দ্রে গুলি ও বোমা বিস্ফোরণ
jugantor
ভোট শুরুর ১ ঘণ্টা পর কেন্দ্রে গুলি ও বোমা বিস্ফোরণ

  বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২১ জুন ২০২১, ১১:২৯:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

গুলি ও বোমা বিস্ফোরণ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ভোট শুরুর ১ ঘণ্টা পর কেন্দ্রে গুলি ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ডের হাইস্কুল কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, সকাল পৌনে ৯টার দিকে নৌকা মার্কার পক্ষে কর্মী-সমর্থকরা কেন্দ্রদখলের সময় চশমা মার্কার এজেন্টসহ কয়েক কর্মী-সমর্থক বাধা দেন। এদিকে নৌকার কর্মী-সমর্থকরা তাদের এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় তিন রাউন্ড গুলি ও কয়েকটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় চশমা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী মহিউদ্দিন লাভলুর ১০ কর্মী-সমর্থক আহত হন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত রাশমোন দাশ (৪০) ও আতাউর রাব্বিকে (৩০) বাউফল হাসপাতালে পাঠানো হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনার কারণে কিছু সময় ওই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত ছিল।

এ ব্যাপারে বাউফল থানার ওসি আল মামুন যুগান্তরকে বলেন, ঘটনার পর ওই ভোট কেন্দ্রে টহল পুলিশ আহত রাশমোহন ও আতাউর রাব্বিকে স্থানীয় জনগণের সহায়তার উদ্ধার করে বাউফল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তবে এ ঘটনায় কেউ এখন পর্যন্ত মামলা করেননি।

এই ঘটনার পর চশমা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী মহিউদ্দিন লাভলু অভিযোগ করেন, নৌকা মার্কার প্রার্থীর কর্মীরা সমর্থকরা ভোট কেন্দ্র দখল করে ব্যালটে সিল মারছিলেন। এ সময় তার কর্মী সমর্থকরা বাধা দিলে তাদেরকে পিটিয়ে কুপিয়ে জখম করেন। এ সময় নৌকা সমর্থকরা কয়েক রাউন্ড গুলি ও কয়েকটি হাত বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এ ঘটনার পর ওই কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়।

নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী সালেহ উদ্দিন পিকু বলেন, চশমা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী মহিউদ্দিন লাভলুর কর্মী রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে রাশমোহন দাশ, ইব্রাহিম, নুর ইসলাম, রাসেলসহ ২০-২৫ জন সন্ত্রাসীরা কাফনের কাপড় পরে ফাঁকা গুলি ও কয়েকটি হাত বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে। তখন মেম্বার প্রার্থী বোনা খান ও বশিরসহ আমার কর্মী সমর্থকরা তাদেরকে প্রতিহত করে।

ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার রিয়াজুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সাংবাদিকদের কাছে বলেন, এ ঘটনা চলাকালে সময়ে কিছু সময়ের জন্য ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকে। পরে পুনরায় ওই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।

এ ছাড়া কনকদিয়া ইউনিয়নের বীরপাশা ও গাবতলী সরকারি প্রাইমারি স্কুল কেন্দ্রে নৌকার পক্ষে ভোটারদের কাছ থেকে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ভোট শুরুর ১ ঘণ্টা পর কেন্দ্রে গুলি ও বোমা বিস্ফোরণ

 বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২১ জুন ২০২১, ১১:২৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
গুলি ও বোমা বিস্ফোরণ
ফাইল ছবি

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ভোট শুরুর ১ ঘণ্টা পর কেন্দ্রে গুলি ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ডের হাইস্কুল কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, সকাল পৌনে ৯টার দিকে নৌকা মার্কার পক্ষে কর্মী-সমর্থকরা কেন্দ্রদখলের সময় চশমা মার্কার এজেন্টসহ কয়েক কর্মী-সমর্থক বাধা দেন। এদিকে নৌকার কর্মী-সমর্থকরা তাদের এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় তিন রাউন্ড গুলি ও কয়েকটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় চশমা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী মহিউদ্দিন লাভলুর ১০ কর্মী-সমর্থক আহত হন।  এদের মধ্যে গুরুতর আহত রাশমোন দাশ (৪০) ও আতাউর রাব্বিকে (৩০) বাউফল হাসপাতালে পাঠানো হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনার কারণে কিছু সময় ওই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত ছিল।

এ ব্যাপারে বাউফল থানার ওসি আল মামুন যুগান্তরকে বলেন, ঘটনার পর ওই ভোট কেন্দ্রে টহল পুলিশ আহত রাশমোহন ও আতাউর রাব্বিকে স্থানীয় জনগণের সহায়তার উদ্ধার করে বাউফল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তবে এ ঘটনায় কেউ এখন পর্যন্ত মামলা করেননি।

এই ঘটনার পর চশমা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী মহিউদ্দিন লাভলু অভিযোগ করেন, নৌকা মার্কার প্রার্থীর কর্মীরা সমর্থকরা ভোট কেন্দ্র দখল করে ব্যালটে সিল মারছিলেন। এ সময় তার কর্মী সমর্থকরা বাধা দিলে তাদেরকে পিটিয়ে কুপিয়ে জখম করেন। এ সময় নৌকা সমর্থকরা কয়েক রাউন্ড গুলি ও কয়েকটি হাত বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এ ঘটনার পর ওই কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়।

নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী সালেহ উদ্দিন পিকু বলেন, চশমা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী মহিউদ্দিন লাভলুর কর্মী রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে রাশমোহন দাশ, ইব্রাহিম, নুর ইসলাম, রাসেলসহ ২০-২৫ জন সন্ত্রাসীরা কাফনের কাপড় পরে ফাঁকা গুলি ও কয়েকটি হাত বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে। তখন মেম্বার প্রার্থী বোনা খান ও বশিরসহ আমার কর্মী সমর্থকরা তাদেরকে প্রতিহত করে।

ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার রিয়াজুল হক  ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সাংবাদিকদের কাছে বলেন, এ ঘটনা চলাকালে সময়ে কিছু সময়ের জন্য ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকে। পরে পুনরায় ওই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।

এ ছাড়া কনকদিয়া ইউনিয়নের বীরপাশা ও গাবতলী সরকারি প্রাইমারি স্কুল কেন্দ্রে নৌকার পক্ষে ভোটারদের কাছ থেকে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন