ধর্ষণের ঘটনার ৮ মাস পর জানা গেল কারাগারে থাকা প্রতিবেশী নির্দোষ
jugantor
ধর্ষণের ঘটনার ৮ মাস পর জানা গেল কারাগারে থাকা প্রতিবেশী নির্দোষ

  বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২২ জুন ২০২১, ০০:০৮:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কলাবাগ এলাকায় গত বছরের ৩ নভেম্বর রাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছিল এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী (১৫)। ওই ঘটনায় ওই রাতেই ধর্ষণ মামলা দায়ের হলে ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বক্তব্য মতো কামাল বেপারী নামে তার এক প্রতিবেশীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

কামাল বেপারীকে গ্রেফতারের দুই মাসপর ধর্ষণের শিকার কিশোরী ও কামাল বেপারীর ডিএনএ টেস্ট করা হয়। ছয় মাস পর ডিএনএ টেস্টের ফলাফল এলে তা কামাল বেপারীর সঙ্গে না মেলায় সন্দিহান হয়ে পড়ে পুলিশ।

রোববার ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে পুনরায় নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রকৃত ধর্ষকের একটি বর্ণনা নেয় পুলিশ। এরপর রোববার রাতে পুরান বন্দর চৌধুরী বাড়ি এলাকা থেকে প্রকৃত ধর্ষক অপু (২২) নামে এক অটোরিকশা চালককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত অপু চৌধুরী বাড়ি এলাকার মাহাবুব হোসেনের ছেলে। সোমবার ধর্ষণের কথা স্বীকার করে অপু আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছে। তবে আট মাস আগে গ্রেফতার কামাল বেপারী এখনও কারাবন্দি রয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবুল খায়ের বলেন, গত বছরের ৩ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বন্দরের কলাবাগ এলাকার শাওনের অটোরিকশা গ্যারেজের পিছনে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে অটোরিকশা চালক অপু। এ ঘটনায় ওই রাতেই থানায় মামলা করেন ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবা। সে সময় কিশোরী কামাল বেপারীর নাম বলে। এরপর কামাল বেপারীকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি বলেন, আদালতের অনুমতি নিয়ে উভয়ের ডিএনএ টেস্ট করা হয়। ৬ মাস পর টেস্টের রিপোর্ট পাওয়ার পর কামাল বেপারীর সঙ্গে ডিএনএ টেস্টের মিল না পাওয়ায় নড়েচড়ে বসে পুলিশ। এরপর প্রকৃত ধর্ষকের খোঁজে নামে পুলিশ।

এসআই আবুল খায়ের বলেন, রোববার কিশোরীকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে কলাবাগ এলাকার শাওনের অটোরিকশা গ্যারেজের পিছনে নিয়ে পুলিশকে ওই দিনের ধর্ষণ ঘটনার বর্ণনা দেয় এবং ধর্ষক সম্পর্কে পুলিশকে একটি ধারণা দেয়। এ ধারণার প্রেক্ষিতে রোববার অটোচালক অপুকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার অপু আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

তিনি আরও জানান, জেলহাজতে থাকা কামাল বেপারী মোবাইলে পর্নো ছবি দেখিয়ে কিশোরীকে দেড় বছর ধরে ধর্ষণ করে। এ নিয়ে দেড় বছর আগে এলাকায় শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

ধর্ষণের ঘটনার ৮ মাস পর জানা গেল কারাগারে থাকা প্রতিবেশী নির্দোষ

 বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২২ জুন ২০২১, ১২:০৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কলাবাগ এলাকায় গত বছরের ৩ নভেম্বর রাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছিল এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী (১৫)। ওই ঘটনায় ওই রাতেই ধর্ষণ মামলা দায়ের হলে ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বক্তব্য মতো কামাল বেপারী নামে তার এক প্রতিবেশীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

কামাল বেপারীকে গ্রেফতারের দুই মাসপর ধর্ষণের শিকার কিশোরী ও কামাল বেপারীর ডিএনএ টেস্ট করা হয়। ছয় মাস পর ডিএনএ টেস্টের ফলাফল এলে তা কামাল বেপারীর সঙ্গে না মেলায় সন্দিহান হয়ে পড়ে পুলিশ।

রোববার ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে পুনরায় নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রকৃত ধর্ষকের একটি বর্ণনা নেয় পুলিশ। এরপর রোববার রাতে পুরান বন্দর চৌধুরী বাড়ি এলাকা থেকে প্রকৃত ধর্ষক অপু (২২) নামে এক অটোরিকশা চালককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত অপু চৌধুরী বাড়ি এলাকার মাহাবুব হোসেনের ছেলে। সোমবার ধর্ষণের কথা স্বীকার করে অপু আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছে। তবে আট মাস আগে গ্রেফতার কামাল বেপারী এখনও কারাবন্দি রয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবুল খায়ের বলেন, গত বছরের ৩ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বন্দরের কলাবাগ এলাকার শাওনের অটোরিকশা গ্যারেজের পিছনে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে অটোরিকশা চালক অপু। এ ঘটনায় ওই রাতেই থানায় মামলা করেন ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবা। সে সময় কিশোরী কামাল বেপারীর নাম বলে। এরপর কামাল বেপারীকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি বলেন, আদালতের অনুমতি নিয়ে উভয়ের ডিএনএ টেস্ট করা হয়। ৬ মাস পর টেস্টের রিপোর্ট পাওয়ার পর কামাল বেপারীর সঙ্গে ডিএনএ টেস্টের মিল না পাওয়ায় নড়েচড়ে বসে পুলিশ। এরপর প্রকৃত ধর্ষকের খোঁজে নামে পুলিশ।

এসআই আবুল খায়ের বলেন, রোববার কিশোরীকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে কলাবাগ এলাকার শাওনের অটোরিকশা গ্যারেজের পিছনে নিয়ে পুলিশকে ওই দিনের ধর্ষণ ঘটনার বর্ণনা দেয় এবং ধর্ষক সম্পর্কে পুলিশকে একটি ধারণা দেয়। এ ধারণার প্রেক্ষিতে রোববার অটোচালক অপুকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার অপু আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

তিনি আরও জানান, জেলহাজতে থাকা কামাল বেপারী মোবাইলে পর্নো ছবি দেখিয়ে কিশোরীকে দেড় বছর ধরে ধর্ষণ করে। এ নিয়ে  দেড় বছর আগে এলাকায় শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন