সাবেক স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা, ৯৯৯-এ ফোন করে উদ্ধার
jugantor
সাবেক স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা, ৯৯৯-এ ফোন করে উদ্ধার

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

২২ জুন ২০২১, ১১:৩৯:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

হত্যাচেষ্টা

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে সাবেক স্ত্রী শারমিন আক্তারকে (২২) হত্যাচেষ্টা করেছেন এক যুবক। এ সময় ৯৯৯-এ ফোন করে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার ৫নং চরজুবিলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম চরজব্বার গ্রামের দেলোয়ারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

আহত শারমিনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক স্বামী জহিরুল ইসলামকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ। আটক জহিরুল ইসলাম ৫নং চরজুবলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে।

এলাকাবাসী জানান, ঘটনার পর পরই ৯৯৯-এ আহতের বড়ভাই সাজ্জাদ ফোন করলে চরজব্বার থানা পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে চরজুবলী ইউনিয়নের দক্ষিণ চরবাগ্যা গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মোস্তফা সর্দারের ছেলে জহিরুল ইসলামের সঙ্গে শারমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে প্রায় যৌতুকের জন্য শারমিনকে মারধর করতেন তিনি।

জহিরের নির্যাতনের কারণে এক বছর আগে শারমিন তাকে তালাক দেন। বিয়ের আগে জহিরুল নানা কৌশলে শারমিনের বাড়ির সামনে ঘর করার জন্য শ্বশুর দেলোয়ারের কাছ থেকে কিছু জমি রেজিস্ট্রি করে নেয়।

বিগত চার মাস আগে সালিশবৈঠকে জহিরুলের সঙ্গে শারমিনের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। সালিশবৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাদের দুই সন্তান ফারিয়া ইসলাম (৬) এবং সাইদুল ইসলামকে (৪) জহিরুল নিয়ে যায়।

তিন মাস আগে জহির পুনরায় বিয়ে করেন। বিয়ে করার পর জহির ফারিয়াকে তার বাবা মোস্তাফিজের কাছে রেখে আসেন এবং ছোট ছেলে সাইদুলকে তার কাছে রেখে দেন।

বিগত কিছু দিন ধরে জহিরের নতুন স্ত্রী পারুল বেগম প্রায় সাইদুলকে মারধর করত। শারমিনের বাড়ির সামনে সাবেক স্বামীর ঘর হওয়ায় তিনি তার শিশু ছেলের ওপর নির্যাতন দেখতে পান।

সোমবার সন্ধ্যায় সৎমা পারুল সাইদুলকে মারধর করে। চিৎকার শুনে শারমিন ওই বাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে বিষয়টি দেখতে গেলে পারুল তাকে ঘরে আটক করে জহিরকে খবর দেয়।

পরে জহির এসে ঘরে প্রবেশ করে শারমিনকে টর্চলাইট দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয় এবং গলাটিপে হত্যাচেষ্টা করে।

এর পর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে চরজব্বার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে শারমিনকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। এ সময় জহিরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

চরজব্বার থানার ওসি জিয়াউল হক বলেন, শারমিনের বাবা লিখিত অভিযোগ করেছে। ওই মামলায় আটক আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়ে মঙ্গলবার বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

সাবেক স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা, ৯৯৯-এ ফোন করে উদ্ধার

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
২২ জুন ২০২১, ১১:৩৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হত্যাচেষ্টা
ফাইল ছবি

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে সাবেক স্ত্রী  শারমিন আক্তারকে (২২) হত্যাচেষ্টা করেছেন এক যুবক। এ সময় ৯৯৯-এ ফোন করে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার ৫নং চরজুবিলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম চরজব্বার গ্রামের দেলোয়ারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

আহত শারমিনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক স্বামী জহিরুল ইসলামকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ। আটক জহিরুল ইসলাম ৫নং চরজুবলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে।

এলাকাবাসী জানান, ঘটনার পর পরই ৯৯৯-এ আহতের বড়ভাই সাজ্জাদ ফোন করলে চরজব্বার থানা পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে চরজুবলী ইউনিয়নের দক্ষিণ চরবাগ্যা গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মোস্তফা সর্দারের ছেলে জহিরুল ইসলামের সঙ্গে শারমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে প্রায় যৌতুকের জন্য শারমিনকে মারধর করতেন তিনি।

জহিরের নির্যাতনের কারণে এক বছর আগে শারমিন তাকে তালাক দেন। বিয়ের আগে জহিরুল নানা কৌশলে শারমিনের বাড়ির সামনে ঘর করার জন্য শ্বশুর দেলোয়ারের কাছ থেকে কিছু জমি রেজিস্ট্রি করে নেয়।

বিগত চার মাস আগে সালিশবৈঠকে জহিরুলের সঙ্গে শারমিনের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। সালিশবৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাদের দুই সন্তান ফারিয়া ইসলাম (৬) এবং সাইদুল ইসলামকে (৪) জহিরুল নিয়ে যায়।  

তিন মাস আগে জহির পুনরায় বিয়ে করেন। বিয়ে করার পর জহির ফারিয়াকে তার বাবা মোস্তাফিজের কাছে রেখে আসেন এবং ছোট ছেলে সাইদুলকে তার কাছে রেখে দেন।

বিগত কিছু দিন ধরে জহিরের নতুন স্ত্রী পারুল বেগম প্রায় সাইদুলকে মারধর করত। শারমিনের বাড়ির সামনে সাবেক স্বামীর ঘর হওয়ায় তিনি তার শিশু ছেলের ওপর নির্যাতন দেখতে পান।

সোমবার সন্ধ্যায় সৎমা পারুল সাইদুলকে মারধর করে। চিৎকার শুনে শারমিন ওই বাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে বিষয়টি দেখতে গেলে পারুল তাকে ঘরে আটক করে জহিরকে খবর দেয়।

পরে জহির এসে ঘরে প্রবেশ করে শারমিনকে টর্চলাইট দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয় এবং গলাটিপে হত্যাচেষ্টা করে।

এর পর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে চরজব্বার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে শারমিনকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। এ সময় জহিরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

চরজব্বার থানার ওসি জিয়াউল হক বলেন, শারমিনের বাবা লিখিত অভিযোগ করেছে। ওই মামলায় আটক আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়ে মঙ্গলবার বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন