যশোরে করোনা ও উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৩
jugantor
যশোরে করোনা ও উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৩

  যশোর ব্যুরো  

২২ জুন ২০২১, ১৫:৪৪:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরে করোনা ও উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৩

যশোরে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। সেখানে ৫২৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৫৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ছিল ৪৮ শতাংশ।

যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় যশোর ২৫০ শয্যার হাসপাতালের রেড জোনে দুজন ও উপজেলা হাসপাতালে দুজন এবং জেনারেল হাসপাতালের ইয়োলো জোনে থাকা চারজন মারা গেছেন৷

যশোর জেনারেল হাসপাতাল সূত্র জানায়, সেখানে করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে ভর্তি আছেন ৮৯ জন এবং আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৬৫ জন। এ ছাড়া শয্যা খালি না থাকায় অন্তত ৩০ জনকে হাসপাতালের মেঝেতে রাখা হয়েছে। এখন হাসপাতালের মেঝেতেও জায়গা নেই।

হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আরিফ আহমেদ বলেন, যশোরে করোনা পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। কঠোর লকডাউন ছাড়া এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। হাসপাতালে করোনা রোগীদের জায়গা দেওয়া যাচ্ছে না। হাসপাতালের চাপ কমানোতে মঙ্গলবার থেকে শহরের বেসরকারি জনতা হাসপাতালে ভারতফেরত রোগীদের রাখা হচ্ছে।

যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান জানান, যশোরে করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। শনাক্তের এ ঊর্ধ্বগতি রুখতে কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকরে কাজ করছে জেলা প্রশাসন। তবে এ বিধিনিষেধ মানছে না সাধারণ মানুষ। বিধিনিষেধ মানাতে আরও কঠোরতা আরোপ করা হবে। সেই সঙ্গে জনগণকেও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

যশোরে করোনা ও উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৩

 যশোর ব্যুরো 
২২ জুন ২০২১, ০৩:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যশোরে করোনা ও উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৩
ফাইল ছবি

যশোরে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। সেখানে ৫২৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৫৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ছিল ৪৮ শতাংশ।

যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় যশোর ২৫০ শয্যার হাসপাতালের রেড জোনে দুজন ও উপজেলা হাসপাতালে দুজন এবং জেনারেল হাসপাতালের ইয়োলো জোনে থাকা চারজন মারা গেছেন৷

যশোর জেনারেল হাসপাতাল সূত্র জানায়, সেখানে করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে ভর্তি আছেন ৮৯ জন এবং আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৬৫ জন। এ ছাড়া শয্যা খালি না থাকায় অন্তত ৩০ জনকে হাসপাতালের মেঝেতে রাখা হয়েছে। এখন হাসপাতালের মেঝেতেও জায়গা নেই।

হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আরিফ আহমেদ বলেন, যশোরে করোনা পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। কঠোর লকডাউন ছাড়া এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। হাসপাতালে করোনা রোগীদের জায়গা দেওয়া যাচ্ছে না। হাসপাতালের চাপ কমানোতে মঙ্গলবার থেকে শহরের বেসরকারি জনতা হাসপাতালে ভারতফেরত রোগীদের রাখা হচ্ছে।

যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান জানান, যশোরে করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। শনাক্তের এ ঊর্ধ্বগতি রুখতে কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকরে কাজ করছে জেলা প্রশাসন। তবে এ বিধিনিষেধ মানছে না সাধারণ মানুষ। বিধিনিষেধ মানাতে আরও কঠোরতা আরোপ করা হবে। সেই সঙ্গে জনগণকেও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন