টয়লেটে পাওয়া গেল কিশোরী গৃহকর্মীর লাশ
jugantor
টয়লেটে পাওয়া গেল কিশোরী গৃহকর্মীর লাশ

  যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া  

২২ জুন ২০২১, ২১:০৪:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের একটি বাসার টয়লেট থেকে রাহিমা (১২) নামের এক গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের মায়ের অভিযোগ তাকে হত্যা করা হয়েছে।

সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পশ্চিম পাইকপাড়া বোর্ডিং মাঠ এলাকার তিনতলা বাসা থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়।

রাহিমা সিলেট জেলার মৃত গোলাপ রব্বানীর মেয়ে। সে সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের ভাটপাড়ায় মায়ের সঙ্গে নানার বাড়িতে থেকে শহরের পাইকপাড়ার রওশন আলীর বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করত।

রাহিমার পরিবারের সদস্যরা জানান, পারিবারিক অভাব-অনটনের কারণে রাহিমা শহরের পাইকপাড়ার রওশন আলীর বাসায় কাজ করত। বছরে দু’বার রাহিমা বাড়িতে আসলেও গত ৬ মাস রওশন আলীর স্ত্রী তাকে বাড়িতে আসতে দেয়নি। রাহিমাকে প্রায়ই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তিনি মারধর করতেন। কয়েকদিন আগে রাহিমাকে মারধর করায় সে রাগ করে নানার বাড়ি মায়ের কাছে চলে যায়। পরে রওশন আলী গিয়ে আবার রাহিমাকে নিয়ে আসেন। সোমবার রাতে তাদের কাছে খবর আসে রাহিমা টয়লেটে আত্মহত্যা করেছে।

এ বিষয়ে রাহিমার মা বলেন, বাসার মালিক রওশন আলীর স্ত্রী রাহিমাকে প্রায়ই মারধর করত। মারধরের কারণে রাহিমাকে আমি বাড়িতে নিয়ে আসব বলে রওশন আলীকে জানিয়েছিলাম। এ কারণে রাহিমাকে খুন করে লাশ ঝুলিয়ে রাখে।তিনি হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম বলেন, রাতে লাশ উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বোঝা যাবে হত্যা নাকি আত্মহত্যা।

টয়লেটে পাওয়া গেল কিশোরী গৃহকর্মীর লাশ

 যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া 
২২ জুন ২০২১, ০৯:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের একটি বাসার টয়লেট থেকে রাহিমা (১২) নামের এক গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের মায়ের অভিযোগ তাকে হত্যা করা হয়েছে। 

সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পশ্চিম পাইকপাড়া বোর্ডিং মাঠ এলাকার তিনতলা বাসা থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়।

রাহিমা সিলেট জেলার মৃত গোলাপ রব্বানীর মেয়ে। সে সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের ভাটপাড়ায় মায়ের সঙ্গে নানার বাড়িতে থেকে শহরের পাইকপাড়ার রওশন আলীর বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করত। 

রাহিমার পরিবারের সদস্যরা জানান, পারিবারিক অভাব-অনটনের কারণে রাহিমা শহরের পাইকপাড়ার রওশন আলীর বাসায় কাজ করত। বছরে দু’বার রাহিমা বাড়িতে আসলেও গত ৬ মাস রওশন আলীর স্ত্রী তাকে বাড়িতে আসতে দেয়নি। রাহিমাকে প্রায়ই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তিনি মারধর করতেন। কয়েকদিন আগে রাহিমাকে মারধর করায় সে রাগ করে নানার বাড়ি মায়ের কাছে চলে যায়। পরে রওশন আলী গিয়ে আবার রাহিমাকে নিয়ে আসেন। সোমবার রাতে তাদের কাছে খবর আসে রাহিমা টয়লেটে আত্মহত্যা করেছে।

এ বিষয়ে রাহিমার মা বলেন, বাসার মালিক রওশন আলীর স্ত্রী রাহিমাকে প্রায়ই মারধর করত। মারধরের কারণে রাহিমাকে আমি বাড়িতে নিয়ে আসব বলে রওশন আলীকে জানিয়েছিলাম। এ কারণে রাহিমাকে খুন করে লাশ ঝুলিয়ে রাখে। তিনি হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। 

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম বলেন, রাতে লাশ উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বোঝা যাবে হত্যা নাকি আত্মহত্যা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন