বাড়ি গিয়ে পাঠদান শিক্ষকদের
jugantor
বাড়ি গিয়ে পাঠদান শিক্ষকদের

  মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২২ জুন ২০২১, ২১:৩৯:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের মাধবপুরে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা ওয়ার্কশিট পদ্ধতিতে পাঠদান কার্যক্রমে আশার আলো দেখছে। করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় স্কুলে ক্লাস চালুর অনিশ্চয়তা দেখা দেয়ায় ছাত্র ও অভিভাবকরা উদ্বেগ উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছে।

এরই মধ্যে শিক্ষকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করে একটা অন্তর্বর্তীকালীন পাঠ পরিকল্পনা করে দিচ্ছেন। পাঠ পরিকল্পনা অনুযায়ী পাঠ বুঝিয়ে দিয়ে শিক্ষার্থীদের বাড়ির কাজ দিয়ে আসছেন শিক্ষক। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আনন্দিত ও খুশি।

করোনার সংক্রমণ রোধে ১৬ মার্চ ২০২০ থেকে স্কুলে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

শিক্ষা কর্মকর্তা ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, গত ২২ মে থেকে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের বাড়ি গিয়ে ওয়ার্কশিটের মাধ্যমে পড়া আদায় করে নেয়ায় ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ায় একটি গতি ফিরে এসেছে। এতে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। যদি স্কুল না খোলা হয় তাহলে শিক্ষার্থীদের বাড়ির কাজের মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী ক্লাসে প্রমোশন দেয়া হবে। উপজেলায় ১৪৯টি সরকারি বিদ্যালয় রয়েছে।

শাহ আলম নামে একজন অভিভাবক জানান, শিক্ষকরা বাড়ি গিয়ে পড়া দিয়ে আসায় তার তৃতীয় শ্রেণিতে পুড়ুয়া মেয়ে এখন বই-খাতা নিয়ে বসছে। পড়ায় মনোযোগী হয়ে উঠেছে। এতে তিনি খুশি।

বাড়ি গিয়ে পাঠদান শিক্ষকদের

 মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২২ জুন ২০২১, ০৯:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের মাধবপুরে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা ওয়ার্কশিট পদ্ধতিতে পাঠদান কার্যক্রমে আশার আলো দেখছে। করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় স্কুলে ক্লাস চালুর অনিশ্চয়তা দেখা দেয়ায় ছাত্র ও অভিভাবকরা উদ্বেগ উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছে।

এরই মধ্যে শিক্ষকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করে একটা অন্তর্বর্তীকালীন পাঠ পরিকল্পনা করে দিচ্ছেন। পাঠ পরিকল্পনা অনুযায়ী পাঠ বুঝিয়ে দিয়ে শিক্ষার্থীদের বাড়ির কাজ দিয়ে আসছেন শিক্ষক। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আনন্দিত ও খুশি।

করোনার সংক্রমণ রোধে ১৬ মার্চ ২০২০ থেকে স্কুলে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

শিক্ষা কর্মকর্তা ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, গত ২২ মে থেকে শিক্ষকরা  শিক্ষার্থীদের বাড়ি গিয়ে ওয়ার্কশিটের মাধ্যমে পড়া আদায় করে নেয়ায় ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ায় একটি গতি ফিরে এসেছে। এতে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। যদি স্কুল না খোলা হয় তাহলে শিক্ষার্থীদের বাড়ির কাজের মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী ক্লাসে প্রমোশন দেয়া হবে। উপজেলায় ১৪৯টি সরকারি বিদ্যালয় রয়েছে।

শাহ আলম নামে একজন অভিভাবক জানান, শিক্ষকরা বাড়ি গিয়ে পড়া দিয়ে আসায় তার তৃতীয় শ্রেণিতে পুড়ুয়া মেয়ে এখন বই-খাতা নিয়ে বসছে। পড়ায় মনোযোগী হয়ে উঠেছে। এতে তিনি খুশি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন