দ্বিতীয় বিয়ের পর খুবই অশান্তিতে ছিলেন ত্ব-হা
jugantor
দ্বিতীয় বিয়ের পর খুবই অশান্তিতে ছিলেন ত্ব-হা

  মাহবুব রহমান, রংপুর ব্যুরো  

২৩ জুন ২০২১, ০১:৩৫:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

দ্বিতীয় বিয়ের পর খুবই অশান্তিতে ছিল আলোচিত ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান। আর এমন দাবি করেছেন আবু ত্ব-হার মা তার মা আজেদা বেগম। তিনি আরও দাবি করেন, তার ছেলে দ্বিতীয় বিয়ে করার বেশ কিছু দিন পর তিনি বিষয়টি জেনেছেন।

এদিকে আত্মগোপনে যাওয়ার পর আবু ত্ব-হার দ্বিতীয় বিয়ের খবর জেনেছেন পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। এমনকি ত্ব-হার স্বজন, প্রথম স্ত্রীর পরিবার কিছুই জানতে পারেনি।

তার মা আজেদা বেগমও বিয়ের কথা জানেননি তাৎক্ষণিক। পরে একটি মাধ্যমে জানার পর আর কাউকে জানাননি। আজেদা তার ছেলের দ্বিতীয় স্ত্রীকে খুব একটা যে পছন্দ করেন না- তা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন।

ত্ব-হার মা আজেদা বেগম যুগান্তরকে বলেন, ‘বিয়ের খবর আমি বেশ কিছুদিন পরে জেনেছি। আমি শুনেছি বিপদে ফেলে আমার ছেলের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ওই নারী বিয়ে করেন। খুব মানসিক অত্যাচার করত, তাকে নানাভাবে বিরক্তকর অবস্থায় রাখত। দ্বিতীয় বিয়ের পর খুবই অশান্তিতে ছিল ত্ব-হা সে কথা তাকে জানিয়েছিল।’

১০ জুন ত্ব-হা ঢাকায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ হওয়ার কথা দাবি করে প্রথমে গণমাধ্যম ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরে আনেন তার স্ত্রী পরিচয়ে সাবিকুন্নাহার সারা। তার আগে বিষয়টি গোপন রেখেছেন ত্ব-হা নিজেই।

পরে সারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্দেশে তার স্বামীকে উদ্ধারের দাবিও জানান, এই ইস্যুতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করেন, বেসরকারি টেলিভিশনে কথা বলেন। বিশেষ করে সংবাদ সম্মেলনে তার রাখা আবেগঘন বক্তব্য ‘ত্ব-হাকে আমার কাছে ফিরিয়ে দেন, না হলে তার কাছে আমাকে নিয়ে যান’ এ ধরনের আবেগঘন বক্তব্য নিয়ে ব্রিবতকর অবস্থায় পড়েন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো।

সাবিকুন্নাহারের এমন আবির্ভাব ত্ব-হার স্বজন ও পরিবারের লোকজনকেও বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে। পরিবারের অনেকেই এ বিয়ের খবর জানতেন না।

ত্ব-হাকে খুঁজে না পাওয়ার কথা প্রথমে জানান তার দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিকুন্নাহার। ১৬ জুন তিনি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে এমন দাবি করেছিলেন।

রংপুর নগরীর শহীদ মোবারক সরণিতে আহলে হাদিস মসজিদের পাশে পারিবারিক বাসভবনে ত্ব-হা তার মাসহ শৈশব থেকে মামার বাড়িতে বেড়ে ওঠেন। মাসহ সেটাই তার বর্তমান থাকার বাড়ি। কিছুদিন আগে থেকে নগরীর শালবন মিস্ত্রিপাড়ায় চেয়ারম্যানের গলিতে ভাড়া বাসায় থাকতেন তারা।

দ্বিতীয় বিয়ের পর খুবই অশান্তিতে ছিলেন ত্ব-হা

 মাহবুব রহমান, রংপুর ব্যুরো 
২৩ জুন ২০২১, ০১:৩৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দ্বিতীয় বিয়ের পর খুবই অশান্তিতে ছিল আলোচিত ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান। আর এমন দাবি করেছেন আবু ত্ব-হার মা তার মা আজেদা বেগম। তিনি আরও দাবি করেন, তার ছেলে দ্বিতীয় বিয়ে করার বেশ কিছু দিন পর তিনি বিষয়টি জেনেছেন।

এদিকে আত্মগোপনে যাওয়ার পর আবু ত্ব-হার দ্বিতীয় বিয়ের খবর জেনেছেন পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। এমনকি ত্ব-হার স্বজন, প্রথম স্ত্রীর পরিবার কিছুই জানতে পারেনি।

তার মা আজেদা বেগমও বিয়ের কথা জানেননি তাৎক্ষণিক। পরে একটি মাধ্যমে জানার পর আর কাউকে জানাননি। আজেদা তার ছেলের দ্বিতীয় স্ত্রীকে খুব একটা যে পছন্দ করেন না- তা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন।

ত্ব-হার মা আজেদা বেগম যুগান্তরকে বলেন, ‘বিয়ের খবর আমি বেশ কিছুদিন পরে জেনেছি। আমি শুনেছি বিপদে ফেলে আমার ছেলের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ওই নারী বিয়ে করেন। খুব মানসিক অত্যাচার করত, তাকে নানাভাবে বিরক্তকর অবস্থায় রাখত। দ্বিতীয় বিয়ের পর খুবই অশান্তিতে ছিল ত্ব-হা সে কথা তাকে জানিয়েছিল।’

১০ জুন ত্ব-হা ঢাকায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ হওয়ার কথা দাবি করে প্রথমে গণমাধ্যম ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরে আনেন তার স্ত্রী পরিচয়ে সাবিকুন্নাহার সারা। তার আগে বিষয়টি গোপন রেখেছেন ত্ব-হা নিজেই।

পরে সারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্দেশে তার স্বামীকে উদ্ধারের দাবিও জানান, এই ইস্যুতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করেন, বেসরকারি টেলিভিশনে কথা বলেন। বিশেষ করে সংবাদ সম্মেলনে তার রাখা আবেগঘন বক্তব্য ‘ত্ব-হাকে আমার কাছে ফিরিয়ে দেন, না হলে তার কাছে আমাকে নিয়ে যান’ এ ধরনের আবেগঘন বক্তব্য নিয়ে ব্রিবতকর অবস্থায় পড়েন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো।

সাবিকুন্নাহারের এমন আবির্ভাব ত্ব-হার স্বজন ও পরিবারের লোকজনকেও বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে। পরিবারের অনেকেই এ বিয়ের খবর জানতেন না।

ত্ব-হাকে খুঁজে না পাওয়ার কথা প্রথমে জানান তার দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিকুন্নাহার। ১৬ জুন তিনি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে এমন দাবি করেছিলেন।

রংপুর নগরীর শহীদ মোবারক সরণিতে আহলে হাদিস মসজিদের পাশে পারিবারিক বাসভবনে ত্ব-হা তার মাসহ শৈশব থেকে মামার বাড়িতে বেড়ে ওঠেন। মাসহ সেটাই তার বর্তমান থাকার বাড়ি। কিছুদিন আগে থেকে নগরীর শালবন মিস্ত্রিপাড়ায় চেয়ারম্যানের গলিতে ভাড়া বাসায় থাকতেন তারা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন