মাকে বাঁচাতে গিয়ে বাবার হাতে কিশোর খুন
jugantor
মাকে বাঁচাতে গিয়ে বাবার হাতে কিশোর খুন

  আমতলী ও তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি  

২৩ জুন ২০২১, ১৫:২৩:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বাবার নির্যাতন থেকে মাকে রক্ষা করতে গিয়ে এক কিশোর খুন হয়েছে।

বরগুনার তালতলী উপজেলা শহরের টিঅ্যান্ডটি সড়ক এলাকায় বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই কিশোরের নাম মো. সুমন (১৫)। সে তালতলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

জানা গেছে, ওই এলাকার আসাদুল খানের সঙ্গে তার স্ত্রী সেলিনা বেগমের পারিবারিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে স্বামী-স্ত্রী দুজন ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে। এ সময় তাদের কিশোর ছেলে সুমন বাড়িতে ছিল না। সে প্রাইভেট পড়তে স্কুলে গিয়েছিল। সেখান থেকে বাড়িতে ফিরে দেখে তার বাবা মা সেলিনাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে উদ্ধত হয়।

এ সময় সুমন বাবাকে ফেরাতে মায়ের সামনে দাঁড়ায়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাত স্ত্রী সেলিনা বেগমের শরীরে না লেগে সুমনের কপালে লাগে। সঙ্গে সঙ্গে মাটিয়ে লুটিয়ে পড়ে সে।

তাৎক্ষণিক ছেলেকে উদ্ধার করে আসাদুল খান তালতলী হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

ছেলের অবস্থা খারাপ দেখে আসাদুল তাকে বরিশাল না গিয়ে ওই হাসপাতালে রেখেই পালিয়ে যান। একটু পর সুমন মারা যায়।

তালতলী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, খবর পেয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘাতক বাবাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

মাকে বাঁচাতে গিয়ে বাবার হাতে কিশোর খুন

 আমতলী ও তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি 
২৩ জুন ২০২১, ০৩:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাবার নির্যাতন থেকে মাকে রক্ষা করতে গিয়ে এক কিশোর খুন হয়েছে। 

বরগুনার তালতলী উপজেলা শহরের টিঅ্যান্ডটি সড়ক এলাকায় বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত ওই কিশোরের নাম মো. সুমন (১৫)। সে তালতলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল।  

জানা গেছে, ওই এলাকার আসাদুল খানের সঙ্গে তার স্ত্রী সেলিনা বেগমের পারিবারিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। 

বুধবার বেলা ১১টার দিকে স্বামী-স্ত্রী দুজন ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে। এ সময় তাদের কিশোর ছেলে সুমন বাড়িতে ছিল না। সে প্রাইভেট পড়তে স্কুলে গিয়েছিল। সেখান থেকে বাড়িতে ফিরে দেখে তার বাবা মা সেলিনাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে উদ্ধত হয়। 

এ সময় সুমন বাবাকে ফেরাতে মায়ের সামনে দাঁড়ায়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাত স্ত্রী সেলিনা বেগমের শরীরে না লেগে সুমনের কপালে লাগে। সঙ্গে সঙ্গে মাটিয়ে লুটিয়ে পড়ে সে। 

তাৎক্ষণিক ছেলেকে উদ্ধার করে আসাদুল খান তালতলী হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। 

ছেলের অবস্থা খারাপ দেখে আসাদুল তাকে বরিশাল না গিয়ে ওই হাসপাতালে রেখেই পালিয়ে যান। একটু পর সুমন মারা যায়। 

তালতলী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, খবর পেয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘাতক বাবাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন