চাকরির দাবিতে ইবির বন্ধ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ নেতাদের আন্দোলন 
jugantor
চাকরির দাবিতে ইবির বন্ধ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ নেতাদের আন্দোলন 

  ইবি প্রতিনিধি  

২৩ জুন ২০২১, ২২:৫৩:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

স্থায়ী নিয়োগের দাবিতে ফের আন্দোলন শুরু করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীরা (ডে-লেবার)। এদের মধ্যে অধিকাংশই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকর্মী।

বুধবার সকাল থেকে ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে তাদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি জানান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ফাইলপত্র আটকে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্তত ৩৫-৪০ জন এ আন্দোলনে অংশ নেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকর্মী।

এদিকে আন্দোলনকারীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছেন বলে জানা গেছে। কমিটি বিভিন্ন বিভাগের কতসংখ্যক পদ শূন্য আছে এবং লোকবল লাগবে কিনা এসব বিষয়ে খোঁজ নিয়ে রিপোর্ট জমা দেবেন।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, দৈনিক মজুরিভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরে ১০৭ জন কর্মচারী কাজ করে করছেন। তারা অস্থায়ী চাকরিজীবী পরিষদ গঠন করে চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি করে আসছেন। তাদের দাবি- দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের আশ্বাসে কাজ করে এলেও চাকরি স্থায়ীকরণের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। করোনায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় তারা কোন বেতন পাচ্ছেন না। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে চাকরি স্থায়ীকরণ করার দাবি তাদের।

তাদের এ দাবির বিষয়ে কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় বিভিন্ন দপ্তরের দাপ্তরিক ফাইল ১০ মিনিট আটকে রাখেন বলে জানান আন্দোলনকারীরা।

এদিকে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্তি সদস্য মোতায়েন করা হয়। ফলে বন্ধ ক্যাম্পাসেও উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। পরে দুপুরে বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য সাত সদস্যের কমিটি গঠনের ঘোষণা দিলে কর্মচারীরা তাদের অবস্থান তুলে নেন।

কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়াকে আহ্বায়ক ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আতাউর রহমানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- পরিবহণ প্রশাসক প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন, প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মাহবুবুল আরফিন ও শাপলা ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. রেজওয়ানুল ইসলাম।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, যারা চাকরি স্থায়ীকরণরে দাবি করে আসছে তারা আমাদের তালিকাভুক্ত কর্মচারী নয়। তারা দৈনিক মজুরিভিত্তিতে কাজ করে, তাই কাজ থাকলে তাদের নেওয়া হবে এবং মজুরি দেওয়া হবে; অন্যথায় নয় এটাই নিয়ম। তারা চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি করতে পারেন কীভাবে? তবুও বিভিন্ন বিভাগে কতসংখ্যক পদ শূন্য আছে এবং লোক লাগবে কিনা এসব বিষয় খোঁজ নেওয়ার জন্য একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে।

চাকরির দাবিতে ইবির বন্ধ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ নেতাদের আন্দোলন 

 ইবি প্রতিনিধি 
২৩ জুন ২০২১, ১০:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

স্থায়ী নিয়োগের দাবিতে ফের আন্দোলন শুরু করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীরা (ডে-লেবার)। এদের মধ্যে অধিকাংশই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকর্মী।

বুধবার সকাল থেকে ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে তাদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি জানান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ফাইলপত্র আটকে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্তত ৩৫-৪০ জন এ আন্দোলনে অংশ নেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকর্মী। 

এদিকে আন্দোলনকারীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছেন বলে জানা গেছে। কমিটি বিভিন্ন বিভাগের কতসংখ্যক পদ শূন্য আছে এবং লোকবল লাগবে কিনা এসব বিষয়ে খোঁজ নিয়ে রিপোর্ট জমা দেবেন।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, দৈনিক মজুরিভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরে ১০৭ জন কর্মচারী কাজ করে করছেন। তারা অস্থায়ী চাকরিজীবী পরিষদ গঠন করে চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি করে আসছেন। তাদের দাবি- দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের আশ্বাসে কাজ করে এলেও চাকরি স্থায়ীকরণের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। করোনায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় তারা কোন বেতন পাচ্ছেন না। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে চাকরি স্থায়ীকরণ করার দাবি তাদের।

তাদের এ দাবির বিষয়ে কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় বিভিন্ন দপ্তরের দাপ্তরিক ফাইল ১০ মিনিট আটকে রাখেন বলে জানান আন্দোলনকারীরা।

এদিকে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্তি সদস্য মোতায়েন করা হয়। ফলে বন্ধ ক্যাম্পাসেও উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। পরে দুপুরে বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য সাত সদস্যের কমিটি গঠনের ঘোষণা দিলে কর্মচারীরা তাদের অবস্থান তুলে নেন। 

কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়াকে আহ্বায়ক ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আতাউর রহমানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- পরিবহণ প্রশাসক প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন, প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মাহবুবুল আরফিন ও শাপলা ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. রেজওয়ানুল ইসলাম।
 
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, যারা চাকরি স্থায়ীকরণরে দাবি করে আসছে তারা আমাদের তালিকাভুক্ত কর্মচারী নয়। তারা দৈনিক মজুরিভিত্তিতে কাজ করে, তাই কাজ থাকলে তাদের নেওয়া হবে এবং মজুরি দেওয়া হবে; অন্যথায় নয় এটাই নিয়ম। তারা চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি করতে পারেন কীভাবে? তবুও বিভিন্ন বিভাগে কতসংখ্যক পদ শূন্য আছে এবং লোক লাগবে কিনা এসব বিষয় খোঁজ নেওয়ার জন্য একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন