রোগী না থাকায় ফাঁকা করোনা ইউনিট
jugantor
রোগী না থাকায় ফাঁকা করোনা ইউনিট

  মো. সরওয়ার শিকদার, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ)  

২৫ জুন ২০২১, ১৭:৫০:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ৫০ শয্যার এ হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় পর্যাপ্ত পরিমাণ চিকিৎসা সরঞ্জাম থাকলেও রোগী না থাকায় অলস সময় কাটাচ্ছেন চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত ডাক্তার, নার্সসহ সংশ্লিষ্টরা।

তবে গ্রামাঞ্চলে ও হাট-বাজারে সঠিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না সাধারণ মানুষ। অনেকেই আবার উপসর্গ নিয়ে অবাধে চলাফেরা করছেন। এর ফলে মহামারি দেখা দিলে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, করোনা পরীক্ষার জন্য ২০২০ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত ১৭২২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২৩৩ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৩১ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে নবীগঞ্জ উপজেলায় মৃত্যু হয়েছে ২ জনের।

করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় করোনা ইউনিটে পর্যাপ্ত পরিমাণ ডাক্তার, নার্সের পাশাপাশি নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৯টি করোনা বেড রয়েছে। আইসিইউ না থাকলেও অক্সিজেন রয়েছে ১৮টি। তাৎক্ষণিক নমুনা সংগ্রহ শেষে করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট দেওয়ার জন্য চালু রয়েছে র্যারপিড টেস্ট সেবা। নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিকিৎসাসামগ্রী থাকলেও রোগীদের কোনো দেখা মেলে না।

হাসপাতালের করোনা ইউনিটে থাকা ১৯টি বেড রোগী না থাকায় খালি পড়ে আছে। এছাড়া হাসপাতাল প্রাঙ্গণে করোনা নমুনা সংগ্রহে বুথ স্থাপন করা হলেও অধিকাংশ সময় নমুনা সংগ্রহকারীরা রোগী না থাকায় বসে অপেক্ষার প্রহর গুনতে থাকেন। নমুনা না দেওয়ায় অবসরে বসে বসে সময় পার করছেন নমুনা সংগ্রহকারীরা।

এদিকে বিভিন্ন কারণে নবীগঞ্জ উপজেলায় দিনদিন করোনা সংক্রামণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মানলেও গ্রামাঞ্চলে ও হাটবাজারে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে অবাধে চলাফেরা করছে মানুষ। বিভিন্ন সময় স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা করে আসছে উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু তারপরও মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না।

সরকার মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক করলেও মাস্ক ব্যবহার করছে না সাধারণ মানুষ। এর ফলে স্বাস্থ্যবিধি চরমভাবে লঙ্ঘন হচ্ছে। অনেক স্থানে করোনার উপসর্গ দেখা দিলেও অনেকেই করছেন না করোনা পরীক্ষা। এর বাহিরেও সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করার বিধি থাকলেও এসব বিধি-নিষেধ মানছে না কেউই। ফলে নবীগঞ্জ উপজেলায় করোনার মহামারি দেখা দেয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে নমুনা সংগ্রহে বুথে থাকা হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিই) আবুল ফয়েজ সৈয়দ তোয়াহা জানান, অনেক সময় রোগীদের জন্য দীর্ঘসময় বসে থাকতে হয়। করোনা নমুনা দিতে হাসপাতালে তুলনামূলকহারে অনেক কম মানুষ আসে। স্বাস্থ্যবিধি না মানার ফলে করোনার মহামারি বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন এই টেকনোলজিস্ট।

নবীগঞ্জ বাজারে আসা আব্দুল মুহিত নামে এক ব্যক্তি বলেন, বাজারে এসেছি বাজার করতে। এখানে ৯৯ শতাংশ মানুষের মুখে মাস্ক নেই, এর ফলে আমরা অনেক উদ্বিগ্ন। করোনা সংক্রামণ এর ফলে বৃদ্ধি পেতে পারে।

দিনারপুর কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তনুজ রায় বলেন, করোনা সংক্রমণ আমাদের মাঝে এখনো অনেকটাই দৃশ্যমান নয়, যারা স্বজন হারিয়েছেন তারা বুঝতে পারছেন করোনা প্রভাব কতটুকু । আমাদের গ্রামঞ্চল তথা শহরের অনেকেই করোনার প্রভাব কত ভয়াবহ তা টের পাচ্ছেন না এর কারণে মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই চলাফেরা করছেন। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে আমরা যে ভুল অনবরত করে যাচ্ছি এর কারণে আমাদের অনেক মাশুল দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, গ্রামাঞ্চলে ও শহরের হাট-বাজারে মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে সামনের দিনে করোনাভাইরাসের প্রকোপ মহামারি আকার ধারণ করতে পারে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে মাস্ক পরিধান ও শারীরিক দূরত্ব মেনে চলতে প্রশাসন তথা সরকারকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ বলেন, উপজেলা পর্যায়ে প্রাইমারি লেভেলের পর্যাপ্ত পরিমাণ জনবল ও চিকিৎসাসামগ্রী রয়েছে। যদি আগামী দিনে করোনা আক্রান্ত প্রকোপ বৃদ্ধি পায় ও রোগীর অবস্থা গুরুতর হয় সেক্ষেত্রে আমরা প্রথমে হবিগঞ্জে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ও পরবর্তীতে সিলেট শামসুদ্দিন হাসপাতাল রয়েছে সেখানে প্রেরণ করব।

তিনি আরও বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর একযোগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু আশানুরূপ রেজাল্ট আসছে না। হবিগঞ্জে করোনার প্রকোপ দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী দিনে যদি সাধারণ মানুষ শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে না পারেন তাহলে করোনার মহামারি দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন বলেন, স্বাস্থ্যবিধি ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরিধান ও সামাজিক-শারীরিক দূরত্ব যারা মানছেন না তাদের অর্থদণ্ড করা হচ্ছে। করোনার মহামারি রোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান ইউএনও।

রোগী না থাকায় ফাঁকা করোনা ইউনিট

 মো. সরওয়ার শিকদার, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) 
২৫ জুন ২০২১, ০৫:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ৫০ শয্যার এ হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় পর্যাপ্ত পরিমাণ চিকিৎসা সরঞ্জাম থাকলেও রোগী না থাকায় অলস সময় কাটাচ্ছেন চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত ডাক্তার, নার্সসহ সংশ্লিষ্টরা। 

তবে গ্রামাঞ্চলে ও হাট-বাজারে সঠিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না সাধারণ মানুষ। অনেকেই আবার উপসর্গ নিয়ে অবাধে চলাফেরা করছেন। এর ফলে মহামারি দেখা দিলে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, করোনা পরীক্ষার জন্য ২০২০ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত ১৭২২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২৩৩ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৩১ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে নবীগঞ্জ উপজেলায় মৃত্যু হয়েছে ২ জনের।

করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় করোনা ইউনিটে পর্যাপ্ত পরিমাণ ডাক্তার, নার্সের পাশাপাশি নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৯টি করোনা বেড রয়েছে। আইসিইউ না থাকলেও অক্সিজেন রয়েছে ১৮টি। তাৎক্ষণিক নমুনা সংগ্রহ শেষে করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট দেওয়ার জন্য চালু রয়েছে র্যারপিড টেস্ট সেবা। নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিকিৎসাসামগ্রী থাকলেও রোগীদের কোনো দেখা মেলে না।

হাসপাতালের করোনা ইউনিটে থাকা ১৯টি বেড রোগী না থাকায় খালি পড়ে আছে। এছাড়া হাসপাতাল প্রাঙ্গণে করোনা নমুনা সংগ্রহে বুথ স্থাপন করা হলেও অধিকাংশ সময় নমুনা সংগ্রহকারীরা রোগী না থাকায় বসে অপেক্ষার প্রহর গুনতে থাকেন। নমুনা না দেওয়ায় অবসরে বসে বসে সময় পার করছেন নমুনা সংগ্রহকারীরা।

এদিকে বিভিন্ন কারণে নবীগঞ্জ উপজেলায় দিনদিন করোনা সংক্রামণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মানলেও গ্রামাঞ্চলে ও হাটবাজারে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে অবাধে চলাফেরা করছে মানুষ। বিভিন্ন সময় স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা করে আসছে উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু তারপরও মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না।

সরকার মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক করলেও মাস্ক ব্যবহার করছে না সাধারণ মানুষ। এর ফলে স্বাস্থ্যবিধি চরমভাবে লঙ্ঘন হচ্ছে। অনেক স্থানে করোনার উপসর্গ দেখা দিলেও অনেকেই করছেন না করোনা পরীক্ষা। এর বাহিরেও সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করার বিধি থাকলেও এসব বিধি-নিষেধ মানছে না কেউই।  ফলে নবীগঞ্জ উপজেলায় করোনার মহামারি দেখা দেয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে নমুনা সংগ্রহে বুথে থাকা হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিই) আবুল ফয়েজ সৈয়দ তোয়াহা জানান, অনেক সময় রোগীদের জন্য দীর্ঘসময় বসে থাকতে হয়। করোনা নমুনা দিতে হাসপাতালে তুলনামূলকহারে অনেক কম মানুষ আসে। স্বাস্থ্যবিধি না মানার ফলে করোনার মহামারি বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন এই টেকনোলজিস্ট।

নবীগঞ্জ বাজারে আসা আব্দুল মুহিত নামে এক ব্যক্তি বলেন, বাজারে এসেছি বাজার করতে। এখানে ৯৯ শতাংশ মানুষের মুখে মাস্ক নেই, এর ফলে আমরা অনেক উদ্বিগ্ন। করোনা সংক্রামণ এর ফলে বৃদ্ধি পেতে পারে। 

দিনারপুর কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তনুজ রায় বলেন, করোনা সংক্রমণ আমাদের মাঝে এখনো অনেকটাই দৃশ্যমান নয়, যারা স্বজন হারিয়েছেন তারা বুঝতে পারছেন করোনা প্রভাব কতটুকু । আমাদের গ্রামঞ্চল তথা শহরের অনেকেই করোনার প্রভাব কত ভয়াবহ তা টের পাচ্ছেন না এর কারণে মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই চলাফেরা করছেন। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে আমরা যে ভুল অনবরত করে যাচ্ছি এর কারণে আমাদের অনেক মাশুল দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, গ্রামাঞ্চলে ও শহরের হাট-বাজারে মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে সামনের দিনে করোনাভাইরাসের প্রকোপ মহামারি আকার ধারণ করতে পারে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে মাস্ক পরিধান ও শারীরিক দূরত্ব মেনে চলতে প্রশাসন তথা সরকারকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে নবীগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ বলেন, উপজেলা পর্যায়ে প্রাইমারি লেভেলের পর্যাপ্ত পরিমাণ জনবল ও চিকিৎসাসামগ্রী রয়েছে। যদি আগামী দিনে করোনা আক্রান্ত প্রকোপ বৃদ্ধি পায় ও রোগীর অবস্থা গুরুতর হয় সেক্ষেত্রে আমরা প্রথমে হবিগঞ্জে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ও পরবর্তীতে সিলেট শামসুদ্দিন হাসপাতাল রয়েছে সেখানে প্রেরণ করব। 

তিনি আরও বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর একযোগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু আশানুরূপ রেজাল্ট আসছে না। হবিগঞ্জে করোনার প্রকোপ দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী দিনে যদি সাধারণ মানুষ শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে না পারেন তাহলে করোনার মহামারি দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন বলেন, স্বাস্থ্যবিধি ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরিধান ও সামাজিক-শারীরিক দূরত্ব যারা মানছেন না তাদের অর্থদণ্ড করা হচ্ছে। করোনার মহামারি রোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান ইউএনও।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন