স্বামীর মৃত্যুর সাত দিন পর চলে গেলেন স্ত্রীও
jugantor
স্বামীর মৃত্যুর সাত দিন পর চলে গেলেন স্ত্রীও

  দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

২৫ জুন ২০২১, ১৮:৪২:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরসভার বিরিশিরি এলাকায় সাত দিন আগে-পরে স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
স্বামী নোয়েল বিশ্বাসের (৭৯) মৃত্যুর ৭ দিন পর গত বৃহস্পতিবার মৃত্যুবরণ করেন স্ত্রী রোজী বিশ্বাস টুলু (৬৩)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুন বৃহস্পতিবার বিশিষ্ট চিকিৎসক, বীর মুক্তিযোদ্ধা নোয়েল বিশ্বাস (৭৯) করোনার লক্ষণ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
স্বামী মৃত্যুর পর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন স্ত্রী রোজী বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার দুপুরে তার পুত্র ও পুত্রবধূর শরীরে করোনা পজিটিভের লক্ষণ পাওয়া গেছে বলে জানান উপজেলা সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তানজিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, গত সোমবার রোজী বিশ্বাসকে অসুস্থ অবস্থায় দুর্গাপুর হাসপাতালে নিয়ে এলে সাময়িক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান তার আত্মীয়রা। ওখানে দুই দিন চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার বাড়িতে নিয়ে গেলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাত ১২টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

করোনায় স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতের পুত্র ও পুত্রবধূকে হোম-কোয়ারেন্টিন দিয়ে ওই বাড়ি লকডাউন করা হয়। গত সাত দিনে অত্র উপজেলায় করোনা লক্ষণ নিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৩০ জন।

উল্লেখ্য, গত ২০ জুন একই পরিবারের ৮ জন করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ওই রাত থেকেই উপজেলা প্রশাসন স্বাস্থ্যবিধি ও চলাচলে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে।

স্বামীর মৃত্যুর সাত দিন পর চলে গেলেন স্ত্রীও

 দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
২৫ জুন ২০২১, ০৬:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরসভার বিরিশিরি এলাকায় সাত দিন আগে-পরে স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। 
স্বামী নোয়েল বিশ্বাসের (৭৯) মৃত্যুর ৭ দিন পর গত বৃহস্পতিবার মৃত্যুবরণ করেন স্ত্রী রোজী বিশ্বাস টুলু (৬৩)।  

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুন বৃহস্পতিবার বিশিষ্ট চিকিৎসক, বীর মুক্তিযোদ্ধা নোয়েল বিশ্বাস (৭৯) করোনার লক্ষণ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। 
স্বামী মৃত্যুর পর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন স্ত্রী রোজী বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার দুপুরে তার পুত্র ও পুত্রবধূর শরীরে করোনা পজিটিভের লক্ষণ পাওয়া গেছে বলে জানান উপজেলা সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তানজিরুল ইসলাম। 

তিনি বলেন, গত সোমবার রোজী বিশ্বাসকে অসুস্থ অবস্থায় দুর্গাপুর হাসপাতালে নিয়ে এলে সাময়িক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান তার আত্মীয়রা। ওখানে দুই দিন চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার বাড়িতে নিয়ে গেলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাত ১২টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 

করোনায় স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতের পুত্র ও পুত্রবধূকে হোম-কোয়ারেন্টিন দিয়ে ওই বাড়ি লকডাউন করা হয়। গত সাত দিনে অত্র উপজেলায় করোনা লক্ষণ নিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৩০ জন। 

উল্লেখ্য, গত ২০ জুন একই পরিবারের ৮ জন করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ওই রাত থেকেই উপজেলা প্রশাসন স্বাস্থ্যবিধি ও চলাচলে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন