সেপটিক ট্যাংকের মুখ খোলা রাখায় প্রাণ গেল ২ জনের
jugantor
সেপটিক ট্যাংকের মুখ খোলা রাখায় প্রাণ গেল ২ জনের

  পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি  

২৫ জুন ২০২১, ১৯:২৭:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরের পীরগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকের মুখ খোলা রাখায় সেখানে পড়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

জানা গেছে, জয়পুর গ্রামের আমজাদ হোসেন ওরফে লেবার আমজাদ তার বাড়ির পায়খানার জন্য সেপটিক ট্যাংকের কুয়া খনন করে খোলা রাখেন। ওই কুয়ায় জয়পুর গ্রামের আব্দুল হালিম মিয়ার ছেলে জিম মিয়া (৮) পড়ে যায়। তাকে উদ্ধারের জন্য প্রতিবেশী আজহার মিয়ার ছেলে মিজান মিয়া (২৪) মই দিয়ে কুয়ায় নামার সময় মইটি ভেঙে মিজান ভিতরে পড়ে যান।

তাদের ২ জনকে উদ্ধারের জন্য পরপর ফাহিম মিয়া (৩০), শাহীন মিয়া (২৯) এবং শামীম মিয়া (২৬) ওই কুয়ায় নামেন। জিম, মিজানকে উদ্ধার না করেই ফাহিম, শাহীন ও শামীম কুয়া থেকে উঠে আসেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরে জিম ও মিজানকে উদ্ধারের জন্য পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ২ জনকে (জিম ও মিজান) উদ্ধার করে।

পরে তাদের পীরগঞ্জ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জিম ও মিজানকে মৃত ঘোষণা করেন।

কাবিলপুর ইউপির চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম রবি জানান, এটি খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। ২ জন মারা গেছেন আর ৩ জন বেঁচে গেছেন। যারা বেঁচে গেছেন তাদের মধ্যে ফাহিমকে পীরগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আর শাহীন ও শামীম নিজ বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

জিমের বাবা আব্দুল হালিম জানান, জিম আমার একমাত্র ছেলে। মাগরিবের নামাজের পর লাশ দুটো দাফন করা হবে।

সেপটিক ট্যাংকের মুখ খোলা রাখায় প্রাণ গেল ২ জনের

 পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 
২৫ জুন ২০২১, ০৭:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরের পীরগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকের মুখ খোলা রাখায় সেখানে পড়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

জানা গেছে, জয়পুর গ্রামের আমজাদ হোসেন ওরফে লেবার আমজাদ তার বাড়ির পায়খানার জন্য সেপটিক ট্যাংকের কুয়া খনন করে খোলা রাখেন। ওই কুয়ায় জয়পুর গ্রামের আব্দুল হালিম মিয়ার ছেলে জিম মিয়া (৮) পড়ে যায়। তাকে উদ্ধারের জন্য প্রতিবেশী আজহার মিয়ার ছেলে মিজান মিয়া (২৪) মই দিয়ে কুয়ায় নামার সময় মইটি ভেঙে মিজান ভিতরে পড়ে যান। 

তাদের ২ জনকে উদ্ধারের জন্য পরপর ফাহিম মিয়া (৩০), শাহীন মিয়া (২৯) এবং শামীম মিয়া (২৬) ওই কুয়ায় নামেন। জিম, মিজানকে উদ্ধার না করেই ফাহিম, শাহীন ও শামীম কুয়া থেকে উঠে আসেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরে জিম ও মিজানকে উদ্ধারের জন্য পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ২ জনকে (জিম ও মিজান) উদ্ধার করে।

পরে তাদের পীরগঞ্জ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জিম ও মিজানকে মৃত ঘোষণা করেন।

কাবিলপুর ইউপির চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম রবি জানান, এটি খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। ২ জন মারা গেছেন আর ৩ জন বেঁচে গেছেন। যারা বেঁচে গেছেন তাদের মধ্যে ফাহিমকে পীরগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আর শাহীন ও শামীম নিজ বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। 

জিমের বাবা আব্দুল হালিম জানান, জিম আমার একমাত্র ছেলে। মাগরিবের নামাজের পর লাশ দুটো দাফন করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন