১৫ বছরেও সংস্কার হয়নি ধসে পড়া ব্রিজ 
jugantor
১৫ বছরেও সংস্কার হয়নি ধসে পড়া ব্রিজ 

  ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

২৫ জুন ২০২১, ১৯:৩১:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার পলাশকান্দা গ্রামে ধসে পড়া ব্রিজের ১৫ বছরেও সংস্কার হয়নি। এলাকাবাসী যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

জানা যায়, উপজেলার সিংহেশ্বর ইউনিয়নের পলাশকান্দা গ্রামের পাশখলা খালের ওপর ২০০৪-০৫ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। ওই বছরই বন্যার প্রবল স্রোতে ব্রিজটি ধসে হেলে পড়ে। দু’পাশের মাটি সরে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়।

এতে দুর্ভোগ লাঘব না হয়ে আরও বেড়ে যায়। এলাকাবাসী ধসে পড়া ব্রিজের দু’পাশে বাঁশ-কাঠের সংযোগ সেতু নির্মাণ করে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। অন্তত ৫ গ্রামের মানুষ যাতায়তের চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। যানবাহন চলাচলে ৩ কিলোমিটার দূরের পথ ৫ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে তাদের দুর্ভোগ আরও বেশি হচ্ছে।

কোঠুরাকান্দা গ্রামের শহর আলী জানান, ব্রিজের জন্য চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছি। বর্ষা মৌসুমে আমাদের গৃহবন্দি অবস্থায় থাকতে হচ্ছে।

সিংহেশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান এমএ মোতালিব জানান, ব্রিজটি মেরামতের জন্য বারবার তাগিদ দিলেও কাজ হচ্ছে না।

উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, আশা করি প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপির মাধ্যমে এক বছরের মধ্যেই সব ঠিক করা যাবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া আলম জানান, ব্রিজটি নির্মাণের বিষয়ে পরিদর্শন করেছি। এখানে একটি ৬০ ফুট দৈর্ঘ্যের ব্রিজ নির্মাণ করতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শীতেষ চন্দ্র সরকার জানান, উপজেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে কাজের প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।

১৫ বছরেও সংস্কার হয়নি ধসে পড়া ব্রিজ 

 ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
২৫ জুন ২০২১, ০৭:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার পলাশকান্দা গ্রামে ধসে পড়া ব্রিজের ১৫ বছরেও সংস্কার হয়নি। এলাকাবাসী যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

জানা যায়, উপজেলার সিংহেশ্বর ইউনিয়নের পলাশকান্দা গ্রামের পাশখলা খালের ওপর ২০০৪-০৫ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। ওই বছরই বন্যার প্রবল স্রোতে ব্রিজটি ধসে হেলে পড়ে। দু’পাশের মাটি সরে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়। 

এতে দুর্ভোগ লাঘব না হয়ে আরও বেড়ে যায়। এলাকাবাসী ধসে পড়া ব্রিজের দু’পাশে বাঁশ-কাঠের সংযোগ সেতু নির্মাণ করে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। অন্তত ৫ গ্রামের মানুষ যাতায়তের চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। যানবাহন চলাচলে ৩ কিলোমিটার দূরের পথ ৫ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে তাদের দুর্ভোগ আরও বেশি হচ্ছে। 

কোঠুরাকান্দা গ্রামের শহর আলী জানান, ব্রিজের জন্য চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছি। বর্ষা মৌসুমে আমাদের গৃহবন্দি অবস্থায় থাকতে হচ্ছে। 

সিংহেশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান এমএ মোতালিব জানান, ব্রিজটি মেরামতের জন্য বারবার তাগিদ দিলেও কাজ হচ্ছে না।

উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, আশা করি প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপির মাধ্যমে এক বছরের মধ্যেই সব ঠিক করা যাবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া আলম জানান, ব্রিজটি নির্মাণের বিষয়ে পরিদর্শন করেছি। এখানে একটি ৬০ ফুট দৈর্ঘ্যের ব্রিজ নির্মাণ করতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শীতেষ চন্দ্র সরকার জানান, উপজেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে কাজের প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন