যশোরে করোনা উপসর্গ নিয়ে ১১ জনের মৃত্যু
jugantor
যশোরে করোনা উপসর্গ নিয়ে ১১ জনের মৃত্যু

  যশোর ব্যুরো  

২৫ জুন ২০২১, ১৯:৪২:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৩৭০ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। করোনা ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১১ জন। উচ্চঝুঁকির কারণে যশোরের পাঁচ পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়নে লকডাউন চলছে।

এদিকে করোনা সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় চলমান বিধিনিষেধ বাড়ানো হয়েছে আরও ৭ দিন। সেই সঙ্গে জনগণকেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডাক্তার আরিফ আহম্মেদ ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তা ডাক্তার রেহেনেওয়াজ জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬০১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৭০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৭০ শতাংশ। শুক্রবার মারা গেছেন ১১ জন। এদের মধ্যে ৬ জন করোনা রোগী এবং অপর ৫ জন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৪৫ জন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা শয্যা সংখ্যার চেয়ে রোগী বেশি হওয়ায় চাপের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসকরা। যশোর জেনারেল হাসপাতালের রেডজোন করোনা ইউনিটে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে,অভয়নগর উপজেলায় ১ জন, মনিরামপুর ২ জন কেশবপুরে একজন মারা গেছেন।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান জানান, সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বিধি-নিষেধ এলাকাভিত্তিক থেকে জেলায় সম্প্রসারণ করা হয়েছে; যা কার্যকর করতে প্রশাসন আরো কঠোর হবে। ওষুধের দোকান ছাড়া সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান খোলা থাকবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। এছাড়া পণ্যবাহী ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া সব গণপরিবহণ বন্ধ থাকবে৷

যশোরে করোনা উপসর্গ নিয়ে ১১ জনের মৃত্যু

 যশোর ব্যুরো 
২৫ জুন ২০২১, ০৭:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৩৭০ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। করোনা ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১১ জন। উচ্চঝুঁকির কারণে যশোরের পাঁচ পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়নে লকডাউন চলছে।

এদিকে করোনা সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় চলমান বিধিনিষেধ বাড়ানো হয়েছে আরও ৭ দিন। সেই সঙ্গে জনগণকেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডাক্তার আরিফ আহম্মেদ ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তা ডাক্তার রেহেনেওয়াজ জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬০১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৭০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৭০ শতাংশ। শুক্রবার মারা গেছেন ১১ জন। এদের মধ্যে ৬ জন করোনা রোগী এবং অপর ৫ জন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৪৫ জন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা শয্যা সংখ্যার চেয়ে রোগী বেশি হওয়ায় চাপের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসকরা। যশোর জেনারেল হাসপাতালের রেডজোন করোনা ইউনিটে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে,অভয়নগর উপজেলায় ১ জন, মনিরামপুর ২ জন কেশবপুরে একজন মারা গেছেন।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান জানান, সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বিধি-নিষেধ এলাকাভিত্তিক থেকে জেলায় সম্প্রসারণ করা হয়েছে; যা কার্যকর করতে প্রশাসন আরো কঠোর হবে। ওষুধের দোকান ছাড়া সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান খোলা থাকবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। এছাড়া পণ্যবাহী ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া সব গণপরিবহণ বন্ধ থাকবে৷

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন