মেহেদির রং না মুছতেই লাশ হলো নববধূ, স্বামী আটক
jugantor
মেহেদির রং না মুছতেই লাশ হলো নববধূ, স্বামী আটক

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

২৭ জুন ২০২১, ০০:৪৮:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

গৃহবধূর লাশ

মেহেদির রং না মুছতেই বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় লাশ হলো ফাতেমা বেগম (১৭) নামের নববধূ।

শনিবার বিকালে ৫টায় সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার লাশ উদ্ধার করে সেনবাগ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফাতেমার স্বামী মো. শরীফকে (২৮) আটক করেছে পুলিশ।

এর আগে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের মহিদীপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম মিস্ত্রী বাড়ির ভাড়া বাসায় গ্রিলের সঙ্গে গলায় ফাঁসি দিয়েছে বলে দাবি করে নিহতের শ্বশুরের পরিবার। পরে ওই বাড়ির লোকজন ফাতেমাকে উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত গৃহবধূর পিতার বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদরের চর রমনী গ্রামে। সে ওই গ্রামের মৃত আবদুল মালেকের মেয়ে।১৫দিন আগে একই এলাকার শরীফের সঙ্গে ফাতেমার বিয়ে হয়। শরীফ পেশায় একজন মাটি কাটার শ্রমিক এবং লক্ষ্মীপুর জেলার আবদুল বাছেদের ছেলে।

সেনবাগ থানার ওসি আবদুল বাতেন মৃধা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিয়ের বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। ওই কলহের জেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে বলে নিহতের স্বামী শরীফ জানায়। খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্তের জন্য গৃহবধূর ফাতেমার মরদেহ থানায় এনে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী শরীফকে আটক করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মেহেদির রং না মুছতেই লাশ হলো নববধূ, স্বামী আটক

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
২৭ জুন ২০২১, ১২:৪৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
গৃহবধূর লাশ
প্রতীকী ছবি

মেহেদির রং না মুছতেই বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় লাশ হলো ফাতেমা বেগম (১৭) নামের নববধূ।

শনিবার বিকালে ৫টায় সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার লাশ উদ্ধার করে সেনবাগ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফাতেমার স্বামী মো. শরীফকে (২৮) আটক করেছে পুলিশ। 

এর আগে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের মহিদীপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম মিস্ত্রী বাড়ির ভাড়া বাসায় গ্রিলের সঙ্গে গলায় ফাঁসি দিয়েছে বলে দাবি করে নিহতের শ্বশুরের পরিবার। পরে ওই বাড়ির লোকজন ফাতেমাকে উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত গৃহবধূর পিতার বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদরের চর রমনী গ্রামে। সে ওই গ্রামের মৃত আবদুল মালেকের মেয়ে।১৫দিন আগে একই এলাকার শরীফের সঙ্গে ফাতেমার বিয়ে হয়। শরীফ পেশায় একজন মাটি কাটার শ্রমিক এবং লক্ষ্মীপুর জেলার আবদুল বাছেদের ছেলে।

সেনবাগ থানার ওসি আবদুল বাতেন মৃধা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিয়ের বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। ওই কলহের জেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে বলে নিহতের স্বামী শরীফ জানায়। খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্তের জন্য গৃহবধূর ফাতেমার মরদেহ থানায় এনে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী শরীফকে আটক করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন