আ’লীগ নেত্রীকে চেয়ারম্যানের কুপ্রস্তাব, রাজি না হওয়ায় স্বামীকে মারধর
jugantor
আ’লীগ নেত্রীকে চেয়ারম্যানের কুপ্রস্তাব, রাজি না হওয়ায় স্বামীকে মারধর

  পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি  

২৭ জুন ২০২১, ২১:৫৫:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর পুঠিয়ায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মিনা বেগমকে দীর্ঘদিন ধরে ভালুকগাছি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাকবির হাসান কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওই নেত্রীর স্বামীকে ভাড়া করা লোক দিয়ে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় ওই নেত্রী বাদী হয়ে চেয়ারম্যানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভালুকগাছি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মিনা বেগম বলেন, রাজনৈতিকভাবে সব সময় আমার সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ থাকে। সেজন্য ভালুকগাছি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাকবির হাসানের সঙ্গে মাঝে-মধ্যে দেখা হলে তিনি আমাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। তার ওই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় দীর্ঘদিন থেকে তিনি আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ছিলেন। এর জের ধরে ২৫ জুন দুপুরে আনোয়ার হোসেন নামের একজন ব্যক্তি (চেয়ারম্যানের ভাড়া করা লোক) আমার স্বামী আব্দুল হালিম মিস্ত্রিকে পিটিয়েছে। বর্তমানে আমার স্বামী পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ ঘটনায় চেয়ারম্যানকে প্রধান অভিযুক্ত করে তিনজনের নামে থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

আহত মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকার স্বামী আব্দুল হালিম মিস্ত্রি বলেন, আমার বাড়ি এই এলাকায় নয়। আমি পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। এখানে বিয়ে করে বৌ-বাচ্চা নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করি। প্রতিদিনের মতো গত শুক্রবার দুপরের দিকে আমি ভালুকগাছি-বেন্নাতলা বাজারে কাজ করছিলাম। এ সময় আনোয়ার হোসেন একটি চাপাতি নিয়ে এসে আমাকে পেটাতে শুরু করেন।

তিনি বলেন, আমাকে মারার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন- তোর স্ত্রী চেয়ারম্যানের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। স্ত্রীকে কন্ট্রোল করতে পারিস না তাই তোকে পেটাচ্ছি। মারধরের বিষয়টি বাজারের লোকজন দেখে আমাকে উদ্ধার করেছেন। পরে তারা আমাকে হাসপাতালে এনে ভর্তি করেছেন।

তবে ওই নেত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে ভালুকগাছি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তাকবির হাসান বলেন, এ ধরনের মহিলাদের কাজই হচ্ছে ভালো মানুষদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা। মানুষকে জিম্মি করে ফায়দা নেওয়া। ওই মহিলার ব্যবহার কেমন তা গ্রামের সবাই জানেন। যেহেতু ওই মহিলা থানায় অভিযোগ দিয়েছে। তাই আমিও চাই তদন্তে সঠিক বিষয়টি উঠে আসুক।

এ ব্যাপারে থানার ওসি সোহরাওয়ার্দী হোসেন বলেন, মিনা বেগম গত দুই দিন আগে থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে তার স্বামীকে মারধর ও পূর্বশত্রুতার অভিযোগ এনে তিনজনের নাম উল্লেখ করেছেন।

আ’লীগ নেত্রীকে চেয়ারম্যানের কুপ্রস্তাব, রাজি না হওয়ায় স্বামীকে মারধর

 পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি 
২৭ জুন ২০২১, ০৯:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর পুঠিয়ায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মিনা বেগমকে দীর্ঘদিন ধরে ভালুকগাছি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাকবির হাসান কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওই নেত্রীর স্বামীকে ভাড়া করা লোক দিয়ে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় ওই নেত্রী বাদী হয়ে চেয়ারম্যানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভালুকগাছি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মিনা বেগম বলেন, রাজনৈতিকভাবে সব সময় আমার সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ থাকে। সেজন্য ভালুকগাছি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাকবির হাসানের সঙ্গে মাঝে-মধ্যে দেখা হলে তিনি আমাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। তার ওই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় দীর্ঘদিন থেকে তিনি আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ছিলেন। এর জের ধরে ২৫ জুন দুপুরে আনোয়ার হোসেন নামের একজন ব্যক্তি (চেয়ারম্যানের ভাড়া করা লোক) আমার স্বামী আব্দুল হালিম মিস্ত্রিকে পিটিয়েছে। বর্তমানে আমার স্বামী পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ ঘটনায় চেয়ারম্যানকে প্রধান অভিযুক্ত করে তিনজনের নামে থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

আহত মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকার স্বামী আব্দুল হালিম মিস্ত্রি বলেন, আমার বাড়ি এই এলাকায় নয়। আমি পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। এখানে বিয়ে করে বৌ-বাচ্চা নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করি। প্রতিদিনের মতো গত শুক্রবার দুপরের দিকে আমি ভালুকগাছি-বেন্নাতলা বাজারে কাজ করছিলাম। এ সময় আনোয়ার হোসেন একটি চাপাতি নিয়ে এসে আমাকে পেটাতে শুরু করেন।

তিনি বলেন, আমাকে মারার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন- তোর স্ত্রী চেয়ারম্যানের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। স্ত্রীকে কন্ট্রোল করতে পারিস না তাই তোকে পেটাচ্ছি। মারধরের বিষয়টি বাজারের লোকজন দেখে আমাকে উদ্ধার করেছেন। পরে তারা আমাকে হাসপাতালে এনে ভর্তি করেছেন।

তবে ওই নেত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে ভালুকগাছি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তাকবির হাসান বলেন, এ ধরনের মহিলাদের কাজই হচ্ছে ভালো মানুষদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা। মানুষকে জিম্মি করে ফায়দা নেওয়া। ওই মহিলার ব্যবহার কেমন তা গ্রামের সবাই জানেন। যেহেতু ওই মহিলা থানায় অভিযোগ দিয়েছে। তাই আমিও চাই তদন্তে সঠিক বিষয়টি উঠে আসুক।

এ ব্যাপারে থানার ওসি সোহরাওয়ার্দী হোসেন বলেন, মিনা বেগম গত দুই দিন আগে থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে তার স্বামীকে মারধর ও পূর্বশত্রুতার অভিযোগ এনে তিনজনের নাম উল্লেখ করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন