ছোট্ট একটি ব্রিজ বদলে দিতে পারে দুই উপজেলার চিত্র
jugantor
ছোট্ট একটি ব্রিজ বদলে দিতে পারে দুই উপজেলার চিত্র

  মো.খোরশেদ আলম, কাপাসিয়া (গাজীপুর)  

২৯ জুন ২০২১, ১৯:৪৬:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের মৈশাধামনা এবং শ্রীপুর উপজেলার প্রহলাদপুর ইউনিয়নের দমদমা গ্রাম। এ দুই উপজেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত মরগাঙ্গী খাল। এ খালের ওপর ছোট্ট একটি ব্রিজ নির্মিত হলে বদলে যাবে দুই উপজেলার চিত্র।

দুই উপজেলার মৈশাধামনা, চরদমদমা, কাজাহাজী ও শেকের নরুনসহ চারটি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার লোকের যাতায়াতের জন্য বাঁশ ও কাঠের ব্যবহৃত এ ব্রিজ।

মরগাঙ্গী খালের পূর্বপাশে কাপাসিয়া উপজেলার মানুষের প্রয়োজনীয় কাজের জন্য প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে কালিগঞ্জ উপজেলার জাংগালিয়া ইউনিয়নের নরুন হয়ে জেলা সদরে যাতায়াত করতে হয়।

অপরদিকে খালের পশ্চিম পাড় শ্রীপুর উপজেলার প্রহলাদপুর ইউনিয়নের দমদমা ও চর দমদমা গ্রামে কোনো উচ্চ বিদ্যালয় না থাকায় ছাত্রছাত্রীদের খাল পাড়ি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মৈশাধামনা উচ্চ বিদ্যালয়ে যেতে হয়।

স্বাধীনতার ৫০ বছর হলেও দুই উপজেলার সীমানা দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের ওপর একটি ব্রিজ না থাকার কারণে আজো অবহেলিত এবং উন্নয়ন বঞ্চিত। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বাজার ও হাসপাতালে এ ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করে। বিভিন্ন সময় জন প্রতিনিধিরা নির্বাচনে জয় লাভ করলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়নি। সরকার মরগাঙ্গী খালের ওপর ছোট্ট একটি ব্রিজ নির্মাণ করবে এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

চর দমদমা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, শ্রীপুর ও কাপাসিয়ার শেষ প্রান্ত হওয়ার কারণে আমরা এপাড় থেকে ওপাড়ে যেতে হলে প্রায় ৮ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। ব্রিজটির পশ্চিম পাড়ে শ্রীপুর উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পূর্ব পাড়ে উচ্চ বিদ্যালয় থাকায় ছেলে-মেয়েরা আাসা যাওয়ার সময় পানিতে পড়ে যায় এবং যাতায়াতে বিঘ্ন সৃষ্টি হয় এ জন্য ব্রিজটি অত্যন্ত জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ।

মৈশাধামনা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এ ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার লোক যাতায়াত করে এবং চার থেকে পাঁচ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী যাতায়াত করে। চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ ফুট একটি ব্রিজ হলে আমাদের দুই উপজেলা বাসীর অনেক উপকার হবে।

এ ব্যাপারে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেন রিমি যুগান্তরকে বলেন, সরকারের উন্নয়নে বর্তমানে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার বাংলাদেশে যোগাযোগের স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবস্থার উন্নয়নের যে কাজ হচ্ছে, সে ধারাবাহিকতাতে আমাদের কাপাসিয়া এবং শ্রীপুরের দমদমা এ দুই জায়গার মৈশাধামনা মরগাঙ্গী খালে ব্রিজ নির্মিত হবে। আমাদের কোভিড পরিস্থিতি না থাকলে হয়তে ব্রিজের মতো আরেও অনেক কিছুই দ্রুত করতে পারতাম। কিন্তু সবকিছুই সামলে নিয়ে আমাদের সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ,ব্রিজ ও মাটি দিয়ে নতুন নতুন রাস্তা তৈরি করা বর্তমান উন্নয়ন আমাদের অকল্পনীয়। ভবিষ্যতে আমাদের সরকার আরও অনেক অনেক উন্নয়ন মূলক কাজ করবে।

ছোট্ট একটি ব্রিজ বদলে দিতে পারে দুই উপজেলার চিত্র

 মো.খোরশেদ আলম, কাপাসিয়া (গাজীপুর) 
২৯ জুন ২০২১, ০৭:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের মৈশাধামনা এবং শ্রীপুর উপজেলার প্রহলাদপুর ইউনিয়নের দমদমা গ্রাম। এ দুই উপজেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত মরগাঙ্গী খাল। এ খালের ওপর ছোট্ট একটি ব্রিজ নির্মিত হলে বদলে যাবে দুই উপজেলার চিত্র।

দুই উপজেলার মৈশাধামনা, চরদমদমা, কাজাহাজী ও শেকের নরুনসহ চারটি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার লোকের যাতায়াতের জন্য বাঁশ ও কাঠের ব্যবহৃত এ ব্রিজ। 

মরগাঙ্গী খালের পূর্বপাশে কাপাসিয়া উপজেলার মানুষের প্রয়োজনীয় কাজের জন্য প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে কালিগঞ্জ উপজেলার জাংগালিয়া ইউনিয়নের নরুন হয়ে জেলা সদরে যাতায়াত করতে হয়।

অপরদিকে খালের পশ্চিম পাড় শ্রীপুর উপজেলার প্রহলাদপুর ইউনিয়নের দমদমা ও চর দমদমা গ্রামে কোনো উচ্চ বিদ্যালয় না থাকায় ছাত্রছাত্রীদের খাল পাড়ি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মৈশাধামনা উচ্চ বিদ্যালয়ে যেতে হয়। 

স্বাধীনতার ৫০ বছর হলেও দুই উপজেলার সীমানা দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের ওপর একটি ব্রিজ না থাকার কারণে আজো অবহেলিত এবং উন্নয়ন বঞ্চিত। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বাজার ও হাসপাতালে এ ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করে। বিভিন্ন সময় জন প্রতিনিধিরা নির্বাচনে জয় লাভ করলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়নি। সরকার মরগাঙ্গী খালের ওপর ছোট্ট একটি ব্রিজ নির্মাণ করবে এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

চর দমদমা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, শ্রীপুর ও কাপাসিয়ার শেষ প্রান্ত হওয়ার কারণে আমরা এপাড় থেকে ওপাড়ে যেতে হলে প্রায় ৮ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। ব্রিজটির পশ্চিম পাড়ে শ্রীপুর উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পূর্ব পাড়ে উচ্চ বিদ্যালয় থাকায় ছেলে-মেয়েরা  আাসা যাওয়ার সময় পানিতে পড়ে যায় এবং যাতায়াতে বিঘ্ন সৃষ্টি হয় এ জন্য ব্রিজটি অত্যন্ত জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ।

মৈশাধামনা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এ ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার লোক যাতায়াত করে এবং চার থেকে পাঁচ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী যাতায়াত করে। চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ ফুট একটি ব্রিজ হলে আমাদের দুই উপজেলা বাসীর অনেক উপকার হবে।

এ ব্যাপারে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেন রিমি যুগান্তরকে বলেন, সরকারের উন্নয়নে বর্তমানে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার বাংলাদেশে যোগাযোগের স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবস্থার উন্নয়নের যে কাজ হচ্ছে, সে ধারাবাহিকতাতে আমাদের কাপাসিয়া এবং শ্রীপুরের দমদমা এ দুই জায়গার মৈশাধামনা মরগাঙ্গী খালে ব্রিজ নির্মিত হবে। আমাদের কোভিড পরিস্থিতি না থাকলে হয়তে ব্রিজের মতো আরেও অনেক কিছুই দ্রুত করতে পারতাম। কিন্তু সবকিছুই সামলে নিয়ে আমাদের সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ,ব্রিজ  ও মাটি দিয়ে নতুন নতুন রাস্তা তৈরি করা বর্তমান উন্নয়ন আমাদের অকল্পনীয়। ভবিষ্যতে আমাদের সরকার আরও অনেক অনেক উন্নয়ন মূলক কাজ করবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন