ঝিনাইগাতী-নালিতাবাড়ীর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
jugantor
ঝিনাইগাতী-নালিতাবাড়ীর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

  শেরপুর প্রতিনিধি  

৩০ জুন ২০২১, ২১:২০:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

টানা তিন দিনের ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পাহাড়ি ঢলের পানির তোড়ে দিঘিরপাড় অংশে শহররক্ষা বাঁধ ভেঙে সীমান্ত ঝিনাইগাতী উপজেলার কমপক্ষে ৩০টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

বুধবার সকাল থেকে পানি ঢলের পানি প্রবল বেগে প্রবেশ করেছে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ও সদর বাজারে। ডুবে গেছে কাঁচা-পাকা সড়ক ও অনেক মৎস্য খামার।

স্থানীয়রা জানান, টানা বৃষ্টিতে পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলে পানিতে মহারশি নদীর পানির তোড়ে দিঘিরপাড় অংশের শহররক্ষা বাঁধ ভেঙে গিয়ে নিম্নাঞ্চলে ঢলের পানির প্রবেশ করে।

এরইমধ্যে ভাঙা বাঁধ ও প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আল মাসুদ।

তিনি বলেন, বুধবার ভোরের দিকে ঢলের পানি প্রবেশ শুরু করেছে। দেড় দুই ঘণ্টা বৃষ্টি না হলে এই পানি কমতে শুরু করবে। আমরা প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

এদিকে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই ও চেল্লাখালি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নালিতাবাড়ীর নিম্নাঞ্চলও প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলের মাঠ ও অনেক মৎস্য খামার।

গ্রামীণ কাঁচা ও পাকা রাস্তা পানিতে ডুবে যাওয়ায় মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ বেড়েছে। আকস্মিক বন্যায় দেখা দেয়ায় অনেক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

ঝিনাইগাতী-নালিতাবাড়ীর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

 শেরপুর প্রতিনিধি 
৩০ জুন ২০২১, ০৯:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টানা তিন দিনের ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পাহাড়ি ঢলের পানির তোড়ে দিঘিরপাড় অংশে শহররক্ষা বাঁধ ভেঙে সীমান্ত ঝিনাইগাতী উপজেলার কমপক্ষে ৩০টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

বুধবার সকাল থেকে পানি ঢলের পানি প্রবল বেগে প্রবেশ করেছে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ও সদর বাজারে। ডুবে গেছে কাঁচা-পাকা সড়ক ও অনেক মৎস্য খামার।

স্থানীয়রা জানান, টানা বৃষ্টিতে পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলে পানিতে মহারশি নদীর পানির তোড়ে দিঘিরপাড় অংশের শহররক্ষা বাঁধ ভেঙে গিয়ে নিম্নাঞ্চলে ঢলের পানির প্রবেশ করে।

এরইমধ্যে ভাঙা বাঁধ ও প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আল মাসুদ।

তিনি বলেন, বুধবার ভোরের দিকে ঢলের পানি প্রবেশ শুরু করেছে। দেড় দুই ঘণ্টা বৃষ্টি না হলে এই পানি কমতে শুরু করবে। আমরা প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

এদিকে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই ও চেল্লাখালি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নালিতাবাড়ীর নিম্নাঞ্চলও প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলের মাঠ ও অনেক মৎস্য খামার।

গ্রামীণ কাঁচা ও পাকা  রাস্তা পানিতে ডুবে যাওয়ায় মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ বেড়েছে। আকস্মিক বন্যায় দেখা দেয়ায় অনেক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন