বিক্রিতে প্রস্তুত ‘বড় সাহেব’ ও ‘মাস্টার সাহেব’
jugantor
বিক্রিতে প্রস্তুত ‘বড় সাহেব’ ও ‘মাস্টার সাহেব’

  ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৬ জুলাই ২০২১, ১৮:৫১:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বিক্রির জন্য প্রস্তুত ‘বড় সাহেব’ ও ‘মাস্টার সাহেব’। এবারের ঈদের আকর্ষণ দুটি গরু। কিশোরগঞ্জ জেলার মধ্য এ দুটি গরু সবচেয়ে বড়। এমন দাবি খামারি শরীফুজ্জামানের।

বড় সাহেবের ওজন ১৪০০ কেজি আর মাস্টার সাহেবের ওজন ১২০০ কেজি। খামারি শরীফুজ্জামান বড় সাহেবের দাম হাঁকছেন ১৮ লাখ টাকা ও মাস্টার সাহেবের দাম হাঁকছেন ১৬ লাখ টাকা। তবে করোনার কারণে এবার হাট জমবে কিনা এ নিয়ে খামারি শঙ্কিত রয়েছে।

শরীফুজ্জামানের বাড়ি উপজেলার সাদেকপুর গ্রামে। তিনি আগে সিংগাপুর প্রবাসী ছিলেন। বিদেশ থেকে এসেই তিনি গরুর খামার গড়ে তুলেছেন। তার খামারে ১৮টি গরু আছে।

শরীফুজ্জামান যুগান্তরকে জানান, কাল রংয়ের মাস্টার সাহেব নামের গরুটি সাহিয়াল ও ফ্রিজিয়ান ক্রস জাতের। আর বড় সাহেব আফ্রিকান জাতের। দুটি গরু দেখতে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ খামারে ভিড় জমায়। বড় সাহেব গরুটি ইতোমধ্যেই ১১ লাখ টাকা দাম উঠেছে কিন্তু বিক্রি করেননি তিনি।

এমনই আর একটি খামার আছে আবুল হাসিম মিয়ার। তার খামারে ব্রাহামক্রস ও দেশি জাতের গরু আছে মোট ৩০ টি। রাজা ও বাদশা নামের দুটি গরু আছে তার খামারে। রাজার ওজন ৯০০ কেজি ও বাদশার ওজন ৭০০ কেজি। খামারি একটি গরু ৬ লাখ ও অপরটি ৫ লাখ টাকা বিক্রির প্রত্যাশা করছে।

ভৈরবের ছাগাইয়া গ্রামের খামারি পাভেল মিয়া। তার খামারে গরু আছে ২৪টি। তবে সবই দেশি গরু। করোনার কারণে এবারের গরুর হাট নিয়ে তিনি চিন্তিত। নবীপুর গ্রামের শাহিন। তার খামারে রয়েছে ২০টি দেশি গরু। শহরের নিউটাউন এলাকার রোজেন ডেইরি ফার্ম। তার ফার্মে রয়েছে অর্ধশত গরু। রোজেন জানালেন, করোনার কারণে এবার গরু নিয়ে শঙ্কিত আছি।

আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানিকে সামনে রেখে ভৈরবে প্রায় ১২ হাজার গরু, মহিষ, ভেড়া ও ছাগল বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলে জানা যায়। দেশের মহামারি করোনাভাইরাস, লকডাউন এবং চোরাইপথে ভারত থেকে আসা পশু নিয়ে শঙ্কিত ভৈরবের খামারিরা।

ঈদকে সামনে রেখে খামারিরা তাদের পশুকে মোটাতাজাকরণ করেছে। কিন্তু এসব পশু এবার বিক্রি করতে পারবে কিনা এ নিয়ে সবাই চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খান জানান, ভৈরবে গরুর চাহিদা আছে প্রায় ৯ হাজার এবং বাইরে থেকে গরু নিতে আসে আরও ৫ হাজার। এখানের খামারিরা ঈদকে সামনে রেখে গরু মোটাতাজাকরণ করেছে। শরীফুজ্জামানের দুটি গরু উপজেলার মধ্য সবচেয়ে বড়। এত বড় গরু দেশে খুব কম লালন-পালন হয়। করোনা ও লকডাউনে হাটবাজার কেমন জমে তা আমিও বলতে পারছি না। খামারিরা তাদের গরু সঠিক দামে বিক্রি করতে না পারলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে তিনি স্বীকার করেন।

বিক্রিতে প্রস্তুত ‘বড় সাহেব’ ও ‘মাস্টার সাহেব’

 ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৬ জুলাই ২০২১, ০৬:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বিক্রির জন্য প্রস্তুত ‘বড় সাহেব’ ও ‘মাস্টার সাহেব’। এবারের ঈদের আকর্ষণ দুটি গরু। কিশোরগঞ্জ জেলার মধ্য এ দুটি গরু সবচেয়ে বড়। এমন দাবি খামারি শরীফুজ্জামানের।

বড় সাহেবের ওজন ১৪০০ কেজি আর মাস্টার সাহেবের ওজন ১২০০ কেজি। খামারি শরীফুজ্জামান বড় সাহেবের দাম হাঁকছেন ১৮ লাখ টাকা ও মাস্টার সাহেবের দাম হাঁকছেন ১৬ লাখ টাকা। তবে করোনার কারণে এবার হাট জমবে কিনা এ নিয়ে খামারি শঙ্কিত রয়েছে।

শরীফুজ্জামানের বাড়ি উপজেলার সাদেকপুর গ্রামে। তিনি আগে সিংগাপুর প্রবাসী ছিলেন। বিদেশ থেকে এসেই তিনি গরুর খামার গড়ে তুলেছেন। তার খামারে ১৮টি গরু আছে।

শরীফুজ্জামান যুগান্তরকে জানান, কাল রংয়ের মাস্টার সাহেব নামের গরুটি সাহিয়াল ও ফ্রিজিয়ান ক্রস জাতের। আর বড় সাহেব আফ্রিকান জাতের। দুটি গরু দেখতে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ খামারে ভিড় জমায়। বড় সাহেব গরুটি ইতোমধ্যেই ১১ লাখ টাকা দাম উঠেছে কিন্তু বিক্রি করেননি তিনি।

এমনই আর একটি খামার আছে আবুল হাসিম মিয়ার। তার খামারে ব্রাহামক্রস ও দেশি জাতের গরু আছে মোট ৩০ টি। রাজা ও বাদশা নামের দুটি গরু আছে তার খামারে। রাজার ওজন ৯০০ কেজি ও বাদশার ওজন ৭০০ কেজি। খামারি একটি গরু ৬ লাখ ও অপরটি ৫ লাখ টাকা বিক্রির প্রত্যাশা করছে।

ভৈরবের ছাগাইয়া গ্রামের খামারি পাভেল মিয়া। তার খামারে গরু আছে ২৪টি। তবে সবই দেশি গরু। করোনার কারণে এবারের গরুর হাট নিয়ে তিনি চিন্তিত। নবীপুর গ্রামের শাহিন। তার খামারে রয়েছে ২০টি দেশি গরু। শহরের নিউটাউন এলাকার রোজেন ডেইরি ফার্ম। তার ফার্মে রয়েছে অর্ধশত গরু। রোজেন জানালেন, করোনার কারণে এবার গরু নিয়ে শঙ্কিত আছি।

আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানিকে সামনে রেখে ভৈরবে প্রায় ১২ হাজার গরু, মহিষ, ভেড়া ও ছাগল বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলে জানা যায়। দেশের মহামারি করোনাভাইরাস, লকডাউন এবং চোরাইপথে ভারত থেকে আসা পশু নিয়ে শঙ্কিত ভৈরবের খামারিরা।

ঈদকে সামনে রেখে খামারিরা তাদের পশুকে মোটাতাজাকরণ করেছে। কিন্তু এসব পশু এবার বিক্রি করতে পারবে কিনা এ নিয়ে সবাই চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খান জানান, ভৈরবে গরুর চাহিদা আছে প্রায় ৯ হাজার এবং বাইরে থেকে গরু নিতে আসে আরও ৫ হাজার। এখানের খামারিরা ঈদকে সামনে রেখে গরু মোটাতাজাকরণ করেছে। শরীফুজ্জামানের দুটি গরু উপজেলার মধ্য সবচেয়ে বড়। এত বড় গরু দেশে খুব কম লালন-পালন হয়। করোনা ও লকডাউনে হাটবাজার কেমন জমে তা আমিও বলতে পারছি না। খামারিরা তাদের গরু সঠিক দামে বিক্রি করতে না পারলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে তিনি স্বীকার করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন