মসজিদে পড়তে যাওয়ার সময় শিশুকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১
jugantor
মসজিদে পড়তে যাওয়ার সময় শিশুকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১

  বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৬ জুলাই ২০২১, ১৯:০৪:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের বাহুবলে মসজিদে পড়তে যাওয়ার সময় পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে তোফাজ্জল মিয়া (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে উপজেলার মিরপুর বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত তোফাজ্জল মিয়া উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের পূর্ব জয়পুর গ্রামের মৃত আশু মিয়ার পুত্র।

মামলার সূত্রে জানায় যায়, গত ২২ জুন সকাল ৬টার দিকে উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী প্রতিদিনের ন্যায় অন্যান্য বাচ্চাদের সঙ্গে গ্রামের জামে মসজিদে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণের জন্য রওয়ানা হয়। পথিমধ্যে তোফাজ্জল মিয়া একই গ্রামের মুন্সী বাড়ির সামনে অন্যান্য বাচ্চাদের ধমকিয়ে বিদায় করে ওই ছাত্রীকে জনৈক কাশেমের সবজি ক্ষেতে নিয়ে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

পরবর্তীতে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ওই ছাত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়িতে পাঠায় তোফাজ্জল। এ ঘটনার ২ দিন পর ওই ছাত্রী প্রস্রাবের রাস্তাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বর অনুভব করে। এ পরিস্থিতিতে ওই ছাত্রী বিষয়টি তার মা-কে জানায়। ওই ছাত্রীর মা তাৎক্ষণিক বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবগত করেন।

পরে গত ৩ জুলাই ধর্ষিতা ওই ছাত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়। চিকিৎসা শেষে সোমবার রাতে বাহুবল মডেল থানায় হাজির হয়ে ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে ওই রাতেই পুলিশ অভিযুক্ত তোফাজ্জল মিয়াকে গ্রেফতার করে।

এ ব্যাপারে বাহুবল মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আলমগীর কবীর বলেন, ধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি তোফাজ্জল মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মসজিদে পড়তে যাওয়ার সময় শিশুকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১

 বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৬ জুলাই ২০২১, ০৭:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের বাহুবলে মসজিদে পড়তে যাওয়ার সময় পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে তোফাজ্জল মিয়া (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে উপজেলার মিরপুর বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। 

গ্রেফতারকৃত তোফাজ্জল মিয়া উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের পূর্ব জয়পুর গ্রামের মৃত আশু মিয়ার পুত্র।

মামলার সূত্রে জানায় যায়, গত ২২ জুন সকাল ৬টার দিকে উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী প্রতিদিনের ন্যায় অন্যান্য বাচ্চাদের সঙ্গে গ্রামের জামে মসজিদে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণের জন্য রওয়ানা হয়। পথিমধ্যে তোফাজ্জল মিয়া একই গ্রামের মুন্সী বাড়ির সামনে অন্যান্য বাচ্চাদের ধমকিয়ে বিদায় করে ওই ছাত্রীকে জনৈক কাশেমের সবজি ক্ষেতে নিয়ে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। 

পরবর্তীতে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ওই ছাত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়িতে পাঠায় তোফাজ্জল। এ ঘটনার ২ দিন পর ওই ছাত্রী প্রস্রাবের রাস্তাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বর অনুভব করে। এ পরিস্থিতিতে ওই ছাত্রী বিষয়টি তার মা-কে জানায়। ওই ছাত্রীর মা তাৎক্ষণিক বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবগত করেন।

পরে গত ৩ জুলাই ধর্ষিতা ওই ছাত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়। চিকিৎসা শেষে সোমবার রাতে বাহুবল মডেল থানায় হাজির হয়ে ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে ওই রাতেই পুলিশ অভিযুক্ত তোফাজ্জল মিয়াকে গ্রেফতার করে।

এ ব্যাপারে বাহুবল মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আলমগীর কবীর বলেন, ধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি তোফাজ্জল মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন