কোরবানির হাট মাতাবে ‘রাজা মিয়া’
jugantor
কোরবানির হাট মাতাবে ‘রাজা মিয়া’

  উত্তম কুমার সেনগুপ্ত লক্ষণ, উলিপুর (কুড়িগ্রাম)  

০৬ জুলাই ২০২১, ২০:৫৯:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

এবার কোরবানির হাট মাতাবে উলিপুরের ‘রাজা মিয়া’ নামের ষাঁড়টি। উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় ষাঁড় এই রাজা মিয়া বলে দাবি করেন গরুর মালিক। রাজা মিয়ার উচ্চতা ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি ও দৈর্ঘ্য ৯ ফুট। রাজা মিয়ার ওজন প্রায় ২৮ মণ। ষাঁড়টির দাম হাঁকানো হয়েছে ১০ লাখ টাকা।

ষাঁড়ের মালিক উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের দড়ি কিশোরপুর গ্রামের খামারি মিন্টু মিয়া। তিনি কোরবানির ঈদে ষাঁড়টি বিক্রি করবেন।

রাজা মিয়াকে দেখাশুনার দায়িত্বে থাকা আব্দুল কাইয়ুম ও ফিরোজ মিয়া জানান, দেড় বছর পূর্বে ৯০ হাজার টাকা দিয়ে রাজা মিয়াকে কিনে আনা হয়। এরপর থেকেই অন্য গরুর সঙ্গে রাজা মিয়াকে লালন-পালন করা হচ্ছে। তারা দুজনই গরুটির পেছনে সময় দেন।

বর্তমানে রাজা মিয়ার বয়স ৩ বছর। মুখমণ্ডল ও কপালের উপরে সাদা লম্বা দাগ, শরীর কালো, উঁচু চূড়া, ঝুলে থাকা গলকম্বল হাঁটু ছুই ছুই করছে। মাথায় লম্বা শিং, শান্ত প্রকৃতির রাজা মিয়া।

রাজা মিয়াকে বড় করতে অনেক শ্রম ও অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। গড়ে তাকে প্রতিদিন ৬শ' টাকার উপরে খাবার দিতে হয়। এর মধ্যে ৭ কেজি ভুসি, ৬ কেজি গুঁড়া, মেষ (মিশ্রিত খাবার) ৩ কেজি, ২ কেজি খইল ও পরিমাণ মতো খড় দেয়া হয়ে থাকে।

রাজা মিয়া থাকেন রাজার হালে। তার ঘরের মেঝে সম্পূর্ণ পাকা, এছাড়া গরম থেকে সুরক্ষার জন্য মাথার ওপরে ২৪ ঘণ্টা ঘোরে সিলিংফ্যান। প্রতিদিন রাজা মিয়াকে একাধিকবার গোসল করানো হয়।

তারা বলেন, রাজা মিয়ার ওজন প্রায় ২৮ মণ। গরুর মালিক দাম হাঁকিয়েছেন ১০ লাখ টাকা।

গরুর মালিক মিন্টু মিয়া ঢাকায় কাঁচামালের আড়তদারি (পাইকারি) ব্যবসা করেন। তিনি মোবাইল ফোনে জানান, সংসারের বাড়তি আয়ের জন্য পৈতৃক বাড়িতে একটি খামার গড়ে তুলেছেন। সেখানে তিনি গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি পালন করেন।

তিনি বলেন, লাভের আশায় খামার গড়ে তুললেও আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হয়ে যায়। ভালো দাম পেলে রাজা মিয়াকে বিক্রি করবেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল আজিজ প্রধান জানান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর খামারিদের বিভিন্ন সহায়তার পাশাপাশি পরামর্শ দিয়ে আসছে। পশু মোটাতাজাকরণে মিন্টু মিয়ার খামার একটি আদর্শ খামার।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু লকডাউন চলছে; কোরবানির পশু সহজে বিক্রি করার জন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর উলিপুর কর্তৃক অনলাইন কোরবানির হাট নামে ফেসবুক পেজ খোলা হয়েছে। সেখানে আগ্রহী পশু বিক্রেতাগণ পশুর ছবি, মালিকের নাম ও মোবাইল নম্বরসহ এই পেজে আপলোড করার জন্য বলা হয়েছে।

কোরবানির হাট মাতাবে ‘রাজা মিয়া’

 উত্তম কুমার সেনগুপ্ত লক্ষণ, উলিপুর (কুড়িগ্রাম) 
০৬ জুলাই ২০২১, ০৮:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

এবার কোরবানির হাট মাতাবে উলিপুরের ‘রাজা মিয়া’ নামের ষাঁড়টি। উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় ষাঁড় এই রাজা মিয়া বলে দাবি করেন গরুর মালিক। রাজা মিয়ার উচ্চতা ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি ও দৈর্ঘ্য ৯ ফুট। রাজা মিয়ার ওজন প্রায় ২৮ মণ। ষাঁড়টির দাম হাঁকানো হয়েছে ১০ লাখ টাকা।

ষাঁড়ের মালিক উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের দড়ি কিশোরপুর গ্রামের খামারি মিন্টু মিয়া। তিনি কোরবানির ঈদে ষাঁড়টি বিক্রি করবেন।

রাজা মিয়াকে দেখাশুনার দায়িত্বে থাকা আব্দুল কাইয়ুম ও ফিরোজ মিয়া জানান, দেড় বছর পূর্বে ৯০ হাজার টাকা দিয়ে রাজা মিয়াকে কিনে আনা হয়। এরপর থেকেই অন্য গরুর সঙ্গে রাজা মিয়াকে লালন-পালন করা হচ্ছে। তারা দুজনই গরুটির পেছনে সময় দেন।

বর্তমানে রাজা মিয়ার বয়স ৩ বছর। মুখমণ্ডল ও কপালের উপরে সাদা লম্বা দাগ, শরীর কালো, উঁচু চূড়া, ঝুলে থাকা গলকম্বল হাঁটু ছুই ছুই করছে। মাথায় লম্বা শিং, শান্ত প্রকৃতির রাজা মিয়া।

রাজা মিয়াকে বড় করতে অনেক শ্রম ও অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। গড়ে তাকে প্রতিদিন ৬শ' টাকার উপরে খাবার দিতে হয়। এর মধ্যে ৭ কেজি ভুসি, ৬ কেজি গুঁড়া, মেষ (মিশ্রিত খাবার) ৩ কেজি, ২ কেজি খইল ও পরিমাণ মতো খড় দেয়া হয়ে থাকে।

রাজা মিয়া থাকেন রাজার হালে। তার ঘরের মেঝে সম্পূর্ণ পাকা, এছাড়া গরম থেকে সুরক্ষার জন্য মাথার ওপরে ২৪ ঘণ্টা ঘোরে সিলিংফ্যান। প্রতিদিন রাজা মিয়াকে একাধিকবার গোসল করানো হয়।

তারা বলেন, রাজা মিয়ার ওজন প্রায় ২৮ মণ। গরুর মালিক দাম হাঁকিয়েছেন ১০ লাখ টাকা।

গরুর মালিক মিন্টু মিয়া ঢাকায় কাঁচামালের আড়তদারি (পাইকারি) ব্যবসা করেন। তিনি মোবাইল ফোনে জানান, সংসারের বাড়তি আয়ের জন্য পৈতৃক বাড়িতে একটি খামার গড়ে তুলেছেন। সেখানে তিনি গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি পালন করেন।

তিনি বলেন, লাভের আশায় খামার গড়ে তুললেও আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হয়ে যায়। ভালো দাম পেলে রাজা মিয়াকে বিক্রি করবেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল আজিজ প্রধান জানান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর খামারিদের বিভিন্ন সহায়তার পাশাপাশি পরামর্শ দিয়ে আসছে। পশু মোটাতাজাকরণে মিন্টু মিয়ার খামার একটি আদর্শ খামার।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু লকডাউন চলছে; কোরবানির পশু সহজে বিক্রি করার জন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর উলিপুর কর্তৃক অনলাইন কোরবানির হাট নামে ফেসবুক পেজ খোলা হয়েছে। সেখানে আগ্রহী পশু বিক্রেতাগণ পশুর ছবি, মালিকের নাম ও মোবাইল নম্বরসহ এই পেজে আপলোড করার জন্য বলা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন