কিস্তির কথা বলে এনজিও কর্মীকে বাসায় ডেকে ভিডিও করে টাকা আদায়
jugantor
কিস্তির কথা বলে এনজিও কর্মীকে বাসায় ডেকে ভিডিও করে টাকা আদায়

  সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি  

০৬ জুলাই ২০২১, ২৩:১৭:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীর সোনাগাজীতে মো. ইয়াছিন নামে এক এনজিও কর্মীকে কিস্তি দেয়ার কথা বলে বাসায় ডেকে পিটিয়ে ভিডিও ধারণ করে চাঁদা আদায় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই কর্মী বাদী হয়ে দুই যুবলীগ নেতাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

সোমবার রাতে এক নারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ১৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- চট্টগ্রাম জেলার ভুজপুর থানার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের উদালিয়া চা বাগান এলাকার কমল কান্তি দাসের ছেলে দিপু দাস, তার স্ত্রী যমুনা রানী দাস ও ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের বৈরাগীরহাট গ্রামের নিমাই চন্দ্র দাসের ছেলে অন্তর চন্দ্র দাস।

পলাতক দুই যুবলীগ নেতা হচ্ছেন- সোনাগাজী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের তুলাতলী গ্রামের বৈদ্যবাড়ির নূরুল ইসলামের ছেলে আবদুল মমিন রানা প্রকাশ বৈদ্য রানা ও একই গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে মো. মামুন।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী জানান, ওই এনজিওর সোনাগাজী পৌরসভা কার্যালয় থেকে রাজমিস্ত্রি দিপু দাসের স্ত্রী যমুনা রানী দাস ২৫ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। ঋণের কিস্তি দেয়ার কথা বলে দিপু ও তার স্ত্রী পরস্পর যোগসাজশে মাঠকর্মী মো. ইয়াছিনকে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সোনাগাজী পৌর এলাকার রহিমা মঞ্জিলের ভাড়া বাসায় ডেকে নেন।

তাদের বাসায় যমুনা রানী ও ইয়াছিন চৌকির ওপর বসে কথা বলার সময় আড়াল থেকে তার স্বামী দিপু দাস, তার সহযোগী অন্তর দাস তাদের কথা বলার ভিডিও ধারণ করে। এ সময় দুই যুবলীগ নেতা আবদুল মমিন রানা ও মামুন ইন্টারনেটে তার ভিডিও ছেড়ে দিবে বলে ওই কর্মকর্তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। তাকে পিটিয়ে ওই নারীর কাঁধে হাত দিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।

তাদের দাবি মোতাবেক তার ভাইয়ের মাধ্যমে বিকাশ নাম্বারে ২০ হাজার ৪০০ টাকা এবং তার পকেটে থাকা ৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় আসামিরা। আদায়কৃত ২৫ হাজার টাকার মধ্যে দুই যুবলীগ নেতা ১০ হাজার টাকা এবং যমুনা রানী, তার স্বামী ও সহযোগী অন্তর ১৫ হাজার টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নেয়। বুধবারের মধ্যে বাকি ২৫ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে বলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়।

এ ঘটনায় সোমবার রাতে ওই ব্র্যাক কর্মকর্তা বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদী মো. ইয়াছিন নোয়াখালী জেলার হাতিয়া পৌরসভার পশ্চিম লক্ষীদিয়া গ্রামের জাহেদ দুবাইর বাড়ির জাহেদ উল্যাহর ছেলে।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

কিস্তির কথা বলে এনজিও কর্মীকে বাসায় ডেকে ভিডিও করে টাকা আদায়

 সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি 
০৬ জুলাই ২০২১, ১১:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীর সোনাগাজীতে মো. ইয়াছিন নামে এক এনজিও কর্মীকে কিস্তি দেয়ার কথা বলে বাসায় ডেকে পিটিয়ে ভিডিও ধারণ করে চাঁদা আদায় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই কর্মী বাদী হয়ে দুই যুবলীগ নেতাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

সোমবার রাতে এক নারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ১৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- চট্টগ্রাম জেলার ভুজপুর থানার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের উদালিয়া চা বাগান এলাকার কমল কান্তি দাসের ছেলে দিপু দাস, তার স্ত্রী যমুনা রানী দাস ও ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের বৈরাগীরহাট গ্রামের নিমাই চন্দ্র দাসের ছেলে অন্তর চন্দ্র দাস।

পলাতক দুই যুবলীগ নেতা হচ্ছেন- সোনাগাজী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের তুলাতলী গ্রামের বৈদ্যবাড়ির নূরুল ইসলামের ছেলে আবদুল মমিন রানা প্রকাশ বৈদ্য রানা ও একই গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে মো. মামুন।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী জানান, ওই এনজিওর সোনাগাজী পৌরসভা কার্যালয় থেকে রাজমিস্ত্রি দিপু দাসের স্ত্রী যমুনা রানী দাস ২৫ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। ঋণের কিস্তি দেয়ার কথা বলে দিপু ও তার স্ত্রী পরস্পর যোগসাজশে মাঠকর্মী মো. ইয়াছিনকে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সোনাগাজী পৌর এলাকার রহিমা মঞ্জিলের ভাড়া বাসায় ডেকে নেন।

তাদের বাসায় যমুনা রানী ও ইয়াছিন চৌকির ওপর বসে কথা বলার সময় আড়াল থেকে তার স্বামী দিপু দাস, তার সহযোগী অন্তর দাস তাদের কথা বলার ভিডিও ধারণ করে। এ সময় দুই যুবলীগ নেতা আবদুল মমিন রানা ও মামুন ইন্টারনেটে তার ভিডিও ছেড়ে দিবে বলে ওই কর্মকর্তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। তাকে পিটিয়ে ওই নারীর কাঁধে হাত দিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।

তাদের দাবি মোতাবেক তার ভাইয়ের মাধ্যমে বিকাশ নাম্বারে ২০ হাজার ৪০০ টাকা এবং তার পকেটে থাকা ৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় আসামিরা। আদায়কৃত ২৫ হাজার টাকার মধ্যে দুই যুবলীগ নেতা ১০ হাজার টাকা এবং যমুনা রানী, তার স্বামী ও সহযোগী অন্তর ১৫ হাজার টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নেয়। বুধবারের মধ্যে বাকি ২৫ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে বলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়।

এ ঘটনায় সোমবার রাতে ওই ব্র্যাক কর্মকর্তা বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদী মো. ইয়াছিন নোয়াখালী জেলার হাতিয়া পৌরসভার পশ্চিম লক্ষীদিয়া গ্রামের জাহেদ দুবাইর বাড়ির জাহেদ উল্যাহর ছেলে।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন