৩৫ মণের ‘কালো মানিকের’ দাম ৩০ লাখ টাকা
jugantor
৩৫ মণের ‘কালো মানিকের’ দাম ৩০ লাখ টাকা

  খোরশিদুল আলম মজিব, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

০৭ জুলাই ২০২১, ১৫:১০:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

৩৫ মণের ‘কালো মানিকের’ দাম ৩০ লাখ টাকা

ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড় ‘কালো মানিক’। এর ওজন ৩৫ মণ। ষাঁড়টি শান্ত প্রকৃতির ও কালো রঙ; তাই আদর করে নাম রাখা হয়েছে কালো মানিক।

আসছে কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ময়মনসিংহের ত্রিশালের জাকির হোসেন সুমন বিক্রির জন্য লালন-পালন করছেন। ষাঁড়টি বিক্রির জন্য ৩০ লাখ টাকা দাম হাঁকা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, ফ্রিজিয়ান জাতের এ ষাঁড়টি গত চার বছর ধরে লালন-পালন করে আসছেন উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের খামারি জাকির হোসেন সুমন।

‘কালো মানিক’ ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বড় ষাঁড় হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। গরু কালো মানিকের নাম সবার মুখে মুখে।

গরুর মালিক জাকির হোসেন সুমন জানান, অনেক শখ করে চার বছর ধরে এই ষাঁড়টিকে আমি দেশীয় খাবার খাইয়ে বড় করেছি। গরুর মালিকের দাবি— জেলার মধ্যে কালো মানিক সবচেয়ে বড় গরু। ক্ষতিকর ও মোটাতাজাকরণের কোনো ওষুধ প্রয়োগ ছাড়াই স্বাভাবিক খাবার খাইয়ে একে বড় করা হয়েছে।

বিশাল আকারের কালো মানিককে দেখতে অনেকেই ভিড় করছেন। কখনও কখনও গরু ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাও আসছেন গরুটি কিনতে। আশা করছি ৩০ লাখ টাকা দাম হবে গরুটির।

পশু চিকিৎসক কামাল উদ্দিন জানান, আমি ‘কালো মানিককে’ চার বছর ধরে চিকিৎসা দিয়ে আসছি। গরুটি প্রাকৃতিক খাবার খড়, ঘাস, খৈল, ভুসি, ভাত, মাড় ইত্যাদি খাইয়ে বড় করা হয়েছে। ক্ষতিকর ও মোটাতাজাকরণের কোনো ওষুধ প্রয়োগ করা হয়নি।

সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে তৈরি করার ফলে মাংস অনেক সুস্বাধু হবে। এটি জেলার সবচেয়ে বড় গরু।

করোনার কারণে এবারের কোরবানির ঈদে দেশের বাইরে থেকে গরু আসার সুযোগ থাকছে না। তাই খামারিরা কোরবানির পশুর যথাযথ মূল্য পাবেন বলে আশা ও প্রত্যাশা করছেন।

৩৫ মণের ‘কালো মানিকের’ দাম ৩০ লাখ টাকা

 খোরশিদুল আলম মজিব, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
০৭ জুলাই ২০২১, ০৩:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
৩৫ মণের ‘কালো মানিকের’ দাম ৩০ লাখ টাকা
ছবি: যুগান্তর

ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড় ‘কালো মানিক’। এর ওজন ৩৫ মণ। ষাঁড়টি শান্ত প্রকৃতির ও কালো রঙ; তাই আদর করে নাম রাখা হয়েছে কালো মানিক।

আসছে কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ময়মনসিংহের ত্রিশালের জাকির হোসেন সুমন বিক্রির জন্য লালন-পালন করছেন। ষাঁড়টি বিক্রির জন্য ৩০ লাখ টাকা দাম হাঁকা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, ফ্রিজিয়ান জাতের এ ষাঁড়টি গত চার বছর ধরে লালন-পালন করে আসছেন উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের খামারি জাকির হোসেন সুমন।

‘কালো মানিক’ ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বড় ষাঁড় হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। গরু কালো মানিকের নাম সবার মুখে মুখে।

গরুর মালিক জাকির হোসেন সুমন জানান, অনেক শখ করে চার বছর ধরে এই ষাঁড়টিকে আমি দেশীয় খাবার খাইয়ে বড় করেছি। গরুর মালিকের দাবি— জেলার মধ্যে কালো মানিক সবচেয়ে বড় গরু। ক্ষতিকর ও মোটাতাজাকরণের কোনো ওষুধ প্রয়োগ ছাড়াই স্বাভাবিক খাবার খাইয়ে একে বড় করা হয়েছে।

 বিশাল আকারের কালো মানিককে দেখতে অনেকেই ভিড় করছেন। কখনও কখনও গরু ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাও আসছেন গরুটি কিনতে। আশা করছি ৩০ লাখ টাকা দাম হবে গরুটির।
 
পশু চিকিৎসক কামাল উদ্দিন জানান, আমি ‘কালো মানিককে’ চার বছর ধরে চিকিৎসা দিয়ে আসছি। গরুটি প্রাকৃতিক খাবার খড়, ঘাস, খৈল, ভুসি, ভাত, মাড় ইত্যাদি খাইয়ে বড় করা হয়েছে। ক্ষতিকর ও মোটাতাজাকরণের কোনো ওষুধ প্রয়োগ করা হয়নি।

সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে তৈরি করার ফলে মাংস অনেক সুস্বাধু হবে। এটি জেলার সবচেয়ে বড় গরু।

করোনার কারণে এবারের কোরবানির ঈদে দেশের বাইরে থেকে গরু আসার সুযোগ থাকছে না। তাই খামারিরা কোরবানির পশুর যথাযথ মূল্য পাবেন বলে আশা ও প্রত্যাশা করছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন