বিয়ের দাবিতে অনশনে কিশোরী, পালালেন প্রেমিক
jugantor
বিয়ের দাবিতে অনশনে কিশোরী, পালালেন প্রেমিক

  রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি  

১১ জুলাই ২০২১, ১০:৩০:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

পেমিকের বাড়িতে অনশন

বিয়ের দাবিতে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় প্রেমিকের বাড়িতে এক কিশোরী (১৪) অনশন করেছে।

মেয়েটির দাবি, বিয়ের আশ্বাসে ও আমার সর্বনাশ করেছে। আমাকে বিয়ে করতেই হবে, না হলে আত্মহত্যা করব।

তবে এ ঘটনার পর থেকে প্রেমিক তার বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

শনিবার বিকালে পুলিশ গিয়ে বিচার করার আশ্বাস দিয়ে মেয়েটিকে তার বাড়িতে পাঠায়।

অভিযুক্ত প্রেমিকের নাম জনি (৩৫)। তিনি উপজেলার মধ্য ভাদুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, জনি তার পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ রাজারামপুর গ্রামের এক দিনমজুরের মেয়ের সঙ্গে গত সাত মাস আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। একপর্যায়ে জনি বিয়ের আশ্বাস দিয়ে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করে মেয়েটির সঙ্গে ।

একপর্যায়ে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে জনি প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে কোনো একসময় গর্ভপাত ঘটায়। এ নিয়ে একাধিকবার গ্রাম্য সালিশবৈঠক হলেও জনির পরিবার নানা তালবাহনা করে।

ভুক্তভোগী ওই কিশোরী জানায়, বিয়ের আশ্বাসে জনি আমার সর্বনাশ করেছে। আমাকে বিয়ে করতেই হবে, না হলে আত্মহত্যা করব।

ওই কিশোরীর ভাই রবিউল বলেন, আমার বোন অনশন করার খবর পেয়ে আমরা সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। এ সময় প্রতারক জনি তার অনুসারী যুবকদের দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমার মা গুরুতর আহত হলে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত জনিকে না পেলে তার মা বেবি বেগম যুগান্তরকে বলেন, ঘটনাটির মীমাংসার দিকে এগোচ্ছে। আপনাদের রিপোর্ট করার দরকার নেই।

রামগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, মেয়েটির বাবা লিখিত অভিযোগ করেছেন। অনশনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অফিসার পাঠিয়ে অনশন ভেঙে ন্যায়বিচারের আশ্বাস দিয়ে মেয়েটিকে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিয়ের দাবিতে অনশনে কিশোরী, পালালেন প্রেমিক

 রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি 
১১ জুলাই ২০২১, ১০:৩০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পেমিকের বাড়িতে অনশন
ফাইল ছবি

বিয়ের দাবিতে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় প্রেমিকের বাড়িতে এক কিশোরী (১৪) অনশন করেছে।

মেয়েটির দাবি, বিয়ের আশ্বাসে ও আমার সর্বনাশ করেছে। আমাকে বিয়ে করতেই হবে, না হলে আত্মহত্যা করব।

তবে এ ঘটনার পর থেকে প্রেমিক তার বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

শনিবার বিকালে পুলিশ গিয়ে বিচার করার আশ্বাস দিয়ে মেয়েটিকে তার বাড়িতে পাঠায়।

অভিযুক্ত প্রেমিকের নাম জনি (৩৫)। তিনি উপজেলার মধ্য ভাদুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, জনি তার পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ রাজারামপুর গ্রামের এক দিনমজুরের মেয়ের সঙ্গে গত সাত মাস আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। একপর্যায়ে জনি বিয়ের আশ্বাস দিয়ে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করে মেয়েটির সঙ্গে ।

 একপর্যায়ে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে জনি প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে কোনো একসময় গর্ভপাত ঘটায়। এ নিয়ে একাধিকবার গ্রাম্য সালিশবৈঠক হলেও জনির পরিবার নানা তালবাহনা করে।

ভুক্তভোগী ওই কিশোরী  জানায়, বিয়ের আশ্বাসে জনি আমার সর্বনাশ করেছে। আমাকে বিয়ে করতেই হবে, না হলে আত্মহত্যা করব।

ওই কিশোরীর ভাই রবিউল বলেন, আমার বোন অনশন করার খবর পেয়ে আমরা সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। এ সময় প্রতারক জনি তার অনুসারী যুবকদের দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমার মা গুরুতর আহত হলে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর ভর্তি করা হয়।
 
এ ঘটনায় অভিযুক্ত জনিকে না পেলে তার মা বেবি বেগম যুগান্তরকে বলেন, ঘটনাটির মীমাংসার দিকে এগোচ্ছে। আপনাদের রিপোর্ট করার দরকার নেই।  

রামগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, মেয়েটির বাবা লিখিত অভিযোগ করেছেন। অনশনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অফিসার পাঠিয়ে অনশন ভেঙে ন্যায়বিচারের আশ্বাস দিয়ে মেয়েটিকে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন