মানুষের স্মৃতিতে অম্লান নবাবগঞ্জের নুরুল ইসলাম
jugantor
মানুষের স্মৃতিতে অম্লান নবাবগঞ্জের নুরুল ইসলাম

  আজহারুল হক, নবাবগঞ্জ (ঢাকা)  

১২ জুলাই ২০২১, ২২:৪২:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

দিন শেষে মাস গড়িয়ে বছর পার হলো। গত বছরের ১৩ জুলাই দোহার নবাবগঞ্জের হাজারো মানুষের দুর্দিনের ঠিকানা নুরুল ইসলাম আমাদের অভিভাবক শূন্য করে চির বিদায় নেন। তিনি নেই কিন্তু তার কর্ম তো আর মরে যায়নি।

তিনি যে দোহার নবাবগঞ্জের খেটে খাওয়া মানুষের মনের মন্দিরে স্থান করে নিয়েছিলেন তা আজো প্রমাণ মিলে হাজারো মানুষের গল্পের ছলে। মাঠে ঘাটে হাটে বাজারে ছেয়ার টেবিলে নবাবগঞ্জের প্রান্তিক মানুষগুলো যেন তাকে ঠুকরে ঠুকরে স্মরণ করে।

নবাবগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলের পরিবহন শ্রমিক অমল নবাবগঞ্জ বাজারে একটি চায়ের দোকানে বসে গল্প করছেন। হঠাৎ এ প্রতিবেদক উপস্থিত হলেই নুরুল ইসলামস্যারের একটি ছবি তার মোবাইলে ধারণ করা, সেটি দেখিয়ে বলেন- ভাই দেখেন আমাদের অভিভাবক আজ নেই কিন্তু কথাগুলো মনে পড়ে। তিনি আমাদের অনেক ভালবাসতেন। আপন করে কাছে ডাকতেন। আল্লাহ যেন এ মানুষটিকে বেহেশতবাসী করে।

তার এ আবেগ অনুভূতি দেখে আমি বাকরূদ্ধ হলাম। বাংলাদেশের ব্যবসায়িক জগতের নক্ষত্র ও আলোর দিশারী যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সারা দিয়ে, দেশ মাতৃকার টানে জীবনবাজি রেখে যিনি ৭১ এর মুক্তিসংগ্রামে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নিয়ে ছিলেন হাতে। সেই হাতেই আবার শুরু করেন দেশে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ার কাজ সফলও হন তিনি এই কাজে।

একজন সফল শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি যেমন স্মরণীয় ও বরণীয় হয়ে আছেন দক্ষিণ এশিয়া তথা এশিয়া মহাদেশের প্রতিটি শিল্পপতি ও শিল্প উদ্যোক্তাদের কাছে। ঠিক তেমনি স্মরণীয় হয়ে আছেন, তার জন্মভূমি নবাবগঞ্জ দোহার উপজেলার প্রতিটি মানুষের হৃদয়জুড়ে।

দোহার ও নবাবগঞ্জবাসীর চোখে, তিনি বাবুল ভাই হিসেবে ব্যাপক পরিচিত একজন মানুষ ছিলেন। সমাজের নিচুতলা থেকে শুরু করে উচ্চপর্যায়ের মানুষ তাকে বাবুল ভাই হিসেবেই ডাকতে পছন্দ করতো। তিনিও তাদের এই আবেগময় ভালবাসার সুরে ডাকা বাবুল ভাই শুনতে খুবই পছন্দ করতেন। তিনি বলতেন কিরে কেমন আছো। বয়োজ্যোষ্ঠদের বলতেন ঢাকায় আসবেন আমার অফিসে। আমি থাকি তো সব সময় চলে আসবেন যে কোনো প্রয়োজনে।

দোহার নবাবগঞ্জবাসীর সেই পরমপ্রিয় মানুষটি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন ১ বছর হলো। তার মতো করে, কেউ আর বলে না, কিরে কেমন আছো, খবর কি, সব ঠিক আছে তো। কোন সমস্যা নাই তো। কালের গহীন অরণ্যে চীর দিনের জন্য তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেও একজন স্বপ্নবাজ,স্বপ্নের দিশারী, স্বপ্নের আলোকবর্তিকা খ্যাত ‘কঠিন দুর্যোগের সাহসী বীর নুরুল ইসলাম’ রেখে গেছেন তার কর্মময় জীবনের সৃষ্টিশীল ইতিহাস। যা আমাদের জন্য ও দেশের সমগ্র শিল্পপতি এবং নতুন নতুন শিল্প উদ্যোক্তাদের শিক্ষণীয়। যা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে পারবো।

তার বর্ণাঢ্যময় কর্মজীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল দুঃসাহসিকতায় ভরা কঠোর পরিশ্রমে ভরপুর এক অধ্যায়। সেই কর্মময় অভিজ্ঞতার কথা প্রায় বলতেন, এই অঞ্চলের বয়োজ্যোষ্ঠদের কাছে। কিভাবে তিনি নবাবগঞ্জের চুড়াইন কামারখোলা গ্রাম থেকে উঠে আসলেন। গড়ে তুললেন দেশের বৃহত্তম শিল্প প্রতিষ্ঠান যমুনা গ্রুপ।

তিনি প্রায় বলতেন ভয় হচ্ছে যে কোনো কাজ শুরু করার প্রধান বাধা, তাই আমাদের সবাইকে সাহসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। কাজ করতে হবে, কাজ করতে হবে, যার কোনো বিকল্প নেই। তার অভাব যেন কোনোভাবেই পূরণ হচ্ছে দোহার নবাবগঞ্জ অঞ্চল তথা দেশের। তার মৃত্যু যেন নবাবগঞ্জ দোহারবাসীর জন্য অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে এনেছে, সেটা তারা প্রায় অনুভব করছেন।

দামী গাড়িতে চড়েও তিনি কখনো ভুলেননি সাধারণ মানুষের কথা, এলাকার মানুষের কথা। প্রতি বছর ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবে গ্রামের সবাইকে দাওয়াত করে খাওয়াতেন, তাদের সঙ্গে খোশগল্পে কাটাতেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। সবাই এমন দিনটির প্রতীক্ষায় থাকতো কবে আসবে তাদের বাবুল ভাই গ্রামে। তার কাছে ছিল না কোন দলমতের পার্থক্য। সবাই সমান।

এমন কথা জানালেন বাংলাদেশ কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মো. আবুল হোসেন। তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম শুধু আমাদের দোহার নবাবগঞ্জ নয়, সারা দেশের মানুষের কাছে একজন সাহসী বীরপুরুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। যার কর্মময় জীবন থেকে শেখার আছে অনেক কিছু আমাদের। তিনি দেশ ও জাতীর কঠিন দুর্যোগময় সময়ে রাষ্ট্রের পাশে দাঁড়িয়েছেন সহযোগিতার হাত নিয়ে। স্বাধীনতার স্বপক্ষের এই বীর সৈনিকের প্রতি আমার সশ্রদ্ধ সালাম।

দোহার নবাবগঞ্জে এমন হাজারও রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধাগণ তাকে স্মরণ করে প্রতিনিয়ত তার স্নেহ, ভালবাসা ও সুসম্পর্কের কথা স্মরণ করে এই অঞ্চলে। তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানায় তারা বিশেষ দিনগুলোতে। আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু তার দেশ ও জাতির উন্নয়নে করা ভাবনাগুলো রয়ে গেছে আমাদের মাঝে। বিশাল শিল্পগোষ্ঠীর চেয়ারম্যান হয়েও তিনি সারাক্ষণ ভাবতেন দেশের উন্নয়ন হবে কিভাবে। কি করলে আরও জনবল নিয়োগ করার মাধ্যমে দেশের বেকার সমস্যার সমাধান করা যাবে। এমন চিন্তাই যেন সব সময় ঘুরপাক খেতে তার মাথায়।

তিনি প্রায় বলতেন, বিদেশে টাকা সরিয়ে কি হবে, লাভ কি। দেশে শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে হবে তবেই তো দেশ উন্নত হবে। বেকার সমস্যার সমাধান করতে তিনি দেশে অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন।

নবাবগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান চুন্নু নুরুল ইসলামের স্মৃতিকথা বলতে গিয়ে জানান, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্যের চাকা বদলে যিনি সর্বদা সংগ্রাম করেছেন তিনিই নবাবগঞ্জের বাবুল ভাই। তিনি শুধু মাতৃভূমি রক্ষায় যুদ্ধ করেননি। অর্থনৈতিক চাকা বদলের জন্যও সংগ্রাম করেছেন। তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

মানুষের স্মৃতিতে অম্লান নবাবগঞ্জের নুরুল ইসলাম

 আজহারুল হক, নবাবগঞ্জ (ঢাকা) 
১২ জুলাই ২০২১, ১০:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দিন শেষে মাস গড়িয়ে বছর পার হলো। গত বছরের ১৩ জুলাই দোহার নবাবগঞ্জের হাজারো মানুষের দুর্দিনের ঠিকানা নুরুল ইসলাম আমাদের অভিভাবক শূন্য করে চির বিদায় নেন। তিনি নেই কিন্তু তার কর্ম তো আর মরে যায়নি।

তিনি যে দোহার নবাবগঞ্জের খেটে খাওয়া মানুষের মনের মন্দিরে স্থান করে নিয়েছিলেন তা আজো প্রমাণ মিলে হাজারো মানুষের গল্পের ছলে। মাঠে ঘাটে হাটে বাজারে ছেয়ার টেবিলে নবাবগঞ্জের প্রান্তিক মানুষগুলো যেন তাকে ঠুকরে ঠুকরে স্মরণ করে।

নবাবগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলের পরিবহন শ্রমিক অমল নবাবগঞ্জ বাজারে একটি চায়ের দোকানে বসে গল্প করছেন। হঠাৎ এ প্রতিবেদক উপস্থিত হলেই নুরুল ইসলাম স্যারের একটি ছবি তার মোবাইলে ধারণ করা, সেটি দেখিয়ে বলেন- ভাই দেখেন আমাদের অভিভাবক আজ নেই কিন্তু কথাগুলো মনে পড়ে। তিনি আমাদের অনেক ভালবাসতেন। আপন করে কাছে ডাকতেন। আল্লাহ যেন এ মানুষটিকে বেহেশতবাসী করে।

তার এ আবেগ অনুভূতি দেখে আমি বাকরূদ্ধ হলাম। বাংলাদেশের ব্যবসায়িক জগতের নক্ষত্র ও আলোর দিশারী যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সারা দিয়ে, দেশ মাতৃকার টানে জীবনবাজি রেখে যিনি ৭১ এর মুক্তিসংগ্রামে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নিয়ে ছিলেন হাতে। সেই হাতেই আবার শুরু করেন দেশে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ার কাজ সফলও হন তিনি এই কাজে।

একজন সফল শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি যেমন স্মরণীয় ও বরণীয় হয়ে আছেন দক্ষিণ এশিয়া তথা এশিয়া মহাদেশের প্রতিটি শিল্পপতি ও শিল্প উদ্যোক্তাদের কাছে। ঠিক তেমনি স্মরণীয় হয়ে আছেন, তার জন্মভূমি নবাবগঞ্জ দোহার উপজেলার প্রতিটি মানুষের হৃদয়জুড়ে।

দোহার ও নবাবগঞ্জবাসীর চোখে, তিনি বাবুল ভাই হিসেবে ব্যাপক পরিচিত একজন মানুষ ছিলেন। সমাজের নিচুতলা থেকে শুরু করে উচ্চপর্যায়ের মানুষ তাকে বাবুল ভাই হিসেবেই ডাকতে পছন্দ করতো। তিনিও তাদের এই আবেগময় ভালবাসার সুরে ডাকা বাবুল ভাই শুনতে খুবই পছন্দ করতেন। তিনি বলতেন কিরে কেমন আছো। বয়োজ্যোষ্ঠদের বলতেন ঢাকায় আসবেন আমার অফিসে। আমি থাকি তো সব সময় চলে আসবেন যে কোনো প্রয়োজনে।

দোহার নবাবগঞ্জবাসীর সেই পরমপ্রিয় মানুষটি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন ১ বছর হলো। তার মতো করে, কেউ আর বলে না, কিরে কেমন আছো, খবর কি, সব ঠিক আছে তো। কোন সমস্যা নাই তো। কালের গহীন অরণ্যে চীর দিনের জন্য তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেও একজন স্বপ্নবাজ,স্বপ্নের দিশারী, স্বপ্নের আলোকবর্তিকা খ্যাত ‘কঠিন দুর্যোগের সাহসী বীর নুরুল ইসলাম’ রেখে গেছেন তার কর্মময় জীবনের সৃষ্টিশীল ইতিহাস। যা আমাদের জন্য ও দেশের সমগ্র শিল্পপতি এবং নতুন নতুন শিল্প উদ্যোক্তাদের শিক্ষণীয়। যা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে পারবো।

তার বর্ণাঢ্যময় কর্মজীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল দুঃসাহসিকতায় ভরা কঠোর পরিশ্রমে ভরপুর এক অধ্যায়। সেই কর্মময় অভিজ্ঞতার কথা প্রায় বলতেন, এই অঞ্চলের বয়োজ্যোষ্ঠদের কাছে। কিভাবে তিনি নবাবগঞ্জের চুড়াইন কামারখোলা গ্রাম থেকে উঠে আসলেন। গড়ে তুললেন দেশের বৃহত্তম শিল্প প্রতিষ্ঠান যমুনা গ্রুপ।

তিনি প্রায় বলতেন ভয় হচ্ছে যে কোনো কাজ শুরু করার প্রধান বাধা, তাই আমাদের সবাইকে সাহসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। কাজ করতে হবে, কাজ করতে হবে, যার কোনো বিকল্প নেই। তার অভাব যেন কোনোভাবেই পূরণ হচ্ছে দোহার নবাবগঞ্জ অঞ্চল তথা দেশের। তার মৃত্যু যেন নবাবগঞ্জ দোহারবাসীর জন্য অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে এনেছে, সেটা তারা প্রায় অনুভব করছেন।

দামী গাড়িতে চড়েও তিনি কখনো ভুলেননি সাধারণ মানুষের কথা, এলাকার মানুষের কথা। প্রতি বছর ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবে গ্রামের সবাইকে দাওয়াত করে খাওয়াতেন, তাদের সঙ্গে খোশগল্পে কাটাতেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। সবাই এমন দিনটির প্রতীক্ষায় থাকতো কবে আসবে তাদের বাবুল ভাই গ্রামে। তার কাছে ছিল না কোন দলমতের পার্থক্য। সবাই সমান।

এমন কথা জানালেন বাংলাদেশ কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মো. আবুল হোসেন। তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম শুধু আমাদের দোহার নবাবগঞ্জ নয়, সারা দেশের মানুষের কাছে একজন সাহসী বীরপুরুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। যার কর্মময় জীবন থেকে শেখার আছে অনেক কিছু আমাদের। তিনি দেশ ও জাতীর কঠিন দুর্যোগময় সময়ে রাষ্ট্রের পাশে দাঁড়িয়েছেন সহযোগিতার হাত নিয়ে। স্বাধীনতার স্বপক্ষের এই বীর সৈনিকের প্রতি আমার সশ্রদ্ধ সালাম।

দোহার নবাবগঞ্জে এমন হাজারও রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধাগণ তাকে স্মরণ করে প্রতিনিয়ত তার স্নেহ, ভালবাসা ও সুসম্পর্কের কথা স্মরণ করে এই অঞ্চলে। তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানায় তারা বিশেষ দিনগুলোতে। আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু তার দেশ ও জাতির উন্নয়নে করা ভাবনাগুলো রয়ে গেছে আমাদের মাঝে। বিশাল শিল্পগোষ্ঠীর চেয়ারম্যান হয়েও তিনি সারাক্ষণ ভাবতেন দেশের উন্নয়ন হবে কিভাবে। কি করলে আরও জনবল নিয়োগ করার মাধ্যমে দেশের বেকার সমস্যার সমাধান করা যাবে। এমন চিন্তাই যেন সব সময় ঘুরপাক খেতে তার মাথায়।

তিনি প্রায় বলতেন, বিদেশে টাকা সরিয়ে কি হবে, লাভ কি। দেশে শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে হবে তবেই তো দেশ উন্নত হবে। বেকার সমস্যার সমাধান করতে তিনি  দেশে অনেক শিল্প  প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন।

নবাবগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান চুন্নু নুরুল ইসলামের স্মৃতিকথা বলতে গিয়ে জানান, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্যের চাকা বদলে যিনি সর্বদা সংগ্রাম করেছেন তিনিই নবাবগঞ্জের বাবুল ভাই। তিনি শুধু মাতৃভূমি রক্ষায় যুদ্ধ করেননি। অর্থনৈতিক চাকা বদলের জন্যও সংগ্রাম করেছেন। তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : স্বপ্নদ্রষ্টার মৃত্যু নাই

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন