যমুনার ভাঙনে বিলীনের পথে সেতুটি
jugantor
যমুনার ভাঙনে বিলীনের পথে সেতুটি

  রফিক মোল্লা, চৌহালী (সিরাজগঞ্জ)  

১৪ জুলাই ২০২১, ১৭:৫১:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে বসতভিটা বিলীনের পর এবার যমুনার ভাঙনের মুখে পড়েছে বিনানই পশ্চিমপাড়া সেতু।

বুধবার সকালে সরেজমিন জানা যায়, যমুনার ক্রমাগত ভাঙনে গত ১ মাসের ব্যবধানে বিনাইন গ্রামের প্রায় অর্ধশত বসতভিটা, কমিউনিটি ক্লিনিক ও হাট-বাজার বিলীনের পর পশ্চিমপাড়া খালের উপর নির্মিত সেতুটি বিলীন হওয়ার পথে।

স্থানীয়রা জানান, এক যুগ আগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ দপ্তরের প্রায় ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে বিনানই পশ্চিমপাড়া খালে প্রায় ২২ ফুট দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এ সেতু দিয়ে প্রতিদিনই সম্ভুদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, কারিগরি কলেজ, বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, বিনানই কমিউনিটি ক্লিনিক, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাফিজিয়া মাদ্রাসা, পশ্চিমপাড়া হাট-বাজারসহ ৬টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করতেন।

তবে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি ও কমার সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলে তীব্র ভাঙন দেখা দেয়। এতে শুরু হয় একে একে বিলীনের তাণ্ডবলীলা। এ নিয়ে ১ জুলাই দৈনিক যুগান্তরে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। পরে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রায় ১০ হাজার জিও ব্যাগ ডাম্পিং কাজ শুরু হয়। তবে সেটা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম বলে জানিয়েছেন যমুনাপাড়ের ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা।

এ বিষয়ে সম্ভুদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কাহহার সিদ্দিকী জানান, বিনানই সেতুটি যে কোনো সময় নদীগর্ভে চলে যাবে। চৌহালী দক্ষিণাঞ্চলকে রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী তীর সংরক্ষণ বাঁধের কাজ শুরু করতে হবে। কাজ না হলে উচ্চ ও প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইউনিয়ন পরিষদ, কারিগরি কলেজ ও হাট-বাজারসহ বহু ঘরবাড়ি নদীগর্ভে চলে যাবে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, বিনানই নদীভাঙন এলাকায় জরুরি জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ চলমান রয়েছে। তবে স্থায়ী কাজের একটি প্রকল্প জমা দেয়া হয়েছে। অনুমোদন হলেই কাজ শুরু হবে।

যমুনার ভাঙনে বিলীনের পথে সেতুটি

 রফিক মোল্লা, চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) 
১৪ জুলাই ২০২১, ০৫:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে বসতভিটা বিলীনের পর এবার যমুনার ভাঙনের মুখে পড়েছে বিনানই পশ্চিমপাড়া সেতু। 

বুধবার সকালে সরেজমিন জানা যায়, যমুনার ক্রমাগত ভাঙনে গত ১ মাসের ব্যবধানে বিনাইন গ্রামের প্রায় অর্ধশত বসতভিটা, কমিউনিটি ক্লিনিক ও হাট-বাজার বিলীনের পর পশ্চিমপাড়া খালের উপর নির্মিত সেতুটি বিলীন হওয়ার পথে। 

স্থানীয়রা জানান, এক যুগ আগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ দপ্তরের প্রায় ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে বিনানই পশ্চিমপাড়া খালে প্রায় ২২ ফুট দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এ সেতু দিয়ে প্রতিদিনই সম্ভুদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, কারিগরি কলেজ, বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, বিনানই কমিউনিটি ক্লিনিক, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাফিজিয়া মাদ্রাসা, পশ্চিমপাড়া হাট-বাজারসহ ৬টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করতেন।

তবে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি ও কমার সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলে তীব্র ভাঙন দেখা দেয়। এতে শুরু হয় একে একে বিলীনের তাণ্ডবলীলা। এ নিয়ে ১ জুলাই দৈনিক যুগান্তরে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। পরে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রায় ১০ হাজার জিও ব্যাগ ডাম্পিং কাজ শুরু হয়। তবে সেটা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম বলে জানিয়েছেন যমুনাপাড়ের ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা। 

এ বিষয়ে সম্ভুদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কাহহার সিদ্দিকী জানান, বিনানই সেতুটি যে কোনো সময় নদীগর্ভে চলে যাবে। চৌহালী দক্ষিণাঞ্চলকে রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী তীর সংরক্ষণ বাঁধের কাজ শুরু করতে হবে। কাজ না হলে উচ্চ ও প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইউনিয়ন পরিষদ, কারিগরি কলেজ ও হাট-বাজারসহ বহু ঘরবাড়ি নদীগর্ভে চলে যাবে। 

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, বিনানই নদীভাঙন এলাকায় জরুরি জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ চলমান রয়েছে। তবে স্থায়ী কাজের একটি প্রকল্প জমা দেয়া হয়েছে। অনুমোদন হলেই কাজ শুরু হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন