রোহিঙ্গা শিবিরে মৌলবীকে খুন করে লাশ ফেলে দেয় ড্রেনে
jugantor
রোহিঙ্গা শিবিরে মৌলবীকে খুন করে লাশ ফেলে দেয় ড্রেনে

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

১৪ জুলাই ২০২১, ২২:২৪:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

টেকনাফ নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শাকের নামের এক রোহিঙ্গা মৌলবীকে খুন করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার পর লাশ রাস্তার পাশে ড্রেনে ফেলে দেয়।

মঙ্গলবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের গার্মেন্টস এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে এপিবিএন সদস্যরা লাশ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ১০ জনকে আটক করেছে এপিবিএন।

নিহত মো. শাকের নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্প, ব্লক-সি, শেড নং-৮৯২/১ এর আবু তালেবের ছেলে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) অধিনায়ক এসপি মো. তারিকুল ইসলাম তারিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের বি ব্লকে মো. এনামত প্রকাশ এনাম ও মো. শাকেরকে পূর্বশত্রুতার জের ধরে মারধর ও মাথায় টর্চলাইট দিয়ে আঘাত করে রাস্তার পাশে ড্রেনে ফেলে রাখে। পরে খবর পেয়ে ক্যাম্প অভ্যন্তরে নিয়োজিত টহলরত অফিসার ও ফোর্স তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শাকের উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী আইপিডি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে নয়াপাড়া এপিবিএন ক্যাম্পের একাধিক চৌকস টিম ও টেকনাফ থানা পুলিশ সম্ভাব্য সকল স্থানে যৌথ অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১০ জনকে আটক করে।

এদিকে সাধারণ রোহিঙ্গারা বলছে, হত্যাকাণ্ডের শিকার শাকের ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স হিসেবে পরিচিত। এ কারণে সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করেছে বলে ধারণা তাদের।

জানা গেছে, নিহত মৌলবী শাকেরের সঙ্গে বিভিন্ন কারণে ক্যাম্পের ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী গ্রুপ প্রধান জকির ডাকাতের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ ছিল। এ কারণে ভয়ে জকির ডাকাতের মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি প্রায় এক বছর ধরে ক্যাম্পের বাইরে অবস্থান করেছেন। তবে কয়েক মাস আগে জহির ডাকাত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলে মৌলবী শাকের আবার ক্যাম্পে ফিরে আসেন। সেখানে একটি মেকানিক্যাল দোকান পরিচালনা করতেন।

রোহিঙ্গা শিবিরে মৌলবীকে খুন করে লাশ ফেলে দেয় ড্রেনে

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
১৪ জুলাই ২০২১, ১০:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টেকনাফ নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শাকের নামের এক রোহিঙ্গা মৌলবীকে খুন করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার পর লাশ রাস্তার পাশে ড্রেনে ফেলে দেয়। 

মঙ্গলবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের গার্মেন্টস এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে এপিবিএন সদস্যরা লাশ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ১০ জনকে আটক করেছে এপিবিএন।

নিহত মো. শাকের নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্প, ব্লক-সি, শেড নং-৮৯২/১ এর আবু তালেবের ছেলে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) অধিনায়ক এসপি মো. তারিকুল ইসলাম তারিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের বি ব্লকে মো. এনামত প্রকাশ এনাম ও মো. শাকেরকে পূর্বশত্রুতার জের ধরে মারধর ও মাথায় টর্চলাইট দিয়ে আঘাত করে রাস্তার পাশে ড্রেনে ফেলে রাখে। পরে খবর পেয়ে ক্যাম্প অভ্যন্তরে নিয়োজিত টহলরত অফিসার ও ফোর্স তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শাকের উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী আইপিডি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে নয়াপাড়া এপিবিএন ক্যাম্পের একাধিক চৌকস টিম ও টেকনাফ থানা পুলিশ সম্ভাব্য সকল স্থানে যৌথ অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১০ জনকে আটক করে।

এদিকে সাধারণ রোহিঙ্গারা বলছে, হত্যাকাণ্ডের শিকার শাকের ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স হিসেবে পরিচিত। এ কারণে সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করেছে বলে ধারণা তাদের।

জানা গেছে, নিহত মৌলবী শাকেরের সঙ্গে বিভিন্ন কারণে ক্যাম্পের ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী গ্রুপ প্রধান জকির ডাকাতের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ ছিল। এ কারণে ভয়ে জকির ডাকাতের মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি প্রায় এক বছর ধরে ক্যাম্পের বাইরে অবস্থান করেছেন। তবে কয়েক মাস আগে জহির ডাকাত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলে মৌলবী শাকের আবার ক্যাম্পে ফিরে আসেন। সেখানে একটি মেকানিক্যাল দোকান পরিচালনা করতেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন