১৫ কেজির কাতলা রেখে পালালেন মাছ শিকারি 
jugantor
১৫ কেজির কাতলা রেখে পালালেন মাছ শিকারি 

  হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

১৬ জুলাই ২০২১, ১৬:০৭:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

ছবি-যুগান্তর

দেশের অন্যতম মিঠা পানির প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র ও বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হালদা নদীর ১৫ কেজি ওজনের মা কাতলা মাছের স্বাদ নিতে পারলেন না ক্রেতারা।

বড়শি দিয়ে অবৈধভাবে হালদা নদী থেকে এক অসাধু মাছ শিকারি মাছটি শিকার করে বাজারে বিক্রি করার সময় জব্দ করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মেখল ইউনিয়ন মোজাফফরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, অবৈধভাবে মাছটি শিকারের পর বাজারে বিক্রি করার সময় দুই ক্রেতার মধ্যে দাম নিয়ে তর্কাতর্কি হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় জনতা বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করে। ততক্ষণে ওই মাছ শিকারি ও দুই ক্রেতা মাছ বিকিকিনি বাদ দিয়ে নিরাপদ স্থানে পালিয়ে যান।

পরে এ ঘটনার খবর পেয়ে দিনগত রাত ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহিদুল আলম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাতলা মাছটি জব্দ করার আদেশ দেন।

পরে মাছটি চবি (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়) প্রাণিবিদ্যা বিভাগে গবেষণার জন্য পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে ইউএনও মো. শাহিদুর আলম বলেন, হালদা নদীর ১৫ কেজি মা কাতলা মাছ অসাধু ব্যক্তিরা নদী থেকে শিকার করে বাজারে বিক্রি করার সময় স্থানীয় মানুষের সন্দেহ হলে আমার কাছে ফোন করেন। সংবাদ পেয়ে ওই এলাকায় গিয়ে কাতলা মাছটি জব্দ করি। তবে মাছ শিকারি পালিয়ে গেছে।

তিনি আরও জানান, জব্দ করা কাতলা মাছটি হালদা গবেষণা কেন্দ্রে সংরক্ষণের জন্য চবি প্রণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল কিবরিয়ার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণিবিদ্যা বিভাগ অধ্যাপক ও হালদা নদী গবেষক ড. মঞ্জুরুল কিবরিয়া বলেন, হালদা নদীর ১৫ কেজি ওজনের মা কাতলা মাছটি গবেষণার জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। ছয় বছর বয়সের কাতলাটি লম্বা ৪০ ইঞ্চি, উচ্চতা ১৩ ইঞ্চি।

তিনি আরও বলেন, নদীতে প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধি না করায়, অসাধু শিকারি নদীতে বড়শি দিয়ে মা মাছ ধরছে।

১৫ কেজির কাতলা রেখে পালালেন মাছ শিকারি 

 হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
১৬ জুলাই ২০২১, ০৪:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ছবি-যুগান্তর
ছবি-যুগান্তর

দেশের অন্যতম মিঠা পানির প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র ও বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হালদা নদীর ১৫ কেজি ওজনের মা কাতলা মাছের স্বাদ নিতে পারলেন না ক্রেতারা। 

বড়শি দিয়ে অবৈধভাবে হালদা নদী থেকে এক অসাধু মাছ শিকারি মাছটি শিকার করে বাজারে বিক্রি করার সময় জব্দ করা হয়েছে।  

গত বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মেখল ইউনিয়ন মোজাফফরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, অবৈধভাবে মাছটি শিকারের পর বাজারে বিক্রি করার সময় দুই ক্রেতার মধ্যে দাম নিয়ে তর্কাতর্কি হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় জনতা বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করে। ততক্ষণে ওই মাছ শিকারি ও দুই ক্রেতা মাছ বিকিকিনি বাদ দিয়ে নিরাপদ স্থানে পালিয়ে যান। 

পরে এ ঘটনার খবর পেয়ে দিনগত রাত ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহিদুল আলম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাতলা মাছটি জব্দ করার আদেশ দেন। 

পরে মাছটি চবি (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়) প্রাণিবিদ্যা বিভাগে গবেষণার জন্য পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে ইউএনও মো. শাহিদুর আলম বলেন, হালদা নদীর ১৫ কেজি মা কাতলা মাছ অসাধু ব্যক্তিরা নদী থেকে শিকার করে বাজারে বিক্রি করার সময় স্থানীয় মানুষের সন্দেহ হলে আমার কাছে ফোন করেন। সংবাদ পেয়ে ওই এলাকায় গিয়ে কাতলা মাছটি জব্দ করি। তবে মাছ শিকারি পালিয়ে গেছে। 

তিনি আরও জানান, জব্দ করা কাতলা মাছটি হালদা গবেষণা কেন্দ্রে সংরক্ষণের জন্য চবি প্রণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল কিবরিয়ার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণিবিদ্যা বিভাগ অধ্যাপক ও হালদা নদী গবেষক ড. মঞ্জুরুল কিবরিয়া বলেন, হালদা নদীর ১৫ কেজি ওজনের মা কাতলা মাছটি গবেষণার জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। ছয় বছর বয়সের কাতলাটি লম্বা ৪০ ইঞ্চি, উচ্চতা ১৩ ইঞ্চি।

তিনি আরও বলেন, নদীতে প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধি না করায়, অসাধু শিকারি নদীতে বড়শি দিয়ে মা মাছ ধরছে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন