প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্বামীকে হত্যার পর বালুচাপা দেয় স্ত্রী
jugantor
প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্বামীকে হত্যার পর বালুচাপা দেয় স্ত্রী

  গাজীপুর প্রতিনিধি  

১৯ জুলাই ২০২১, ০০:৪৭:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

নিজের থেকে ছয় বছরের ছোট প্রেমিকের সঙ্গে সংসার করার পরিকল্পনা করে রুপালী খাতুন (২৫)। পরে স্বামী জাহিদুল ইসলামকে (৩০) দুধের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাত-পা চেপে ধরে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করে বালুচাপা দেয়া হয় লাশ।

পরে ঘটনার ১০ দিন পর গাজীপুর নগরীর কাশিমপুর শৈলডুবী এলাকার একটি নির্মাণাধীন বাড়ির কক্ষে বালুর নিচ থেকে ওই লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত জাহিদুল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী থানার চর বোয়ালমারী গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে।

এ ঘটনায় শনিবার রাতে নিহতের স্ত্রী কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী থানার বড়াইকান্দি গ্রামের শুকুর আলী দেওয়ানীর মেয়ে রুপালী খাতুন এবং তার প্রেমিক জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ থানার নীলেরচর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরকারের ছেলে মোহাম্মদ সুজন মিয়াকে (১৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (অপরাধ উত্তর) জাকির হাসান জানান, ভিকটিম জাহিদুলের স্ত্রী রুপালী খাতুনের সঙ্গে প্রেমিক সুজন মিয়ার বিগত ৮-৯ মাস যাবত প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। রুপালী বেশ কয়েকবার স্বামী জাহিদুলকে ফেলে প্রেমিক সুজনের কাছে জামালপুরে গ্রামের বাড়িতে চলে গিয়েছিল। এরই মধ্যে রুপালী তার স্বামী জাহিদুলকে হত্যা করে প্রেমিক সুজনের সঙ্গে সংসার করার পরিকল্পনা করে।

তিনি জানান, গত ৬ জুলাই রাত ১১টার দিকে ভিকটিম জাহিদুল বাসায় আসলে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী রুপালী দুধের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশেয়ে খাওয়ায়। রাত ১টার দিকে প্রেমিক সুজন ঘুমন্ত জাহিদের হাত-পা চেপে ধরে এবং রুপালী তার স্বামী ভিকটিমের উপরে চড়ে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে দুজনে মিলে বালির নিচে লাশ চাপা দেয়।

পরবর্তীতে গত শুক্রবার কাশিমপুর থানার পশ্চিম শৈলডুবী জনৈক ছোফর উদ্দিন ছাফফুর নির্মাণাধীন বাড়ির একটি কক্ষের বালুর নিচ থেকে ভিকটিম জাহিদুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে কুড়িগ্রাম এবং জামালপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে নিহতের স্ত্রী রুপালী খাতুন এবং তার প্রেমিক মোহাম্মদ সুজন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্বামীকে হত্যার পর বালুচাপা দেয় স্ত্রী

 গাজীপুর প্রতিনিধি 
১৯ জুলাই ২০২১, ১২:৪৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নিজের থেকে ছয় বছরের ছোট প্রেমিকের সঙ্গে সংসার করার পরিকল্পনা করে রুপালী খাতুন (২৫)। পরে স্বামী জাহিদুল ইসলামকে (৩০) দুধের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাত-পা চেপে ধরে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করে বালুচাপা দেয়া হয় লাশ।

পরে ঘটনার ১০ দিন পর গাজীপুর নগরীর কাশিমপুর শৈলডুবী এলাকার একটি নির্মাণাধীন বাড়ির কক্ষে বালুর নিচ থেকে ওই লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত জাহিদুল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী থানার চর বোয়ালমারী গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে।

এ ঘটনায় শনিবার রাতে নিহতের স্ত্রী কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী থানার বড়াইকান্দি গ্রামের শুকুর আলী দেওয়ানীর মেয়ে রুপালী খাতুন এবং তার প্রেমিক জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ থানার নীলেরচর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরকারের ছেলে মোহাম্মদ সুজন মিয়াকে (১৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (অপরাধ উত্তর) জাকির হাসান জানান, ভিকটিম জাহিদুলের স্ত্রী রুপালী খাতুনের সঙ্গে প্রেমিক সুজন মিয়ার বিগত ৮-৯ মাস যাবত প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। রুপালী বেশ কয়েকবার স্বামী জাহিদুলকে ফেলে প্রেমিক সুজনের কাছে জামালপুরে গ্রামের বাড়িতে চলে গিয়েছিল। এরই মধ্যে রুপালী তার স্বামী জাহিদুলকে হত্যা করে প্রেমিক সুজনের সঙ্গে সংসার করার পরিকল্পনা করে।

তিনি জানান, গত ৬ জুলাই রাত ১১টার দিকে ভিকটিম জাহিদুল বাসায় আসলে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী রুপালী দুধের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশেয়ে খাওয়ায়। রাত ১টার দিকে প্রেমিক সুজন ঘুমন্ত জাহিদের হাত-পা চেপে ধরে এবং রুপালী তার স্বামী ভিকটিমের উপরে চড়ে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে দুজনে মিলে বালির নিচে লাশ চাপা দেয়।

পরবর্তীতে গত শুক্রবার কাশিমপুর থানার পশ্চিম শৈলডুবী জনৈক ছোফর উদ্দিন ছাফফুর নির্মাণাধীন বাড়ির একটি কক্ষের বালুর নিচ থেকে ভিকটিম জাহিদুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে কুড়িগ্রাম এবং জামালপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে নিহতের স্ত্রী রুপালী খাতুন এবং তার প্রেমিক মোহাম্মদ সুজন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন