ঘুমন্ত অবস্থায় আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
jugantor
ঘুমন্ত অবস্থায় আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

  যুগান্তর প্রতিবেদন, বরগুনা  

১৯ জুলাই ২০২১, ১৮:২৪:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনা সদর উপজেলার ২নং গৌরীচন্না ইউনিয়নের খাজুরতলা গ্রামে বাদল খান (৬৫) নামে একজনকে ঘুমন্ত অবস্থায় কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত বাদল খান একই এলাকার হযরত আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের কর্মী।

জানা যায়, রোববার রাতের খাবার খেয়ে বাদল খান ও স্ত্রী লাভলী ইয়াসমিন ঘুমিয়ে যায়। রাত ৩টার দিকে হঠাৎ দরজা ভেঙে ৫-৭ জন দুর্বৃত্ত ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাদল খানের মাথার ডান পাশে কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়।

বাদল খানের স্ত্রী লাভলী ইয়াসমিন ডাক চিৎকার দিলে বাদলের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রুবি ও প্রতিবেশীরা বাদল খানকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিহার রঞ্জন বৌদ্ধ বাদল খানকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাদল খানের স্ত্রী লাভলী ইয়াসমিন বলেন, আমরা ঘরের মধ্য ঘুমিয়ে ছিলাম। একদল সন্ত্রাসীরা আমাদের ঘরের সামনের দরজা ভেঙ্গে কোনো কিছু না বলে আমার স্বামীকে কুপিয়ে চলে যায়। কি কারণে আমার স্বামীকে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করেছে তা বলতে পারছি না।

গৌরিচন্না ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল বাশার বলেন, বাদল খান আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। সিনিয়র হয়েও কখনো পদের জন্য রাজনীতি করেননি।

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ওসি কেএম তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শুনেই বাদল খানের সুরতহালের জন্য পুলিশ পাঠিয়েছি। এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম তদন্ত শুরু করেছে।

ঘুমন্ত অবস্থায় আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

 যুগান্তর প্রতিবেদন, বরগুনা 
১৯ জুলাই ২০২১, ০৬:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনা সদর উপজেলার ২নং গৌরীচন্না ইউনিয়নের খাজুরতলা গ্রামে বাদল খান (৬৫) নামে একজনকে ঘুমন্ত অবস্থায় কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত বাদল খান একই এলাকার হযরত আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের কর্মী।

জানা যায়, রোববার রাতের খাবার খেয়ে বাদল খান ও স্ত্রী লাভলী ইয়াসমিন ঘুমিয়ে যায়। রাত ৩টার দিকে হঠাৎ দরজা ভেঙে ৫-৭ জন দুর্বৃত্ত ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাদল খানের মাথার ডান পাশে কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়।

বাদল খানের স্ত্রী লাভলী ইয়াসমিন ডাক চিৎকার দিলে বাদলের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রুবি ও প্রতিবেশীরা বাদল খানকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিহার রঞ্জন বৌদ্ধ বাদল খানকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাদল খানের স্ত্রী লাভলী ইয়াসমিন বলেন, আমরা ঘরের মধ্য ঘুমিয়ে ছিলাম। একদল সন্ত্রাসীরা আমাদের ঘরের সামনের দরজা ভেঙ্গে কোনো কিছু না বলে আমার স্বামীকে কুপিয়ে চলে যায়। কি কারণে আমার স্বামীকে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করেছে তা বলতে পারছি না।

গৌরিচন্না ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল বাশার বলেন, বাদল খান আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। সিনিয়র হয়েও কখনো পদের জন্য রাজনীতি করেননি।

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ওসি কেএম তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শুনেই বাদল খানের সুরতহালের জন্য পুলিশ পাঠিয়েছি। এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম তদন্ত শুরু করেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন