মান্তাদের নৌকায় নৌকায় ঈদ 
jugantor
মান্তাদের নৌকায় নৌকায় ঈদ 

  যুগান্তর প্রতিবেদন, রাঙ্গাবালী   

২৩ জুলাই ২০২১, ০১:২৫:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

জলেভাসা মান্তা জনগোষ্ঠীর

ডাঙার ঘরে ঘরে ঈদ।পশু কোরবানি, রান্নাবান্না ও খাওয়া-দাওয়ার ধুম। কিন্তু রাঙ্গাবালীর জলেভাসামান্তা জনগোষ্ঠীর নৌকায় সেই আয়োজনের ছোঁয়াও লাগেনি।

অবশেষে ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিন তাদের নৌকায় ঈদ উদযাপিত হয়েছে। এই উদ্যোগের নেপথ্যে মুসলিম চ্যারিটি নামের একটি সংস্থা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই সংস্থার অর্থায়নে এসএমকেকের বাস্তবায়নে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের স্লুইসের ঘাটের ১২৫টি পরিবারের জন্য পাঁচটি গরু কোরবানি দেওয়া হয়।প্রত্যেকটি নৌকায় নৌকায়পৌঁছে দেওয়া হয় কোরবানির গরুর মাংস।

সরেজমিনে দেখা যায়, মাংস পেয়েকোনো নৌকায় রান্নাবান্না চলছে। আবার কোনো নৌকায় রান্নাবান্না শেষেচলছে খাওয়া দাওয়ার প্রস্তুতি।

মান্তা নৌকার বহরে থাকা মতিজান বিবি (৭০) বলেন, ‘আমরা নৌকায় থাকি মাছ ধরি, ঈদের দিন মাংস খাইতে মন চাইলেও আমরা কই পামু, আমরাতো কোরবানি দেই না। আমাগোকেউ কোরবানি দেয় না। তরে (ডাঙায়) গ্রামে যারা কোরবানি দেয়, আমরা তাদের কাছে যাই না। আর গেলেওতেমন ভালো চোখে দ্যাহে না।'

রুস্তুম সরদার (৭৫) বলেন, এই দুই বছর ধরে আমাগো জন্য হেরা (মুসলিম চ্যারিটি) ঈদে নৌকায় মাংস দিতাছে। তারা এই মাংস না দিলে আমরা টেরই পাইতাম না ঈদ কহন আয়, আর কহন যায়।

মান্তাদের নৌকায় নৌকায় ঈদ 

 যুগান্তর প্রতিবেদন, রাঙ্গাবালী  
২৩ জুলাই ২০২১, ০১:২৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
জলেভাসা মান্তা জনগোষ্ঠীর
জলেভাসা মান্তা জনগোষ্ঠীর মানুষদের মধ্যে কোরবানির গরুর মাংস বণ্টন করা হয়েছে। ছবি: যুগান্তর

ডাঙার ঘরে ঘরে ঈদ। পশু কোরবানি, রান্নাবান্না ও খাওয়া-দাওয়ার ধুম। কিন্তু রাঙ্গাবালীর জলেভাসা মান্তা জনগোষ্ঠীর নৌকায় সেই আয়োজনের ছোঁয়াও লাগেনি।

অবশেষে ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিন তাদের নৌকায় ঈদ উদযাপিত  হয়েছে। এই উদ্যোগের নেপথ্যে মুসলিম চ্যারিটি নামের একটি সংস্থা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই সংস্থার অর্থায়নে এসএমকেকের বাস্তবায়নে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের স্লুইসের ঘাটের ১২৫টি পরিবারের জন্য পাঁচটি গরু কোরবানি দেওয়া হয়। প্রত্যেকটি নৌকায় নৌকায় পৌঁছে দেওয়া হয় কোরবানির গরুর মাংস।

সরেজমিনে দেখা যায়, মাংস পেয়ে কোনো নৌকায় রান্নাবান্না চলছে। আবার কোনো নৌকায় রান্নাবান্না শেষে চলছে খাওয়া দাওয়ার প্রস্তুতি।
 
মান্তা নৌকার বহরে থাকা মতিজান বিবি (৭০) বলেন, ‘আমরা নৌকায় থাকি মাছ ধরি, ঈদের দিন মাংস খাইতে মন চাইলেও আমরা কই পামু, আমরাতো কোরবানি দেই না। আমাগো কেউ কোরবানি দেয় না। তরে (ডাঙায়) গ্রামে যারা কোরবানি দেয়, আমরা তাদের কাছে যাই না। আর গেলেও তেমন ভালো চোখে দ্যাহে না।'

রুস্তুম সরদার (৭৫) বলেন, এই দুই বছর ধরে আমাগো জন্য হেরা (মুসলিম চ্যারিটি) ঈদে নৌকায় মাংস দিতাছে। তারা এই মাংস না দিলে আমরা টেরই পাইতাম না ঈদ কহন আয়, আর কহন যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন