ঈদের ছুটিতে বিয়ের হিড়িক
jugantor
ঈদের ছুটিতে বিয়ের হিড়িক

  পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি  

২৩ জুলাই ২০২১, ১৮:১৩:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

লকডাউন না থাকায় এবারে ঈদুল আজহায় পীরগঞ্জে বিয়ের হিড়িক পড়েছে। ঈদের আগের দিন থেকে শুক্রবার পর্যন্ত উপজেলায় হিন্দু, মুসলিম ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে শতাধিক বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

উপজেলা নিকাহ রেজিস্ট্রার ও হিন্দু বিয়ে রেজিস্ট্রারের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে অনেক যুবক-যুবতী ছুটিতে বাড়ি এসেছেন। এদের অধিকাংশই গার্মেন্টকর্মী। এছাড়াও অন্য চাকরির সুবাদেও অনেকেই বাইরে অবস্থান করেন। করোনায় চলমান লকডাউন শিথিল তথা ঈদের আগে সরকার সপ্তাহখানেক লকডাউন তুলে নেওয়ায় জনজীবন স্বাভাবিক হয়।

এ সুযোগে অনেক পরিবার তাদের উঠতি বয়সের সন্তানদের বিয়ে দেওয়ার জন্য ঈদের ছুটিকেই বেছে নেন। সে অনুযায়ী গত ৪ দিনে শতাধিক বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

বিয়েবাড়ির সূত্রে জানা গেছে, ঈদের পরদিন বৃহস্পতিবারই পীরগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ধনশালা গ্রামে ১ মেয়ে ও ২ ছেলের বিয়ে হয়েছে। এর মধ্যে ধনশালা গ্রামের মতিয়ার রহমানের কন্যা মাহমুদা খাতুন তিমির (২০) বিয়ে হয়েছে পীরগঞ্জের মিঠিপুর ইউনিয়নে, একই গ্রামের খাজা সরকারের ছেলে পবন সরকার (২৫) উপজেলার ভেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নে এবং মৃত আকতার মণ্ডলের ছেলে জীবন মণ্ডল (২৫) উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নে বিয়ে করেছেন।

এ ব্যাপারে সদ্যবিবাহিত বর পবন সরকার বলেন, এ করোনায় আসলে আমরা সবাই ঘরবন্দি হয়ে আছি। কিন্তু বয়স তো থেমে নেই। তাই পরিবারের সিদ্ধান্তে আমাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হলো। বয়স হলে সম্ভাব্য সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়া অসম্ভব হবে- এমন চিন্তা মাথায় রেখেই পরিবার আমাকে বিয়ে করিয়েছে।

রায়পুর ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার মাসুদুর রহমান বলেন, এবারে বিয়ে বেশি হচ্ছে। আমার রায়পুর ইউনিয়নে প্রতিদিনই ৩-৪টি বিয়ে হচ্ছে।

উপজেলার একমাত্র হিন্দু বিয়ে রেজিস্ট্রার জীবন কুমার অধিকারী বলেন, এবারে ঈদুল আজহা উপলক্ষে বেশ কিছু বিয়ে হয়েছে এবং হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আগে হিন্দু বিয়ে রেজিস্ট্রি হতো না। এখন বিয়ে রেজিস্ট্রি হওয়ায় বিয়ের পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিরোদা রানী রায় বলেন, অনেক বিয়ের দাওয়াত পাচ্ছি কিন্তু সময় ও সুযোগের অভাবে দাওয়াত খেতে পারছি না। এতে অনেকেই মনে কষ্ট পাচ্ছেন।

দেশে করোনার পরিস্থতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, আপনারা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সামাজিক আচার, অনুষ্ঠানগুলো সীমিত পরিসরে পালন করুন। বেঁচে থাকলে এমন অনুষ্ঠান ঘটা করে পালন করা যাবে।

ঈদের ছুটিতে বিয়ের হিড়িক

 পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 
২৩ জুলাই ২০২১, ০৬:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

লকডাউন না থাকায় এবারে ঈদুল আজহায় পীরগঞ্জে বিয়ের হিড়িক পড়েছে। ঈদের আগের দিন থেকে শুক্রবার পর্যন্ত উপজেলায় হিন্দু, মুসলিম ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে শতাধিক বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

উপজেলা নিকাহ রেজিস্ট্রার ও হিন্দু বিয়ে রেজিস্ট্রারের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে অনেক যুবক-যুবতী ছুটিতে বাড়ি এসেছেন। এদের অধিকাংশই গার্মেন্টকর্মী। এছাড়াও অন্য চাকরির সুবাদেও অনেকেই বাইরে অবস্থান করেন। করোনায় চলমান লকডাউন শিথিল তথা ঈদের আগে সরকার সপ্তাহখানেক লকডাউন তুলে নেওয়ায় জনজীবন স্বাভাবিক হয়। 

এ সুযোগে অনেক পরিবার তাদের উঠতি বয়সের সন্তানদের বিয়ে দেওয়ার জন্য ঈদের ছুটিকেই বেছে নেন। সে অনুযায়ী গত ৪ দিনে শতাধিক বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

বিয়েবাড়ির সূত্রে জানা গেছে, ঈদের পরদিন বৃহস্পতিবারই পীরগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ধনশালা গ্রামে ১ মেয়ে ও ২ ছেলের বিয়ে হয়েছে। এর মধ্যে ধনশালা গ্রামের মতিয়ার রহমানের কন্যা মাহমুদা খাতুন তিমির (২০) বিয়ে হয়েছে পীরগঞ্জের মিঠিপুর ইউনিয়নে, একই গ্রামের খাজা সরকারের ছেলে পবন সরকার (২৫) উপজেলার ভেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নে এবং মৃত আকতার মণ্ডলের ছেলে জীবন মণ্ডল (২৫) উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নে বিয়ে করেছেন। 

এ ব্যাপারে সদ্যবিবাহিত বর পবন সরকার বলেন, এ করোনায় আসলে আমরা সবাই ঘরবন্দি হয়ে আছি। কিন্তু বয়স তো থেমে নেই। তাই পরিবারের সিদ্ধান্তে আমাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হলো। বয়স হলে সম্ভাব্য সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়া অসম্ভব হবে- এমন চিন্তা মাথায় রেখেই পরিবার আমাকে বিয়ে করিয়েছে।

রায়পুর ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার মাসুদুর রহমান বলেন, এবারে বিয়ে বেশি হচ্ছে। আমার রায়পুর ইউনিয়নে প্রতিদিনই ৩-৪টি বিয়ে হচ্ছে। 

উপজেলার একমাত্র হিন্দু বিয়ে রেজিস্ট্রার জীবন কুমার অধিকারী বলেন, এবারে ঈদুল আজহা উপলক্ষে বেশ কিছু বিয়ে হয়েছে এবং হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আগে হিন্দু বিয়ে রেজিস্ট্রি হতো না। এখন বিয়ে রেজিস্ট্রি হওয়ায় বিয়ের পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছে। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিরোদা রানী রায় বলেন, অনেক বিয়ের দাওয়াত পাচ্ছি কিন্তু সময় ও সুযোগের অভাবে দাওয়াত খেতে পারছি না। এতে অনেকেই মনে কষ্ট পাচ্ছেন। 

দেশে করোনার পরিস্থতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, আপনারা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সামাজিক আচার, অনুষ্ঠানগুলো সীমিত পরিসরে পালন করুন। বেঁচে থাকলে এমন অনুষ্ঠান ঘটা করে পালন করা যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন