লকডাউনে টিকটক, এক পা উঁচু করে ১৫ মিনিট
jugantor
লকডাউনে টিকটক, এক পা উঁচু করে ১৫ মিনিট

  রাজু আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ  

২৪ জুলাই ২০২১, ০০:১৭:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

টিকটক যেন বানাতেই হবে তাদের। কঠিন করোনা পরিস্থিতি হোক কিংবা কঠোর বিধি নিষেধ। কিন্তু বাঁধ সাধলেন আনসার ও বিজিবি সদস্যরা। শেষে জরিমানার বদলে এক পা উঁচু করে ১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার শাস্তি পেলেন ২ ‘টিকটক’ কিশোর।

শুক্রবার বিকালে চাষাঢ়া শান্ত্বনা মার্কেটের সামনে এভাবেই লকডাউন অমান্যকারীদের এক পা তুলে দাঁড় করিয়ে রাখেন বিজিবি ও আনসার সদস্যরা। জরিমানার বদলে অভিনব এই শাস্তি প্রদান করায় অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন আইন শৃঙ্খলায় নিয়োজিতদের।

চাষাড়ায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরা জানালেন, শুক্রবার বিকালে মাসুদ (১৮) ও আল আমিন (১৮) নামে দুই কিশোর হেঁটে পাড় হচ্ছিলেন চাষাঢ়া চত্বর। পথিমধ্যে আনসার সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েন তারা। একবার বলছেন কাজে যাবেন আবার বলছেন ঈদগাহে যাবেন। বাধ্য হয়ে পাঠানো হয় বিজিবির কাছে। বিজিবি সদস্যরা চেপে ধরতেই উভয়েই বলে দেন আসল তথ্য।

মাসুদ জানায়, শুক্রবার টিকটক ভিডিও বানাতে কেন্দ্রীয় ঈদগাহের দিকে যাচ্ছিলেন তারা। লকডাউন জানা থাকলেও কেউ কিছু বলবে না এমন ভরসাতেই বের হয়েছিলেন। কিন্তু শাস্তির মুখোমুখি হবার পর এখন ক্ষমা চেয়ে ফিরে যেতে চান নিজ বাড়িতে।

একইভাবে আরেক কিশোর আল আমিন জানায়, শুক্রবার ঘরে বসে থাকতে ভালো লাগছিল না তার। বাসায় বসে থাকতে থাকতে বিরক্ত হয়ে গেছেন তিনি। তাই বন্ধু মাসুদকে সঙ্গে নিয়ে চাচার বাসায় যাচ্ছেন। ঈদের ছুটিতে বেড়িয়ে আসার জন্যেই লকডাউনের মাঝে বের হয়েছেন তারা। উভয়ের ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্যের পরে শাস্তি দেয়া হয় এক পা তুলে দাঁড়িয়ে থাকার নির্দেশ। ১৫ মিনিট পর ছেড়ে দেয়া হয় উভয়কেই। তবে ঈদগাহের দিকে নয়, তাদের বাড়ি দেওভোগের দিকেই ফিরে যেতে বাধ্য করেন তারা।

লকডাউনে টিকটক, এক পা উঁচু করে ১৫ মিনিট

 রাজু আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ 
২৪ জুলাই ২০২১, ১২:১৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টিকটক যেন বানাতেই হবে তাদের। কঠিন করোনা পরিস্থিতি হোক কিংবা কঠোর বিধি নিষেধ। কিন্তু বাঁধ সাধলেন আনসার ও বিজিবি সদস্যরা। শেষে জরিমানার বদলে এক পা উঁচু করে ১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার শাস্তি পেলেন ২ ‘টিকটক’ কিশোর।

শুক্রবার বিকালে চাষাঢ়া শান্ত্বনা মার্কেটের সামনে এভাবেই লকডাউন অমান্যকারীদের এক পা তুলে দাঁড় করিয়ে রাখেন বিজিবি ও আনসার সদস্যরা। জরিমানার বদলে অভিনব এই শাস্তি প্রদান করায় অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন আইন শৃঙ্খলায় নিয়োজিতদের।

চাষাড়ায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরা জানালেন, শুক্রবার বিকালে মাসুদ (১৮) ও আল আমিন (১৮) নামে দুই কিশোর হেঁটে পাড় হচ্ছিলেন চাষাঢ়া চত্বর। পথিমধ্যে আনসার সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েন তারা। একবার বলছেন কাজে যাবেন আবার বলছেন ঈদগাহে যাবেন। বাধ্য হয়ে পাঠানো হয় বিজিবির কাছে। বিজিবি সদস্যরা চেপে ধরতেই উভয়েই বলে দেন আসল তথ্য।

মাসুদ জানায়, শুক্রবার টিকটক ভিডিও বানাতে কেন্দ্রীয় ঈদগাহের দিকে যাচ্ছিলেন তারা। লকডাউন জানা থাকলেও কেউ কিছু বলবে না এমন ভরসাতেই বের হয়েছিলেন। কিন্তু শাস্তির মুখোমুখি হবার পর এখন ক্ষমা চেয়ে ফিরে যেতে চান নিজ বাড়িতে।

একইভাবে আরেক কিশোর আল আমিন জানায়, শুক্রবার ঘরে বসে থাকতে ভালো লাগছিল না তার। বাসায় বসে থাকতে থাকতে বিরক্ত হয়ে গেছেন তিনি। তাই বন্ধু মাসুদকে সঙ্গে নিয়ে চাচার বাসায় যাচ্ছেন। ঈদের ছুটিতে বেড়িয়ে আসার জন্যেই লকডাউনের মাঝে বের হয়েছেন তারা। উভয়ের ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্যের পরে শাস্তি দেয়া হয় এক পা তুলে দাঁড়িয়ে থাকার নির্দেশ। ১৫ মিনিট পর ছেড়ে দেয়া হয় উভয়কেই। তবে ঈদগাহের দিকে নয়, তাদের বাড়ি দেওভোগের দিকেই ফিরে যেতে বাধ্য করেন তারা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন