সকালে মায়ের সঙ্গে কথা, সন্ধ্যায় আসলো মৃত্যু সংবাদ
jugantor
সকালে মায়ের সঙ্গে কথা, সন্ধ্যায় আসলো মৃত্যু সংবাদ

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৪ জুলাই ২০২১, ০১:২৫:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

ওমান থেকে সকালে মায়ের সঙ্গে কথা বলেন রফিকুল ইসলাম ইমন। আর সন্ধ্যায় বাড়ি আসলো তার মৃত্যু সংবাদ। ওমানের মাসকেট শহরে নিজ কর্মস্থলে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে রফিকুল ইসলাম ইমন (২৬) নিহত হয়েছেন।

নিহত ইমন নোয়াখালীর কবিরহাট পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড ঘোষবাগ এলাকার কাজী বাড়ির আবুল কালামের ছেলে। তার মৃত্যুতে তার দেশের বাড়ি উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শুক্রবার রাত ১১টায় ইমনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তার প্রতিবেশী শরিফুল ইসলাম দিদার জানান, তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে ইমন ছিলেন তৃতীয়। জীবিকার তাগিদে তার বড় ভাই নজরুল ইসলাম সুমনের সহযোগিতায় ২০১৫ সালে ওমানে যান ইমন। পরে ওমানের মাসকেট শহরে একটি ভবন তৈরির কোম্পানিতে সুপারভাইজার হিসেবে কাজ নেন। ওমান যাওয়ার পর থেকে আর দেশে আসেননি তিনি।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকালে বাড়িতে তার মায়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা শেষ করে নিজের কর্মস্থলে যান ইমন। দুপুর ১২টার দিকে বড় একটি ক্যারন মেশিনে উঠে বহুতল ভবনের কাজ দেখছিল ইমন। এ সময় ভবনের ওপর থেকে লোহার একটি অংশ তার মাথায় পড়লে অচেতন হয়ে পড়েন ইমন।

পরে কোম্পানির লোকজন উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ইমনকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে ইমনের লাশ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় ইমনের মৃত্যুর খবর তার দেশের বাড়িতে পৌঁছলে স্বজনদের মধ্যে আহাজারি সৃষ্টি হয়। মা-বাবা, ভাই বোনসহ পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। ছেলেকে হারিয়ে কান্নায় মূর্ছা যাচ্ছেন ইমনের মা। ইমনের লাশ দেশে আনতে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

সকালে মায়ের সঙ্গে কথা, সন্ধ্যায় আসলো মৃত্যু সংবাদ

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৪ জুলাই ২০২১, ০১:২৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ওমান থেকে সকালে মায়ের সঙ্গে কথা বলেন রফিকুল ইসলাম ইমন। আর সন্ধ্যায় বাড়ি আসলো তার মৃত্যু সংবাদ। ওমানের মাসকেট শহরে নিজ কর্মস্থলে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে রফিকুল ইসলাম ইমন (২৬) নিহত হয়েছেন।

নিহত ইমন নোয়াখালীর কবিরহাট পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড ঘোষবাগ এলাকার কাজী বাড়ির আবুল কালামের ছেলে। তার মৃত্যুতে তার দেশের বাড়ি উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শুক্রবার রাত ১১টায় ইমনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তার প্রতিবেশী শরিফুল ইসলাম দিদার জানান, তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে ইমন ছিলেন তৃতীয়। জীবিকার তাগিদে তার বড় ভাই নজরুল ইসলাম সুমনের সহযোগিতায় ২০১৫ সালে ওমানে যান ইমন। পরে ওমানের মাসকেট শহরে একটি ভবন তৈরির কোম্পানিতে সুপারভাইজার হিসেবে কাজ নেন। ওমান যাওয়ার পর থেকে আর দেশে আসেননি তিনি।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকালে বাড়িতে তার মায়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা শেষ করে নিজের কর্মস্থলে যান ইমন। দুপুর ১২টার দিকে বড় একটি ক্যারন মেশিনে উঠে বহুতল ভবনের কাজ দেখছিল ইমন। এ সময় ভবনের ওপর থেকে লোহার একটি অংশ তার মাথায় পড়লে অচেতন হয়ে পড়েন ইমন।

পরে কোম্পানির লোকজন উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ইমনকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে ইমনের লাশ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় ইমনের মৃত্যুর খবর তার দেশের বাড়িতে পৌঁছলে স্বজনদের মধ্যে আহাজারি সৃষ্টি হয়। মা-বাবা, ভাই বোনসহ পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। ছেলেকে হারিয়ে কান্নায় মূর্ছা যাচ্ছেন ইমনের মা। ইমনের লাশ দেশে আনতে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন