৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে মাছ শিকার জেলেদের
jugantor
৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে মাছ শিকার জেলেদের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৪ জুলাই ২০২১, ১০:৪৬:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

সাহরে মাছ শিকার

বরগুনার সমুদ্রগামী জেলেরা ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে শুক্রবার মধ্যরাত থেকে সাগরে মাছ শিকারে রওনা হয়েছেন।

নিষেধাজ্ঞার অবসরে উপকূলের বিভিন্ন স্থানে জাল প্রস্তুতের পাশাপাশি ফিশিং বোট মেরামত করেছেন জেলেরা। অধিকাংশ ট্রলারে মাছ ধরার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, উপকরণ এবং খাদ্য সামগ্রীবোঝাই করা হয়েছে। খবর বাসসের।

জেলেরা জানান, গত দুই মাস সাগরে মাছ শিকার বন্ধ ছিল। নিয়ম মেনেছি। কেউ মাছ শিকারে যাইনি। এখন নিষেধাজ্ঞা শেষ তাই সাগরে মাছ শিকারে যাচ্ছি।

জেলা ট্রলার মালিক ও মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, করোনা পরিস্থিতিতে ট্রলারগুলোতে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা মানার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সুস্থ ও সবল জেলেরাই সাগরে যাবেন।

বরগুনা জেলা মৎস্য অফিসের তথ্যানুযায়ী, জেলার ৬টি উপজেলায় মোট ২৯ হাজার ৫৪১টি জেলে পরিবার রয়েছে। নিবন্ধিত মৎস্যজীবীর সংখ্যা ৪৫,৬২১ জন, নিবন্ধিত যান্ত্রিক নৌযানের সংখ্যা ২০৫টি। দেশের উৎপাদিত মোট ইলিশের ১৩% বরগুনা জেলায় আহরণ করা হয়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার দেব জানান, সাগরে মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইলিশসহ সকল প্রজাতির মাছ ধরার উপর গত ১৯ মে মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। নিষেধাজ্ঞাকালীন জেলেদের খাদ্য সহায়তা হিসেবে সরকারিভাবে চাল দেয়া হয়েছিল।

৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে মাছ শিকার জেলেদের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৪ জুলাই ২০২১, ১০:৪৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সাহরে মাছ শিকার
ফাইল ছবি

বরগুনার সমুদ্রগামী জেলেরা ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে শুক্রবার মধ্যরাত থেকে সাগরে মাছ শিকারে রওনা হয়েছেন।

নিষেধাজ্ঞার অবসরে উপকূলের বিভিন্ন স্থানে জাল প্রস্তুতের পাশাপাশি ফিশিং বোট মেরামত করেছেন জেলেরা। অধিকাংশ ট্রলারে মাছ ধরার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, উপকরণ এবং খাদ্য সামগ্রীবোঝাই করা হয়েছে। খবর বাসসের।

জেলেরা জানান, গত দুই মাস সাগরে মাছ শিকার বন্ধ ছিল। নিয়ম মেনেছি। কেউ মাছ শিকারে যাইনি। এখন নিষেধাজ্ঞা শেষ তাই সাগরে মাছ শিকারে যাচ্ছি।

জেলা ট্রলার মালিক ও মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, করোনা পরিস্থিতিতে ট্রলারগুলোতে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা মানার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সুস্থ ও সবল জেলেরাই সাগরে যাবেন।

বরগুনা জেলা মৎস্য অফিসের তথ্যানুযায়ী, জেলার ৬টি উপজেলায় মোট ২৯ হাজার ৫৪১টি জেলে পরিবার রয়েছে। নিবন্ধিত মৎস্যজীবীর সংখ্যা ৪৫,৬২১ জন, নিবন্ধিত যান্ত্রিক নৌযানের সংখ্যা ২০৫টি। দেশের উৎপাদিত মোট ইলিশের ১৩% বরগুনা জেলায় আহরণ করা হয়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার দেব জানান, সাগরে মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইলিশসহ সকল প্রজাতির মাছ ধরার উপর গত ১৯ মে মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। নিষেধাজ্ঞাকালীন জেলেদের খাদ্য সহায়তা হিসেবে সরকারিভাবে চাল দেয়া হয়েছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন