একটি মাছের দাম সাড়ে ৪ লাখ টাকা! 
jugantor
একটি মাছের দাম সাড়ে ৪ লাখ টাকা! 

  পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি  

২৪ জুলাই ২০২১, ১৮:১৯:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২৮ কেজি ওজনের একটি ভোল মাছ। ওই মাছ বিক্রি করা হয়েছে ৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা মন হিসেবে ২৮ কেজি মাছ ৪ লাখ ৬২ হাজার ৭০০ টাকায়।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে এ মাছটি ক্রয় করেন খুলনার মৎস্য ব্যবসায়ী মো. জুয়েল।

মাছুম কোম্পানির মালিকানা এফবি আলাউদ্দিন হাফিজ-৪ ট্রলারের মাঝি আবু জাফর বলেন, গভীর সমুদ্রে জাল ফেলে অপেক্ষা করতে থাকি। হঠাৎ জালে টান পড়ে ট্রলার ঘুরে যায়। তাই জাল টানা শুরু করি। জাল টেনে দেখি বিশাল ভোল মাছ। তাৎক্ষণিক আমরা আর দেরি না করে দ্রুত ঘাটে চলে আসি। শনিবার সকাল থেকেই মাছ প্রকাশ্য ডাক শুরু হলে দুপুর ১২টার দিকে ওই মাছটি ৬ লাখ ৬১ হাজার মণ দরে ২৮ কেজি মাছ ৪ লাখ ৬২ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ভোল মাছ সচরাচর পাওয়া যায় না। মূলত এ মাছের বালিশের (পদিনা অথবা বায়ুথলি) চাহিদা অনেক বেশি। জানা গেছে, এ মাছের বালিশ (পদিনা) বিদেশে রপ্তানি করা হয়।

এ ব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার দে বলেন, ভোলমাছ ও সোনা বাইনমাছের এয়ারব্লাডার (বায়ুথলি) খুবই দামি। এগুলো বিদেশে রপ্তানি হয় এবং বিশেষ ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

একটি মাছের দাম সাড়ে ৪ লাখ টাকা! 

 পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি 
২৪ জুলাই ২০২১, ০৬:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২৮ কেজি ওজনের একটি ভোল মাছ। ওই মাছ বিক্রি করা হয়েছে ৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা মন হিসেবে ২৮ কেজি মাছ ৪ লাখ ৬২ হাজার ৭০০ টাকায়। 

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে এ মাছটি ক্রয় করেন খুলনার মৎস্য ব্যবসায়ী মো. জুয়েল। 

মাছুম কোম্পানির মালিকানা এফবি আলাউদ্দিন হাফিজ-৪ ট্রলারের মাঝি আবু জাফর বলেন, গভীর সমুদ্রে জাল ফেলে অপেক্ষা করতে থাকি। হঠাৎ জালে টান পড়ে ট্রলার ঘুরে যায়। তাই জাল টানা শুরু করি। জাল টেনে দেখি বিশাল ভোল মাছ। তাৎক্ষণিক আমরা আর দেরি না করে দ্রুত ঘাটে চলে আসি। শনিবার সকাল থেকেই মাছ প্রকাশ্য ডাক শুরু হলে দুপুর ১২টার দিকে ওই মাছটি ৬ লাখ ৬১ হাজার মণ দরে ২৮ কেজি মাছ ৪ লাখ ৬২ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। 

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ভোল মাছ সচরাচর পাওয়া যায় না। মূলত এ মাছের বালিশের (পদিনা অথবা বায়ুথলি) চাহিদা অনেক বেশি। জানা গেছে, এ মাছের বালিশ (পদিনা) বিদেশে রপ্তানি করা হয়। 

এ ব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার দে বলেন, ভোলমাছ ও সোনা বাইনমাছের এয়ারব্লাডার (বায়ুথলি) খুবই দামি। এগুলো বিদেশে রপ্তানি হয় এবং বিশেষ ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন