লকডাউন উপেক্ষা করে চিলমারীতে চলছে নৌকা
jugantor
লকডাউন উপেক্ষা করে চিলমারীতে চলছে নৌকা

  চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  

২৪ জুলাই ২০২১, ২২:২৭:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

চলমান কঠোর লকডাউন উপেক্ষা করে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে নৌপথে নৌকা চলাচল অব্যাহত রয়েছে

চলমান কঠোর লকডাউন উপেক্ষা করে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে নৌপথে নৌকা চলাচল অব্যাহত রয়েছে। যাত্রীদের গুণতে হচ্ছে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ধারণ ক্ষমতার থেকে বেশি যাত্রী উঠিয়ে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হলেও প্রশাসনের কোন তৎপরতা নেই।

সারাদেশে ঈদুল আজহা পরবর্তী কঠোর লকডাউন চলছে। চলমান লকডাউনে সকল গণপরিবহণ বন্ধ থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে উপজেলার রমনা ঘাট ইজারাদারের লোকজন যাত্রীদের কাছ থেকে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া আদায় করছেন।

চিলমারী থেকে রৌমারী ও রাজিবপুরগামী যাত্রীদের ৭০-৮০ টাকা ভাড়ার পরিবর্তে জনপ্রতি ২০০ টাকা হারে ভাড়া এবং মোটরসাইকেল উঠা-নামা ও ভাড়াবাবদ আরও ৪০০ টাকাসহ মোট ৬০০ টাকা হারে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

শনিবার সরেজমিনে রমনা ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, নৌকার টিকেট হিসেবে রেমেলিয়া ট্রেডলিংক সিল সম্বলিত একটুকরো কাগজে শুধুমাত্র তারিখ বসিয়ে নেওয়া হচ্ছে ২০০ টাকা। ১টি মোটরসাইকেলের জন্য নেওয়া হচ্ছে আরও ২০০ টাকা। ওই মোটরসাইকেলটি নৌকায় উঠানো বাবদ নেওয়া হচ্ছে আরও ১০০ টাকা। সবমিলিয়ে মোটরসাইকেলসহ একজন যাত্রীকে ১৮-২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য গুণতে হচ্ছে ৬০০ টাকা।

রাজিবপুরগামী যাত্রী বকুল মিয়া বলেন, মোটরসাইকেলসহ রাজিবপুর যেতে টিকেট বাবদ নেওয়া হয়েছে ৪০০ টাকা, গাড়িটি উঠাতে ১০০ টাকা, রাজিবপুর ঘাটে গিয়ে গাড়ি নামানো বাবদ আরও ১০০ টাকা।

লালমনিরহাট এলাকা থেকে আসা যাত্রী আজিজুল হক বলেন, লকডাউনে যানবাহন বন্ধ থাকায় বিপদে পড়ে এপথে এসেছি। এসে দেখছি ডাকাতি কারবার। আমরা যাব কোথায়?

প্রশাসনকে পাশকাটিয়ে নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী উঠিয়ে তাদের নিকট অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হলেও ঘাটে প্রশাসনের কোনো ধরণের তৎপরতা চোখে পড়েনি।

এসব বিষয়ে ইজারাদারের প্রতিনিধি টিকেট মাস্টার রোজনুদ্দৌলা বলেন, সবেমাত্র ঘাট ইজারা নেওয়া হয়েছে। এখনও টিকেট ছাপানো হয়নি, কোনো রকমে নৌকা চালানো হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে ভাড়া একটু বেশি নেওয়া হচ্ছে। দু’একদিন গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, যাত্রীবাহী নৌকা চলাচল বন্ধ থাকবে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

লকডাউন উপেক্ষা করে চিলমারীতে চলছে নৌকা

 চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি 
২৪ জুলাই ২০২১, ১০:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চলমান কঠোর লকডাউন উপেক্ষা করে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে নৌপথে নৌকা চলাচল অব্যাহত রয়েছে
চলমান কঠোর লকডাউন উপেক্ষা করে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে নৌপথে নৌকা চলছে। ছবি: যুগান্তর

চলমান কঠোর লকডাউন উপেক্ষা করে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে নৌপথে নৌকা চলাচল অব্যাহত রয়েছে। যাত্রীদের গুণতে হচ্ছে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ধারণ ক্ষমতার থেকে বেশি যাত্রী উঠিয়ে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হলেও প্রশাসনের কোন তৎপরতা নেই।

সারাদেশে ঈদুল আজহা পরবর্তী কঠোর লকডাউন চলছে। চলমান লকডাউনে সকল গণপরিবহণ বন্ধ থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে উপজেলার রমনা ঘাট ইজারাদারের লোকজন যাত্রীদের কাছ থেকে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া আদায় করছেন।

চিলমারী থেকে রৌমারী ও রাজিবপুরগামী যাত্রীদের ৭০-৮০ টাকা ভাড়ার পরিবর্তে জনপ্রতি ২০০ টাকা হারে ভাড়া এবং মোটরসাইকেল উঠা-নামা ও ভাড়াবাবদ আরও ৪০০ টাকাসহ মোট ৬০০ টাকা হারে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

শনিবার সরেজমিনে রমনা ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, নৌকার টিকেট হিসেবে রেমেলিয়া ট্রেডলিংক সিল সম্বলিত একটুকরো কাগজে শুধুমাত্র তারিখ বসিয়ে নেওয়া হচ্ছে ২০০ টাকা। ১টি মোটরসাইকেলের জন্য নেওয়া হচ্ছে আরও ২০০ টাকা। ওই মোটরসাইকেলটি নৌকায় উঠানো বাবদ নেওয়া হচ্ছে আরও ১০০ টাকা। সবমিলিয়ে মোটরসাইকেলসহ একজন যাত্রীকে ১৮-২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য গুণতে হচ্ছে ৬০০ টাকা।

রাজিবপুরগামী যাত্রী বকুল মিয়া বলেন, মোটরসাইকেলসহ রাজিবপুর যেতে টিকেট বাবদ নেওয়া হয়েছে ৪০০ টাকা, গাড়িটি উঠাতে ১০০ টাকা, রাজিবপুর ঘাটে গিয়ে গাড়ি নামানো বাবদ আরও ১০০ টাকা।

লালমনিরহাট এলাকা থেকে আসা যাত্রী আজিজুল হক বলেন, লকডাউনে যানবাহন বন্ধ থাকায় বিপদে পড়ে এপথে এসেছি। এসে দেখছি ডাকাতি কারবার। আমরা যাব কোথায়?

প্রশাসনকে পাশকাটিয়ে নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী উঠিয়ে তাদের নিকট অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হলেও ঘাটে প্রশাসনের কোনো ধরণের তৎপরতা চোখে পড়েনি।

এসব বিষয়ে ইজারাদারের প্রতিনিধি টিকেট মাস্টার রোজনুদ্দৌলা বলেন, সবেমাত্র ঘাট ইজারা নেওয়া হয়েছে। এখনও টিকেট ছাপানো হয়নি, কোনো রকমে নৌকা চালানো হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে ভাড়া একটু বেশি নেওয়া হচ্ছে। দু’একদিন গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, যাত্রীবাহী নৌকা চলাচল বন্ধ থাকবে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন