ইলিশ আহরণে বাধা বৈরী আবহাওয়া
jugantor
ইলিশ আহরণে বাধা বৈরী আবহাওয়া

  শওকত আলী বাবু, বাগেরহাট  

২৫ জুলাই ২০২১, ১৯:০৮:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গোপসাগরে ২৩ জুলাই ৬৫ দিনের অবরোধ শেষ হলেও বৈরী আবহাওয়া ও লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার কারণে সাগরে ইলিশ আহরণে যেতে পারছেন না জেলেরা। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেও ঘাটেই থাকতে হচ্ছে জেলেদের।

বাগেরহাটের শরণখোলার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রসহ উপজেলার বিভিন্ন ঘাটে নোঙর করে আছে শত শত ফিশিং ট্রলার।

একদিকে করোনা অন্যদিকে ইলিশ মৌসুমের শুরু থেকেই দীর্ঘ দুই মাসের অবরোধে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন জেলে-মহাজনরা। তার ওপর অবরোধ শেষ হতে না হতেই বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়তে হয়েছে তাদের।

এই ত্রিমুখী সংকটের মুখে লাখ লাখ টাকা পুঁজি বিনিয়োগ করে চরম হতাশায় পড়েছেন জেলে-মহাজনরা। সময়মতো বঙ্গোপসাগরে জাল ফেলতে না পারলে শুরুতেই লোকসানে পড়তে হবে তাদের।

অবরোধের অবসর সময়ে জাল-ট্রলার মেরামত করে সাগরে যাওয়ার উপযোগী করতে একেকজন ট্রলার মালিক দুই-তিন লাখ টাকা করে খরচ করেছেন। জ্বালানি তেল,রসদ সামগ্রী কেনা এবং জেলে শ্রমিক ও মাঝিদের কারো ১০ হাজার আবার কারো ২০-২৫ হাজার টাকা অগ্রিম দিতে হয়েছে। এসব টাকার বেশিরভাগই মহাজনদের কাছ থেকে দাদন ও সুদে নিয়েছেন তারা। এই পরিস্থিতিতে জেলেদের অর্থনৈতিক সংকট চরম আকার ধারণ করছে বলে জানান অনেকে।

জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মো. আবুল হোসেন জানান, অবরোধ শেষে অনেক আশা নিয়ে সাগরে রওনা হবেন জেলেরা কিন্তু বৈরী আবহাওয়ায় তাদের সবকিছু মাটি করে দিয়েছে। সময়মতো সাগরে জাল ফেলতে না পারলে তাদের প্রত্যেক ট্রলার মালিককে লাখ টাকা লোকসান গুনতে হবে।

ইলিশ আহরণে বাধা বৈরী আবহাওয়া

 শওকত আলী বাবু, বাগেরহাট 
২৫ জুলাই ২০২১, ০৭:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গোপসাগরে ২৩ জুলাই ৬৫ দিনের অবরোধ শেষ হলেও বৈরী আবহাওয়া ও লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার কারণে সাগরে ইলিশ আহরণে যেতে পারছেন না জেলেরা। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেও ঘাটেই থাকতে হচ্ছে জেলেদের।

বাগেরহাটের শরণখোলার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রসহ উপজেলার বিভিন্ন ঘাটে নোঙর করে আছে শত শত ফিশিং ট্রলার।

একদিকে করোনা অন্যদিকে ইলিশ মৌসুমের শুরু থেকেই দীর্ঘ দুই মাসের অবরোধে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন জেলে-মহাজনরা। তার ওপর অবরোধ শেষ হতে না হতেই বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়তে হয়েছে তাদের।

এই ত্রিমুখী সংকটের মুখে লাখ লাখ টাকা পুঁজি বিনিয়োগ করে চরম হতাশায় পড়েছেন জেলে-মহাজনরা। সময়মতো বঙ্গোপসাগরে জাল ফেলতে না পারলে শুরুতেই লোকসানে পড়তে হবে তাদের।

অবরোধের অবসর সময়ে জাল-ট্রলার মেরামত করে সাগরে যাওয়ার উপযোগী করতে একেকজন ট্রলার মালিক দুই-তিন লাখ টাকা করে খরচ করেছেন। জ্বালানি তেল,রসদ সামগ্রী কেনা এবং জেলে শ্রমিক ও মাঝিদের কারো ১০ হাজার আবার কারো ২০-২৫ হাজার টাকা অগ্রিম দিতে হয়েছে। এসব টাকার বেশিরভাগই মহাজনদের কাছ থেকে দাদন ও সুদে নিয়েছেন তারা। এই পরিস্থিতিতে জেলেদের অর্থনৈতিক সংকট চরম আকার ধারণ করছে বলে জানান অনেকে।

জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মো. আবুল হোসেন জানান, অবরোধ শেষে অনেক আশা নিয়ে সাগরে রওনা হবেন জেলেরা কিন্তু বৈরী আবহাওয়ায় তাদের সবকিছু মাটি করে দিয়েছে। সময়মতো সাগরে জাল ফেলতে না পারলে তাদের প্রত্যেক ট্রলার মালিককে লাখ টাকা লোকসান গুনতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন