ফেস্টুন ছেঁড়ার প্রতিবাদ করায় সংঘর্ষ, কাউন্সিলরসহ আহত ৭
jugantor
ফেস্টুন ছেঁড়ার প্রতিবাদ করায় সংঘর্ষ, কাউন্সিলরসহ আহত ৭

  কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

২৫ জুলাই ২০২১, ২০:০০:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

মাদারীপুরের কালকিনিতে ফেস্টুন ছেঁড়ার প্রতিবাদ করা নিয়ে বর্তমান ও সাবেক কাউন্সিলরের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলরসহ ৭ জন আহত হয়েছেন।

রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী, এলাকা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কালকিনি পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মো. আনোয়ার হোসেন বেপারীর উদ্যোগে গত ১৮ জুলাই কোরবানির ঈদ উপলক্ষে স্থানীয় এমপি ড. আবদুস সোবহান গোলাপকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা দিয়ে তার ওয়ার্ডের বিভিন্নস্থানে ফেস্টুন টানানো হয়। ওই সকল ফেস্টুন ঈদের রাতেই দুর্বৃত্তরা ছিঁড়ে ফেলেন। কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বেপারীর সমর্থক হৃদয় সরদার এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে একই এলাকার সাবেক কাউন্সিলর তোফাজ্জেল হোসেন দাদনের সমর্থক রুবেল সরদারের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।

পরে রুবেল সরদারের নেতৃত্বে মাসুম সরদার, আবদুল সরদার ও বারেক সরদারসহ বেশ কয়েকজন মিলে হৃদয় সরদারের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায় উভয় পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বেপারী (৫০) গুরুতর আহত হন।

এছাড়া বিপ্লব বেপারী (২১), জাহাঙ্গীর বেপারী (৫০) ও সাইফুল বেপারীসহ (২০) কমপক্ষে ৭ জন আহত হন। আহতদের কালকিনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

আহত কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বেপারী বলেন, আমি মারামারি থামাতে গেলে আমাকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। হামলাকারী রুবেল সরদারসহ সবাই মিলে ফেস্টুন রাতের আঁধারে ছিঁড়ে ফেলেছে। তারা সবাই বিএনপি ও সাবেক কাউন্সিলর দাদনের সমর্থক। ৩-৪টি বসতবাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে তারা। এ বিষয় থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছি। আমি এ ন্যক্কারজনক হামলার বিচার চাই।

প্রতিপক্ষ সাবেক কাউন্সিলর তোফাজ্জেল হোসেন দাদন বলেন, যারা বর্তমান কাউন্সিলরের লোকজনের সঙ্গে মারামারি করেছে তারা কেউ আমার লোক নয়। বিষয়টি একান্তই তাদের বিষয়। পূর্ব থেকেই তাদের মধ্যে শত্রুতা চলে আসছে।

কালকিনি থানার ওসি ইসতিয়াক আসফাক রাসেল বলেন, আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

ফেস্টুন ছেঁড়ার প্রতিবাদ করায় সংঘর্ষ, কাউন্সিলরসহ আহত ৭

 কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
২৫ জুলাই ২০২১, ০৮:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মাদারীপুরের কালকিনিতে ফেস্টুন ছেঁড়ার প্রতিবাদ করা নিয়ে বর্তমান ও সাবেক কাউন্সিলরের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলরসহ ৭ জন আহত হয়েছেন।

রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী, এলাকা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কালকিনি পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মো. আনোয়ার হোসেন বেপারীর উদ্যোগে গত ১৮ জুলাই কোরবানির ঈদ উপলক্ষে স্থানীয় এমপি ড. আবদুস সোবহান গোলাপকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা দিয়ে তার ওয়ার্ডের বিভিন্নস্থানে ফেস্টুন টানানো হয়। ওই সকল ফেস্টুন ঈদের রাতেই দুর্বৃত্তরা ছিঁড়ে ফেলেন। কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বেপারীর সমর্থক হৃদয় সরদার এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে একই এলাকার সাবেক কাউন্সিলর তোফাজ্জেল হোসেন দাদনের সমর্থক রুবেল সরদারের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।

পরে রুবেল সরদারের নেতৃত্বে মাসুম সরদার, আবদুল সরদার ও বারেক সরদারসহ বেশ কয়েকজন মিলে হৃদয় সরদারের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায় উভয় পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বেপারী (৫০) গুরুতর আহত হন।

এছাড়া বিপ্লব বেপারী (২১), জাহাঙ্গীর বেপারী (৫০) ও সাইফুল বেপারীসহ (২০) কমপক্ষে ৭ জন আহত হন। আহতদের কালকিনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

আহত কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বেপারী বলেন, আমি মারামারি থামাতে গেলে আমাকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। হামলাকারী রুবেল সরদারসহ সবাই মিলে ফেস্টুন রাতের আঁধারে ছিঁড়ে ফেলেছে। তারা সবাই বিএনপি ও সাবেক কাউন্সিলর দাদনের সমর্থক। ৩-৪টি বসতবাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে তারা। এ বিষয় থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছি।  আমি এ ন্যক্কারজনক হামলার বিচার চাই।

প্রতিপক্ষ সাবেক কাউন্সিলর তোফাজ্জেল হোসেন দাদন বলেন, যারা বর্তমান কাউন্সিলরের লোকজনের সঙ্গে মারামারি করেছে তারা কেউ আমার লোক নয়। বিষয়টি একান্তই তাদের বিষয়। পূর্ব থেকেই তাদের মধ্যে শত্রুতা চলে আসছে।

কালকিনি থানার ওসি ইসতিয়াক আসফাক রাসেল বলেন, আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন