রায়পুরে করোনা ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলছে দুজন নার্সে
jugantor
রায়পুরে করোনা ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলছে দুজন নার্সে

  রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি  

২৫ জুলাই ২০২১, ২০:১৭:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

একজনের শরীরের সঙ্গে অপরজনের শরীর মেশানো। বুথের বাইরে টিকা গ্রহীতাদের উপচেপড়া ভিড়। দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছেন নানান বয়সী মানুষ। লাইনে দাঁড়ানো লোকদের শরীর ঘেঁষে হেঁটে যাচ্ছেন চিকিৎসাধীন রোগীর স্বজনরা। ভ্যাকসিন গ্রহীতার ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন নার্সরা।

এর আগে উন্মুক্ত স্থানে বুথ থাকলেও এখন হাসপাতালের ভিতরে টিকিট কাউন্টারের সামনে বুথ করায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন অন্য রোগী ও তাদের স্বজনরা।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টার সময় লক্ষ্মীপুরের রায়পুর সরকারি হাসপাতালের ভিতরে টিকা গ্রহীতাদের এ চিত্র দেখা যায়।

উল্লেখ্য, রায়পুর উপজেলায় ৫৭ জনের মধ্যে ২৫ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। সবাইকে আইসোলেশনে থাকতে বলেছেন ডাক্তার।

জানা যায়, প্রথম দফায় সিনোফার্মার টিকা গ্রহণের জন্য আজকের মেসেজ পেয়েছেন ৩০০ জন। এছাড়াও ২য় দফায় প্রায় ৪ হাজার জনের মতো টিকা গ্রহণ করবেন। এ টিকা প্রদানে কাজ করছেন দুইজন মাত্র সিনিয়র নার্স। প্রতিদিনই টিকা বাড়ছে। সকাল ৯টা-২টা পর্যন্ত টিকা দান কার্যক্রম চলছে।

টিকা গ্রহীতারা বলছেন, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখানে বসার জায়গা থাকলেও ৫-৬ জনের বেশি লোকজন বসতে পারেন না। গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে আমাদের খুব কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পানির ব্যবস্থা নেই এখানে। স্বাস্থ্যবিধিও মানছে না কেউ। এদিকে টিকা প্রদানেও ধীরগতি।

দায়িত্বরত সিনিয়র নার্স জেমস মণ্ডল ও নাইমুন নাহার বলেন, টিকা গ্রহীতা অনুযায়ী আজকে ৪-৫ জন নার্স প্রয়োজন ছিল। কিন্তু লোকবল সংকটে আমি টিকা দানে হিমশিম খাচ্ছি। বাহিরে প্রচুর মানুষ। কীভাবে সামলাব এত মানুষ?

রায়পুর সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাক্তার বাহারুল আলম বলেন, আমাদের জনবল সংকট কিন্তু সবার তো টিকা নিশ্চিত করতে হবে। নিজে দাঁড়িয়ে থেকে মানুষের চাপ সামাল দিতে চেষ্টা করেছি। মানুষ যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানে তাহলে তো জোর করে মানানো যাবে না। তারপরও চেষ্টা করছি।

রায়পুরে করোনা ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলছে দুজন নার্সে

 রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি 
২৫ জুলাই ২০২১, ০৮:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

একজনের শরীরের সঙ্গে অপরজনের শরীর মেশানো। বুথের বাইরে টিকা গ্রহীতাদের উপচেপড়া ভিড়। দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছেন নানান বয়সী মানুষ। লাইনে দাঁড়ানো লোকদের শরীর ঘেঁষে হেঁটে যাচ্ছেন চিকিৎসাধীন রোগীর স্বজনরা। ভ্যাকসিন গ্রহীতার ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন নার্সরা।

এর আগে উন্মুক্ত স্থানে বুথ থাকলেও এখন হাসপাতালের ভিতরে টিকিট কাউন্টারের সামনে বুথ করায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন অন্য রোগী ও তাদের স্বজনরা।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টার সময় লক্ষ্মীপুরের রায়পুর সরকারি হাসপাতালের ভিতরে টিকা গ্রহীতাদের এ চিত্র দেখা যায়।

উল্লেখ্য, রায়পুর উপজেলায় ৫৭ জনের মধ্যে ২৫ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। সবাইকে আইসোলেশনে থাকতে বলেছেন ডাক্তার।

জানা যায়, প্রথম দফায় সিনোফার্মার টিকা গ্রহণের জন্য আজকের মেসেজ পেয়েছেন ৩০০ জন। এছাড়াও ২য় দফায় প্রায় ৪ হাজার জনের মতো টিকা গ্রহণ করবেন। এ টিকা প্রদানে কাজ করছেন দুইজন মাত্র সিনিয়র নার্স। প্রতিদিনই টিকা বাড়ছে। সকাল ৯টা-২টা পর্যন্ত টিকা দান কার্যক্রম চলছে।

টিকা গ্রহীতারা বলছেন, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখানে বসার জায়গা থাকলেও ৫-৬ জনের বেশি লোকজন বসতে পারেন না। গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে আমাদের খুব কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পানির ব্যবস্থা নেই এখানে। স্বাস্থ্যবিধিও মানছে না কেউ। এদিকে টিকা প্রদানেও ধীরগতি।

দায়িত্বরত সিনিয়র নার্স জেমস মণ্ডল ও নাইমুন নাহার বলেন, টিকা গ্রহীতা অনুযায়ী আজকে ৪-৫ জন নার্স প্রয়োজন ছিল। কিন্তু লোকবল সংকটে আমি টিকা দানে হিমশিম খাচ্ছি। বাহিরে প্রচুর মানুষ। কীভাবে সামলাব এত মানুষ?

রায়পুর সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাক্তার বাহারুল আলম বলেন, আমাদের জনবল সংকট কিন্তু সবার তো টিকা নিশ্চিত করতে হবে। নিজে দাঁড়িয়ে থেকে মানুষের চাপ সামাল দিতে চেষ্টা করেছি। মানুষ যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানে তাহলে তো জোর করে মানানো যাবে না। তারপরও চেষ্টা করছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন