৪র্থ শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণ
jugantor
৪র্থ শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণ

  নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি  

২৫ জুলাই ২০২১, ২২:১৪:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

নওগাঁর নিয়ামতপুরে ৪র্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে পালাত্রমে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আনারুল (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

আনারুল পাঁড়ইল ইউনিয়নের বান্দইল গ্রামের মৃত তায়েজ উদ্দীনের ছেলে। ঘটনাটি শনিবার সন্ধ্যায় ঘটেছে।

জানা যায়, ধর্ষণের শিকার ওই শিশু শিক্ষার্থী উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।

তার স্বজনরা বলেন, ২০ দিন আগে তার চাচার শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার পথে শনিবার দুপুরে সে একাই ভ্যানচালক আনারুলের গাড়িতে উঠে। কিন্তু ভ্যানচালক বাড়ির পথে না নিয়ে গিয়ে তাকে ভুল পথে নিয়ে যায়। প্রতিবাদ করলে তাকে আশ্বস্ত করা হয় বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার।

পথ চলতে চলতেই সন্ধ্যা নেমে আসে আমবাগানে। এ সময় কৌশলে ভ্যানচালক আনারুলসহ তার আরও দুজন সহযোগী ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুটিকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি টয়লেট সারার বাহানা করে রাস্তায় ছুটে গিয়ে এক পথচারীকে ঘটনাটি খুলে বললে তিনি থানায় সংবাদ দেন।

সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশের এসআই ইব্রাহিম সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে ও ধর্ষক আনারুলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

ওই শিশুটির বাবা বলেন, আমার ছোট মেয়ের সঙ্গে পাষণ্ডরা যে আচরণ করেছে তা পশুর চেয়েও খারাপ। আমি এ অপকর্মের কঠিন শাস্তি চাই।

ওসি হুমায়ুন কবির বলেন, ধর্ষণের প্রাথমিক আলামত পেয়েছি। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আমরা আনারুলকে আটক করেছি। বাকিদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চলছে।

৪র্থ শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণ

 নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি 
২৫ জুলাই ২০২১, ১০:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নওগাঁর নিয়ামতপুরে ৪র্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে পালাত্রমে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আনারুল (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। 

আনারুল পাঁড়ইল ইউনিয়নের বান্দইল গ্রামের মৃত তায়েজ উদ্দীনের ছেলে। ঘটনাটি শনিবার সন্ধ্যায় ঘটেছে। 

জানা যায়, ধর্ষণের শিকার ওই শিশু শিক্ষার্থী উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। 

তার স্বজনরা বলেন, ২০ দিন আগে তার চাচার শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার পথে শনিবার দুপুরে সে একাই ভ্যানচালক আনারুলের গাড়িতে উঠে। কিন্তু ভ্যানচালক বাড়ির পথে না নিয়ে গিয়ে তাকে ভুল পথে নিয়ে যায়। প্রতিবাদ করলে তাকে আশ্বস্ত করা হয় বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার। 

পথ চলতে চলতেই সন্ধ্যা নেমে আসে আমবাগানে। এ সময় কৌশলে ভ্যানচালক আনারুলসহ তার আরও দুজন সহযোগী ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুটিকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি টয়লেট সারার বাহানা করে রাস্তায় ছুটে গিয়ে এক পথচারীকে ঘটনাটি খুলে বললে তিনি থানায় সংবাদ দেন। 

সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশের এসআই ইব্রাহিম সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে ও ধর্ষক আনারুলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

ওই শিশুটির বাবা বলেন, আমার ছোট মেয়ের সঙ্গে পাষণ্ডরা যে আচরণ করেছে তা পশুর চেয়েও খারাপ। আমি এ অপকর্মের কঠিন শাস্তি চাই। 

ওসি  হুমায়ুন কবির বলেন, ধর্ষণের প্রাথমিক আলামত পেয়েছি। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আমরা আনারুলকে আটক করেছি। বাকিদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন