মাংসে স্বাদ না হওয়ায় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা!
jugantor
মাংসে স্বাদ না হওয়ায় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা!

  বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

২৬ জুলাই ২০২১, ০০:৪২:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে স্বামী হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে স্ত্রী আইরিন আক্তারকে (২১) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার রাতে ওই গৃহবধূর স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার লাশ আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রেখে পালিয়ে যান। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় রোববার সন্ধ্যায়।

আইরিন-হারুনুর রশিদ দম্পতির তিন বছর ও পাঁচ বছর বয়সী দুজন ছেলে সন্তান রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ঈদুল আজহার দিন হারুন প্রতিবেশীর কাছ থেকে কিছু মাংস পান। ওই মাংস রান্না করেন আইরিন। কিন্তু মাংসে স্বাদ হয়নি বলে অভিযোগ তুলে তার স্বামী আইরিনকে কয়েক দফা মারধর করেন।

এরপর শনিবার দিবাগত রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে আইরিনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, আইরিন আত্মহত্যা করেছেন। তবে আইরিননের বা-মায়ের অভিযোগ, তাদের মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।

অভিযুক্ত হারুনুর রশিদ পেশায় একজন রিকশাচালক। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

আইরিনের শাশুড়ি নুর বানু বলেন, মাংসে স্বাদ না হওয়ায় আইরিনকে মারধর করা হয়েছে সত্য। তবে আমার ছেলে বলেছে, আইরিন আত্মহত্যা করেছে।

নিহত আইরিনের মা শামসুন্নাহার সাংবাদিকদের বলেন, আসলে মাংস স্বাদ না হওয়ার উছিলা দিয়ে আমার মেয়েকে ওরা পিটিয়ে মেরে ফেলছে। হারুন অটোরিকশা কেনার জন্য এক লাখ টাকা যৌতুক চেয়েছিল, এর জন্যও আমার মেয়েকে মারধর করত। এটার সালিশ হয়েছিল এলাকায়।

আইরিনের বাবা আবু ছালেহ বলেন, আমার মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি আসামিদের শাস্তি চাই।

এ বিষয়ে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিউল কবির সাংবাদিকদের বলেন, তাকে উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে হত্যা নাকি আত্মহত্যা জানা যাবে। আপাতত থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মাংসে স্বাদ না হওয়ায় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা!

 বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
২৬ জুলাই ২০২১, ১২:৪২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে স্বামী হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে স্ত্রী আইরিন আক্তারকে (২১) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। 

শনিবার রাতে ওই গৃহবধূর স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার লাশ আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রেখে পালিয়ে যান। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় রোববার সন্ধ্যায়।

আইরিন-হারুনুর রশিদ দম্পতির তিন বছর ও পাঁচ বছর বয়সী দুজন ছেলে সন্তান রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ঈদুল আজহার দিন হারুন প্রতিবেশীর কাছ থেকে কিছু মাংস পান। ওই মাংস রান্না করেন আইরিন। কিন্তু মাংসে স্বাদ হয়নি বলে অভিযোগ তুলে তার স্বামী আইরিনকে কয়েক দফা মারধর করেন। 

এরপর শনিবার দিবাগত রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে আইরিনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, আইরিন আত্মহত্যা করেছেন। তবে আইরিননের বা-মায়ের অভিযোগ, তাদের মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। 

অভিযুক্ত হারুনুর রশিদ পেশায় একজন রিকশাচালক। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। 

আইরিনের শাশুড়ি নুর বানু বলেন, মাংসে স্বাদ না হওয়ায় আইরিনকে মারধর করা হয়েছে সত্য। তবে আমার ছেলে বলেছে, আইরিন আত্মহত্যা করেছে।

নিহত আইরিনের মা শামসুন্নাহার সাংবাদিকদের বলেন, আসলে মাংস স্বাদ না হওয়ার উছিলা দিয়ে আমার মেয়েকে ওরা পিটিয়ে মেরে ফেলছে। হারুন অটোরিকশা কেনার জন্য এক লাখ টাকা যৌতুক চেয়েছিল, এর জন্যও আমার মেয়েকে মারধর করত। এটার সালিশ হয়েছিল এলাকায়।

আইরিনের বাবা আবু ছালেহ বলেন, আমার মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি আসামিদের শাস্তি চাই।

এ বিষয়ে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিউল কবির সাংবাদিকদের বলেন, তাকে উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে হত্যা নাকি আত্মহত্যা জানা যাবে। আপাতত থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন