গরু বিক্রির ১৩ লাখ টাকা লুট, মামলা হবে কোন থানায়?
jugantor
গরু বিক্রির ১৩ লাখ টাকা লুট, মামলা হবে কোন থানায়?

  গাজীপুর প্রতিনিধি  

২৬ জুলাই ২০২১, ০১:৪৭:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরে ঈদের আগে গরু বিক্রি করে ট্রাকে চড়ে বাড়ি ফেরার পথে ৭ বেপারীর ১৩ লাখ টাকা লুটের ঘটনার কোন থানায় মামলা রজু হবে তা গত পাঁচ দিনেও নিশ্চিত হতে পারেননি বাদী।

রোববার বিকালে মামলার বাদী মুঞ্জুরুল হককে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ও জেলার ঊর্ধ্বতন পুলিশের একটি টিম।

জানা গেছে, ঈদের আগের রাতে (মঙ্গলবার) কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গাবরগাঁও গ্রামের মুঞ্জুরুল হকসহ (৫০) সাত বেপারী ঢাকার ভাটরা থানার নতুনবাজার পশুর হাটে গরু বিক্রি করে বাড়ি ফেরার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সন্ধ্যার দিকে একটি ট্রাক ময়মনসিংহের গফরগাঁও যাওয়ার কথা বলে তাদের ট্রাকে উঠায়।

ট্রাকটি রাত ৮টার দিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সদর থানার সালনা ব্রিজে পৌঁছালে যাত্রীবেশী একদল ডাকাত তাদের মারপিট করে ব্যাগে থাকা গরু বিক্রির ১৩ লাখ ছিনিয়ে নেয়। পরে তাদের জেলার জয়দেবপুর থানাধীন রাজেন্দ্রপুর-ডগরী সড়কের গজারি বনে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়।

রাত ১২টার দিকে জয়দেবপুর থানার এসআই মো. সুলতান তাদের তিনজনকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ওই রাতেই গরু বেপারী মঞ্জুরুল হক সদর থানায় মামলা করতে গেলে ডিউটি অফিসার মামলা না নিয়ে যে থানা এলাকা থেকে বেপারীদের উদ্ধার করা হয়েছে সে থানায় অর্থাৎ জয়দেবপুর থানায় যেতে বলেন।

ঈদের পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে তিনি জয়দেবপুর থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে ওই থানার ওসি ঘটনার উৎপত্তি স্থান ঢাকার ভাটরা থানায় যেতে বলেন।

গরু বেপারী মঞ্জুরুল হক বলেন, ডাকাতদের লাঠিপেটায় জয়নাল ও রিপনের মাথা ফেটে এবং শহিদুল্লাহর হাত ভেঙ্গে যায়। জয়নালের মাথায় ২১টি এবং রিপনের মাথায় ১৭টি সেলাই দিতে হয়েছে। আমি ঘটনার রাতেই মামলার জন্য গাজীপুর মেট্রোপলিটন সদর থানায় গেলে ওই থানা পুলিশ আমাকে জয়দেবপুর থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেয়। পরে আবার জয়দেবপুর থানায় গেলে ওখান থেকে ভাটরা থানায় যেতে বলেন। আবার ভাটরা থানা থেকেও জয়দেবপুর যেতে বলে। শুক্রবার আবার জয়দেবপুর থানায় আসলেও মামলা নেয়নি থানা পুলিশ। রোববার আবার আমাকে নিয়ে দুই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। মামলা কোন থানায় হবে আমরা এখনো নিশ্চিত না।

জয়দেবপুর থানার ওসি মামুন আল রশিদ জানান, ঘটনার সূত্রপাত গুলশান, ভাটরা থানায় সীমান্ত থেকে। আর ডাকাতি শুরু হয়েছে গাজীপুর মেট্রো সদর থানায় সালনা থেকে এবং শেষ হয়েছে জয়দেবপুর থানা এলাকায়। আমরা বাদীর মামলার এজাহার গ্রহণ করেছি কিন্তু মামলাটি কোন থানায় হবে তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে মামলা রজু করা হবে।

গরু বিক্রির ১৩ লাখ টাকা লুট, মামলা হবে কোন থানায়?

 গাজীপুর প্রতিনিধি 
২৬ জুলাই ২০২১, ০১:৪৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরে ঈদের আগে গরু বিক্রি করে ট্রাকে চড়ে বাড়ি ফেরার পথে ৭ বেপারীর ১৩ লাখ টাকা লুটের ঘটনার কোন থানায় মামলা রজু হবে তা গত পাঁচ দিনেও নিশ্চিত হতে পারেননি বাদী।

রোববার বিকালে মামলার বাদী মুঞ্জুরুল হককে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ও জেলার ঊর্ধ্বতন পুলিশের একটি টিম।

জানা গেছে, ঈদের আগের রাতে (মঙ্গলবার) কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গাবরগাঁও গ্রামের মুঞ্জুরুল হকসহ (৫০) সাত বেপারী ঢাকার ভাটরা থানার নতুনবাজার পশুর হাটে গরু বিক্রি করে বাড়ি ফেরার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সন্ধ্যার দিকে একটি ট্রাক ময়মনসিংহের গফরগাঁও যাওয়ার কথা বলে তাদের ট্রাকে উঠায়।

ট্রাকটি রাত ৮টার দিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সদর থানার সালনা ব্রিজে পৌঁছালে যাত্রীবেশী একদল ডাকাত তাদের মারপিট করে ব্যাগে থাকা গরু বিক্রির ১৩ লাখ ছিনিয়ে নেয়। পরে তাদের জেলার জয়দেবপুর থানাধীন রাজেন্দ্রপুর-ডগরী সড়কের গজারি বনে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়।

রাত ১২টার দিকে জয়দেবপুর থানার এসআই মো. সুলতান তাদের তিনজনকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ওই রাতেই গরু বেপারী মঞ্জুরুল হক সদর থানায় মামলা করতে গেলে ডিউটি অফিসার মামলা না নিয়ে যে থানা এলাকা থেকে বেপারীদের উদ্ধার করা হয়েছে সে থানায় অর্থাৎ জয়দেবপুর থানায় যেতে বলেন।

ঈদের পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে তিনি জয়দেবপুর থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে ওই থানার ওসি ঘটনার উৎপত্তি স্থান ঢাকার ভাটরা থানায় যেতে বলেন।

গরু বেপারী মঞ্জুরুল হক বলেন, ডাকাতদের লাঠিপেটায় জয়নাল ও রিপনের মাথা ফেটে এবং শহিদুল্লাহর হাত ভেঙ্গে যায়। জয়নালের মাথায় ২১টি এবং রিপনের মাথায় ১৭টি সেলাই দিতে হয়েছে। আমি ঘটনার রাতেই মামলার জন্য গাজীপুর মেট্রোপলিটন সদর থানায় গেলে ওই থানা পুলিশ আমাকে জয়দেবপুর থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেয়। পরে আবার জয়দেবপুর থানায় গেলে ওখান থেকে ভাটরা থানায় যেতে বলেন। আবার ভাটরা থানা থেকেও জয়দেবপুর যেতে বলে। শুক্রবার আবার জয়দেবপুর থানায় আসলেও মামলা নেয়নি থানা পুলিশ। রোববার আবার আমাকে নিয়ে দুই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। মামলা কোন থানায় হবে আমরা এখনো নিশ্চিত না। 

জয়দেবপুর থানার ওসি মামুন আল রশিদ জানান, ঘটনার সূত্রপাত গুলশান, ভাটরা থানায় সীমান্ত থেকে। আর ডাকাতি শুরু হয়েছে গাজীপুর মেট্রো সদর থানায় সালনা থেকে এবং শেষ হয়েছে জয়দেবপুর থানা এলাকায়। আমরা বাদীর মামলার এজাহার গ্রহণ করেছি কিন্তু মামলাটি কোন থানায় হবে তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে মামলা রজু করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন