রাতের আঁধারে গৃহবধূর ঘরে ইমাম, অতঃপর...
jugantor
রাতের আঁধারে গৃহবধূর ঘরে ইমাম, অতঃপর...

  ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি  

২৬ জুলাই ২০২১, ১০:৩৫:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

রাতের আঁধারে গৃহবধূর ঘরে ইমাম, অতঃপর...

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় গভীর রাতে গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করে জনগণের হাতে ধরা খেয়েছেন ইমাম (২৮)।

রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। পরে গ্রামবাসী তাদের আটক করে মারধর করে সড়কের পাশে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন। রাতভর তাদের সেখানেই রাখা হয়।

গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওই ইমাম দীর্ঘদিন ধরে মসজিদে ইমামতি করছেন। ঘটনার রাতে গ্রামের জনৈক ব্যক্তি তাকে দুই সন্তানের জননী ওই গৃহবধূর ঘরে ইমামকে প্রবেশ করতে দেখেন। চাঁদের আলোয় ওই ইমামের চেহারা স্পষ্ট দেখতে না পেয়ে তিনি গ্রামের আরও কয়েকজনকে ডেকে এনে এবং গৃহবধূরকে ডাকাডাকি করলে ওই ইমাম পেছনের গেট দিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে।

পরে গ্রামবাসী তাকে ধাওয়া করে আটক করে এবং ওই নারীসহ মসজিদের সামনে সড়কের পাশে থাকা খুঁটিতে বেঁধে রাখে।

সরেজমিন দেখা যায়, সড়কের পাশে থাকা খুঁটির সঙ্গে তাদের মোটা দড়ি (রশি) দিয়ে শক্ত করে বেঁধে রাখা হয়েছে। মারধরের কারণে ইমামের হাত ফুলে রয়েছে। মারধর করা হয়েছে ওই গৃহবধূকেও।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মাজেদ হোসেন জানান, ঘটনার পর পরই আমি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানিয়েছি। ওই রাতেই চেয়ারম্যানের স্ত্রী সন্তান জন্ম দেওয়ায় তিনি ব্যস্ত রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক টুকুনের মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তা রিসিভ হয়নি।

ভাঙ্গুড়া থানার ওসি ফয়সাল বিন আহসান বলেন, ঘটনার বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ জানে না। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে।

রাতের আঁধারে গৃহবধূর ঘরে ইমাম, অতঃপর...

 ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি 
২৬ জুলাই ২০২১, ১০:৩৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রাতের আঁধারে গৃহবধূর ঘরে ইমাম, অতঃপর...
ফাইল ছবি

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় গভীর রাতে গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করে জনগণের হাতে ধরা খেয়েছেন ইমাম (২৮)।

রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। পরে গ্রামবাসী তাদের আটক করে মারধর করে সড়কের পাশে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন। রাতভর তাদের সেখানেই রাখা হয়।

গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওই ইমাম দীর্ঘদিন ধরে মসজিদে ইমামতি করছেন। ঘটনার রাতে গ্রামের জনৈক ব্যক্তি তাকে দুই সন্তানের জননী ওই গৃহবধূর ঘরে ইমামকে প্রবেশ করতে দেখেন। চাঁদের আলোয় ওই ইমামের চেহারা স্পষ্ট দেখতে না পেয়ে তিনি গ্রামের আরও কয়েকজনকে ডেকে এনে এবং গৃহবধূরকে ডাকাডাকি করলে ওই ইমাম পেছনের গেট দিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে।

পরে গ্রামবাসী তাকে ধাওয়া করে আটক করে এবং ওই নারীসহ মসজিদের সামনে সড়কের পাশে থাকা খুঁটিতে বেঁধে রাখে।

সরেজমিন দেখা যায়, সড়কের পাশে থাকা খুঁটির সঙ্গে তাদের মোটা দড়ি (রশি) দিয়ে শক্ত করে বেঁধে রাখা হয়েছে। মারধরের কারণে ইমামের হাত ফুলে রয়েছে। মারধর করা হয়েছে ওই গৃহবধূকেও।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মাজেদ হোসেন জানান, ঘটনার পর পরই আমি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানিয়েছি। ওই রাতেই চেয়ারম্যানের স্ত্রী সন্তান জন্ম দেওয়ায় তিনি ব্যস্ত রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক টুকুনের মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তা রিসিভ হয়নি।

ভাঙ্গুড়া থানার ওসি ফয়সাল বিন আহসান বলেন, ঘটনার বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ জানে না। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন