স্ত্রীর শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে যুবকের আত্মহত্যা
jugantor
স্ত্রীর শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

  চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি  

২৬ জুলাই ২০২১, ১৬:৪২:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

স্ত্রীর শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

স্ত্রীর শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে কেশব হালদার (২৮) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। রোববার রাত ৯টার দিকে পাবনার চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের সমাজ চালাপড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

তিনি ওই গ্রামের সুদেব হালদারের ছেলে। খবর পেয়ে সোমবার সকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় পুলিশ।

জানা গেছে, কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন কেশব। তিনি সমাজবাজারে একটি জুতার দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। রোববার সন্ধ্যার পর সে বাড়ি ফিরে নিজের ঘরে ঘুমাতে যায়। পরে রাত ৯টার দিকে খাবার খাওয়ার জন্য তাকে ডাকতে গেলে স্বজনরা ঘরের দরজা বন্ধ পান। এরপর অনেক ডাকাডাকি করেও সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে দেখেন ঘরে স্ত্রীর শাড়ি গলায় পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছে কেশবের মরদেহ।

বেশ কিছুদিন ধরে ডাক্তার দেখিয়ে মানসিক রোগ না সারায় হতাশা থেকে কেশব হালদার আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

ঘটনার বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, কেশব হালদার নামের ওই যুবক কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। বেশ কিছুদিন ধরে ডাক্তার দেখানোর পরও রোগ ভালো না হওয়ায় হতাশ ছিলেন তিনি।

এ ঘটনায় থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর (ইউডি) মামলা দায়ের করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্ত্রীর শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

 চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি 
২৬ জুলাই ২০২১, ০৪:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
স্ত্রীর শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে যুবকের আত্মহত্যা
ফাইল ছবি

স্ত্রীর শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে কেশব হালদার (২৮) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। রোববার রাত ৯টার দিকে পাবনার চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের সমাজ চালাপড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

তিনি ওই গ্রামের সুদেব হালদারের ছেলে। খবর পেয়ে সোমবার সকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় পুলিশ।

জানা গেছে, কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন কেশব। তিনি সমাজবাজারে একটি জুতার দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। রোববার সন্ধ্যার পর সে বাড়ি ফিরে নিজের ঘরে ঘুমাতে যায়। পরে রাত ৯টার দিকে খাবার খাওয়ার জন্য তাকে ডাকতে গেলে স্বজনরা ঘরের দরজা বন্ধ পান। এরপর অনেক ডাকাডাকি করেও সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে দেখেন ঘরে স্ত্রীর শাড়ি গলায় পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছে কেশবের মরদেহ।

বেশ কিছুদিন ধরে ডাক্তার দেখিয়ে মানসিক রোগ না সারায় হতাশা থেকে কেশব হালদার আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

ঘটনার বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, কেশব হালদার নামের ওই যুবক কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। বেশ কিছুদিন ধরে ডাক্তার দেখানোর পরও রোগ ভালো না হওয়ায় হতাশ ছিলেন তিনি।

এ ঘটনায় থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর (ইউডি) মামলা দায়ের করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন