জীবিকার তাগিদে ঢাকায় ছুটছেন মানুষ 
jugantor
জীবিকার তাগিদে ঢাকায় ছুটছেন মানুষ 

  ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

২৬ জুলাই ২০২১, ২১:১৯:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিনেও জীবিকার তাগিদে ঢাকামুখী মানুষের উপচেপড়া ভিড় ছিল। সরকারি স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে গাদাগাদি করে ছুটছে ঢাকার পথে।

সরেজমিন দেখা যায়, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড দরিরামপুর এলাকায় কঠোর লকডাউন উপেক্ষা করে পিকআপে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিশু, নারী ও পুরুষ ছুটছেন ঢাকার পথে। এ সময় ছিল না আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো তৎপরতা।

ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ডের যাত্রী রুবেলের সঙ্গে কথা বললে জানান, কোরবানির ঈদে বাড়িতে আসছিলাম। এখন কামাই নাই, তাই পেটের তাগিদে ঢাকা চলে যাইতেছি। জানি লকডাউন গাড়ি নাই, তাই পিকআপে কষ্ট করে হলেও ঢাকা যাইতে হবে। কামাই না করলে খাব কী,তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকা যাচ্ছি।

নারী যাত্রী সালমা আক্তারের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, ঈদে কষ্ট করে বাড়িতে আসছি মা-বাবার সঙ্গে ঈদ করতে। ঈদের পর ঢাকা যেতে পারি নাই। ঢাকায় আমার স্বামী চাকরি করেন, বাড়ি থেকে বের হয়েছি ঢাকা যামু। লকডাউন জানি গাড়ি নাই, তারপরও বাচ্চাকে নিয়ে ট্রাকে উঠেছি। আল্লাই জানে, যেতে পারমু কিনা!

ত্রিশাল থানার ওসি মো. মাইন উদ্দিন বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। পুলিশ মাঠে নিয়মিত টহল দিচ্ছে। ওখানে কীভাবে এমনটি ঘটল তা এখনই খতিয়ে দেখছি।

ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে আমরা সর্বাত্বক মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। উপজেলার বিভিন্ন স্পটে টহল অব্যাহত রয়েছে। আমরা যখন অন্য স্পটে যাই তখন হয়তো পিকআপ এ সুযোগটাকে কাজে লাগিয়েছে।

জীবিকার তাগিদে ঢাকায় ছুটছেন মানুষ 

 ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
২৬ জুলাই ২০২১, ০৯:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিনেও জীবিকার তাগিদে ঢাকামুখী মানুষের উপচেপড়া ভিড় ছিল। সরকারি স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে গাদাগাদি করে ছুটছে ঢাকার পথে। 

সরেজমিন দেখা যায়, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড দরিরামপুর এলাকায় কঠোর লকডাউন উপেক্ষা করে পিকআপে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিশু, নারী ও পুরুষ ছুটছেন ঢাকার পথে। এ সময় ছিল না আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো তৎপরতা।

ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ডের যাত্রী রুবেলের সঙ্গে কথা বললে জানান, কোরবানির ঈদে বাড়িতে আসছিলাম। এখন কামাই নাই, তাই পেটের তাগিদে ঢাকা চলে যাইতেছি। জানি লকডাউন গাড়ি নাই, তাই পিকআপে কষ্ট করে হলেও ঢাকা যাইতে হবে। কামাই না করলে খাব কী,তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকা যাচ্ছি।

নারী যাত্রী সালমা আক্তারের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, ঈদে কষ্ট করে বাড়িতে আসছি মা-বাবার সঙ্গে ঈদ করতে। ঈদের পর ঢাকা যেতে পারি নাই। ঢাকায় আমার স্বামী চাকরি করেন, বাড়ি থেকে বের হয়েছি ঢাকা যামু। লকডাউন জানি গাড়ি নাই, তারপরও বাচ্চাকে নিয়ে ট্রাকে উঠেছি। আল্লাই জানে, যেতে পারমু কিনা!

ত্রিশাল থানার ওসি মো. মাইন উদ্দিন বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। পুলিশ মাঠে নিয়মিত টহল দিচ্ছে। ওখানে কীভাবে এমনটি ঘটল তা এখনই খতিয়ে দেখছি।

ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে আমরা সর্বাত্বক মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। উপজেলার বিভিন্ন স্পটে টহল অব্যাহত রয়েছে। আমরা যখন অন্য স্পটে যাই তখন হয়তো পিকআপ এ সুযোগটাকে কাজে লাগিয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন