প্রাইভেট পড়তে গিয়ে অপহরণ, আটকে রেখে ধর্ষণ
jugantor
প্রাইভেট পড়তে গিয়ে অপহরণ, আটকে রেখে ধর্ষণ

  চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

২৬ জুলাই ২০২১, ২২:৪৮:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার চান্দিনায় তেরো বছরের এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে আবুল বাশার (৫০) নামে এক মসজিদের ইমাম।

এ ঘটনায় সোমবার চান্দিনা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন মাদ্রাসা ছাত্রীর পিতা জহিরুল ইসলাম।

অভিযুক্ত আবুল বাশার উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নের শব্দলপুর গ্রামের মুন্সিবাড়ির মৃত মোতালেব মুন্সীর ছেলে। তিনি সুহিলপুর ইউনিয়নের তীরচর নয়াবাড়ি মসজিদের ইমাম।

জানা যায়, ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়ানোর সময় গত বৃহস্পতিবার ফুসলিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় আবুল বাশার। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তার পরদিন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে ছাত্রীর পরিবার। টানা দুই দিন অজ্ঞাত স্থানে মেয়েটিকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে আবুল বাশার।

একপর্যায়ে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে দুই দিন পর গত শনিবার আবুল বাশার তার ভাই আবু ইউসুফকে খবর দিয়ে তার হাতে মেয়েটিকে তুলে দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় অসুস্থ অবস্থায় মেয়েটিকে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তারের পরামর্শে কুমিল্লার ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় মাদ্রাসাছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

চান্দিনা থানার ওসি শামসুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

প্রাইভেট পড়তে গিয়ে অপহরণ, আটকে রেখে ধর্ষণ

 চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
২৬ জুলাই ২০২১, ১০:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার চান্দিনায় তেরো বছরের এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে আবুল বাশার (৫০) নামে এক মসজিদের ইমাম।

এ ঘটনায় সোমবার চান্দিনা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন মাদ্রাসা ছাত্রীর পিতা জহিরুল ইসলাম।

অভিযুক্ত আবুল বাশার উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নের শব্দলপুর গ্রামের মুন্সিবাড়ির মৃত মোতালেব মুন্সীর ছেলে। তিনি সুহিলপুর ইউনিয়নের তীরচর নয়াবাড়ি মসজিদের ইমাম।

জানা যায়, ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়ানোর সময় গত বৃহস্পতিবার ফুসলিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় আবুল বাশার। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তার পরদিন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে ছাত্রীর পরিবার। টানা দুই দিন অজ্ঞাত স্থানে মেয়েটিকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে আবুল বাশার। 

একপর্যায়ে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে দুই দিন পর গত শনিবার আবুল বাশার তার ভাই আবু ইউসুফকে খবর দিয়ে তার হাতে মেয়েটিকে তুলে দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় অসুস্থ অবস্থায় মেয়েটিকে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তারের পরামর্শে কুমিল্লার ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় মাদ্রাসাছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

চান্দিনা থানার ওসি শামসুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন