রোগীকে অন্য হাসপাতালে যেতে বলায় চিকিৎসককে মারধর, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল
jugantor
রোগীকে অন্য হাসপাতালে যেতে বলায় চিকিৎসককে মারধর, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল

  কুমিল্লা ব্যুরো  

২৭ জুলাই ২০২১, ১১:৩০:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

রোগীকে অন্য হাসপাতালে যেতে বলায় চিকিৎসককে মারধর, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল

কুমিল্লায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগীকে অন্য হাসপাতালে যেতে বলায় তানভীর আকবর নামে এক চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালায়।

এ ঘটনায় সোমবার দুপুরে অনন্ত নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এদিকে হামলার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আসামিদের শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুর এলাকায় মনিপাল এএফসি হাসপাতালে গত রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর শাকতলা এলাকার মৃত আবদুল হামিদের ছেলে এমএ হোসাইন নামে এক ব্যক্তি করোনা উপসর্গ নিয়ে আসেন। এ সময় চিকিৎসকরা ওই রোগীর সঙ্গে থাকা কুমিল্লা জেনারেল (সদর) হাসপাতালের ছাড়পত্র দেখে তাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অথবা ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

এতে রোগীর স্বজনরা হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে ডা. তানভীর আকবর নামে এক চিকিৎসককে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করেন এবং হাসপাতাল ভাঙচুর করা হয়।

এদিকে এ ঘটনায় সোমবার সকালে ওই চিকিৎসক বাদী হয়ে ওই রোগীর ছেলে মো. হোসেন অয়ন (৩২), অনন্ত (২৫) ও আবদুল কাদের অনিক (২২) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।

এদিকে খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জেলা বিএমএ ও স্বাচিপ নেতৃবৃন্দ। জেলা স্বাচিপের সাধারণ সম্পাদক ডা. মোর্শেদুল আলম বলেন, একজন চিকিৎসকের ওপর হামলা, এটি একটি ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। করোনাকালে পরিবার থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন হয়ে জাতির সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। এ সময়ে একজন চিকিৎসকের ওপর হামলা মানে হচ্ছে জাতির ওপর হামলা।

রাতে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মীর মোবারক হোসাইন বলেন, একজন চিকিৎসকের ওপর এ ধরনের নির্মম হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সোহান সরকার বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আসামিদের শনাক্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে অনন্ত নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামিদেরও গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

রোগীকে অন্য হাসপাতালে যেতে বলায় চিকিৎসককে মারধর, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল

 কুমিল্লা ব্যুরো 
২৭ জুলাই ২০২১, ১১:৩০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রোগীকে অন্য হাসপাতালে যেতে বলায় চিকিৎসককে মারধর, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল
ছবি: যুগান্তর

কুমিল্লায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগীকে অন্য হাসপাতালে যেতে বলায় তানভীর আকবর নামে এক চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালায়।

এ ঘটনায় সোমবার দুপুরে অনন্ত নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এদিকে হামলার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে।  সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আসামিদের শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুর এলাকায় মনিপাল এএফসি হাসপাতালে গত রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর শাকতলা এলাকার মৃত আবদুল হামিদের ছেলে এমএ হোসাইন নামে এক ব্যক্তি করোনা উপসর্গ নিয়ে আসেন। এ সময় চিকিৎসকরা ওই রোগীর সঙ্গে থাকা কুমিল্লা জেনারেল (সদর) হাসপাতালের ছাড়পত্র দেখে তাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অথবা ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

 এতে রোগীর স্বজনরা হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে ডা. তানভীর আকবর নামে এক চিকিৎসককে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করেন এবং হাসপাতাল ভাঙচুর করা হয়।

 এদিকে এ ঘটনায় সোমবার সকালে ওই চিকিৎসক বাদী হয়ে ওই রোগীর ছেলে মো. হোসেন অয়ন (৩২), অনন্ত (২৫) ও আবদুল কাদের অনিক (২২) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।

এদিকে খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জেলা বিএমএ ও স্বাচিপ নেতৃবৃন্দ। জেলা স্বাচিপের সাধারণ সম্পাদক ডা. মোর্শেদুল আলম বলেন, একজন চিকিৎসকের ওপর হামলা, এটি একটি ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। করোনাকালে পরিবার থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন হয়ে জাতির সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। এ সময়ে একজন চিকিৎসকের ওপর হামলা মানে হচ্ছে জাতির ওপর হামলা।

রাতে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মীর মোবারক হোসাইন বলেন, একজন চিকিৎসকের ওপর এ ধরনের নির্মম হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সোহান সরকার বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আসামিদের শনাক্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে অনন্ত নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামিদেরও গ্রেফতারে অভিযান চলছে।  

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন