বঙ্গোপসাগরে ঝড়ে ট্রলার লণ্ডভণ্ড, ৩ মাঝি নিখোঁজ
jugantor
বঙ্গোপসাগরে ঝড়ে ট্রলার লণ্ডভণ্ড, ৩ মাঝি নিখোঁজ

  বাঁশখালী ( চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

২৭ জুলাই ২০২১, ১৫:২৩:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ট্রালারডুবি

বঙ্গোপসাগরে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল এলাকার চার ফিশিং ট্রলার ঝড়ের কবলে পড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। এ ঘটনায় তিন মাঝিমাল্লা এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে বঙ্গোপসাগরের গ্যাসের টাংকি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বাংলাবাজার ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতি সূত্রে জানা যায়। চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল এলাকার প্রায় ২০টি ফিশিং ট্রলার মাছ ধরার জন্য মঙ্গলবার ভোরে বাংলাবাজারঘাট থেকে বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশে রওনা দেয়।

সকাল ৮টার দিকে ফিশিং ট্রলারগুলো ঝড়ের কবলে পড়লে মুহূর্তের মধ্যে লণ্ডভণ্ড হয়ে সমুদ্রের পানিতে বিলীন হয়ে যায়। মাঝিমাল্লারা পানিতে ভাসতে ভাসতে অন্য ফিশিং ট্রলারের সহযোগিতায় প্রাণে রক্ষা পান। এবং উপকূলে চলে আসেন। তবে এখনও তিন মাঝিমাল্লার খোঁজ মেলেনি বলে জানায় ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতি।

ঝড়ের কবলে লণ্ডভণ্ড ফিশিং ট্রলারগুলো হচ্ছে— হেফাজতুল ইসলামের মালিকানাধীন এফবি মুশফিক, মোহাম্মদ ফারুকের মালিকানাধীন একটি ফিশিং ট্রলার, কেফায়াতুল্লার মালিকানাধীন একটি ফিশিং ট্রলার, নন্না মিয়ার মালিকানাধীন আরেকটি ফিশিং ট্রলার।

ক্ষতিগ্রস্ত চার ফিশিং ট্রলারের মালিকের বাড়ি চাম্বল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে।

এ ব্যাপারে চাম্বল বাংলাবাজার ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি হেফাজতুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার ভোরে ফিশিং ট্রলারগুলো মাছ ধরার জন্য বঙ্গোপসাগরে গিয়েছিল। সকাল ৮টার দিকে ঝড়ের কবলে পড়ে মুহূর্তের মধ্যে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। বেশিরভাগ মাঝিমাল্লা উপকূলে চলে এলেও এখনও তিন মাঝিমাল্লা নিখোঁজ রয়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বঙ্গোপসাগরে বাঁশখালীর ফিশিং ট্রলার ঝড়ের কবলে ডুবে যাওয়ার খবর আমি পেয়েছি। কোস্টগার্ডের মাধ্যমে তাদের নিখোঁজ তিন মাঝিমাল্লার ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছি।

বঙ্গোপসাগরে ঝড়ে ট্রলার লণ্ডভণ্ড, ৩ মাঝি নিখোঁজ

 বাঁশখালী ( চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
২৭ জুলাই ২০২১, ০৩:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ট্রালারডুবি
ফাইল ছবি

বঙ্গোপসাগরে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল এলাকার চার ফিশিং ট্রলার ঝড়ের কবলে পড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। এ ঘটনায় তিন মাঝিমাল্লা এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

মঙ্গলবার  সকাল ৮টার দিকে বঙ্গোপসাগরের গ্যাসের টাংকি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
 
বাংলাবাজার  ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতি সূত্রে জানা যায়। চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল এলাকার  প্রায় ২০টি ফিশিং ট্রলার মাছ ধরার জন্য মঙ্গলবার ভোরে বাংলাবাজারঘাট থেকে বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশে রওনা দেয়।

সকাল ৮টার  দিকে ফিশিং ট্রলারগুলো ঝড়ের কবলে পড়লে মুহূর্তের মধ্যে   লণ্ডভণ্ড হয়ে সমুদ্রের পানিতে বিলীন হয়ে যায়। মাঝিমাল্লারা পানিতে ভাসতে ভাসতে অন্য ফিশিং ট্রলারের সহযোগিতায় প্রাণে রক্ষা পান। এবং উপকূলে চলে আসেন। তবে এখনও তিন মাঝিমাল্লার খোঁজ মেলেনি বলে জানায় ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতি।  

ঝড়ের কবলে লণ্ডভণ্ড ফিশিং ট্রলারগুলো  হচ্ছে— হেফাজতুল  ইসলামের মালিকানাধীন এফবি মুশফিক, মোহাম্মদ ফারুকের মালিকানাধীন একটি ফিশিং ট্রলার, কেফায়াতুল্লার মালিকানাধীন একটি ফিশিং ট্রলার, নন্না মিয়ার মালিকানাধীন আরেকটি ফিশিং ট্রলার।

ক্ষতিগ্রস্ত চার ফিশিং ট্রলারের  মালিকের বাড়ি চাম্বল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে।

এ ব্যাপারে চাম্বল বাংলাবাজার ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি হেফাজতুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার ভোরে ফিশিং ট্রলারগুলো মাছ ধরার জন্য বঙ্গোপসাগরে গিয়েছিল। সকাল ৮টার দিকে ঝড়ের কবলে পড়ে  মুহূর্তের মধ্যে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। বেশিরভাগ মাঝিমাল্লা উপকূলে চলে এলেও এখনও তিন মাঝিমাল্লা নিখোঁজ রয়েছেন।  

 এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বঙ্গোপসাগরে বাঁশখালীর  ফিশিং ট্রলার ঝড়ের কবলে ডুবে যাওয়ার খবর আমি পেয়েছি। কোস্টগার্ডের মাধ্যমে তাদের  নিখোঁজ তিন মাঝিমাল্লার ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন